ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

ঘুরে আসুন ইতিহাস-ঐতিহ্যের শহর বুদাপেস্ট

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

যেকোনো শহরে ঘুরতে গেলে যা যা আপনি চান, এর সবই পাবেন হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে৷ অসাধারণ সব ঐতিহ্যবাহী ভবন, উষ্ণ স্নানাগার এবং রোমাঞ্চকর নাইটলাইফ৷

চলুন ঘুরে আসি এই ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট থেকে৷

চেইন ব্রিজ :

দানিয়ুব নদীর ওপর নয়টি ব্রিজের মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো চেইন ব্রিজ৷ ১৮৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই ব্রিজ৷ নদীর এক পাড়ে অবস্থিত বুদা থেকে অপর পাড়ের পেস্ট শহরে যেতে সব পর্যটককেই পাড়ি দিতে হয় এই ব্রিজ৷ ২০১৭ সালে প্রায় সোয়া এক কোটি পর্যটক রাত্রিযাপন করেছেন হাঙ্গেরির রাজধানীতে৷ গত ১০ বছরে এ সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে৷

দুর্গ শহর :

চেইন ব্রিজ থেকে সোজা হেঁটে গেলেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই এলাকায়৷ ছোট ছোট রাস্তা, বিশালাকার বাড়ি, গির্জা আর জাদুঘরে পূর্ণ এই এলাকা৷ হাঙ্গেরির রাজা এবং অভিজাতরা একসময় এখানে বাস করতেন৷ এখন এই প্রায় গাড়িমুক্ত অঞ্চলটিতে পর্যটকরা ঘুরে বেড়ান৷

সেচেনি উষ্ণ স্নান :

ইউরোপের অন্যান্য অনেক শহরের চেয়ে বুদাপেস্টে ঘুরে বেড়ানো অনেক সহজ৷ এখানে ঘুরে বেড়ানোর মধ্যেই একটু আয়েশ করে উষ্ণ পানির সুইমিং পুলে স্নান করে নিতে পারেন৷ সেচেনির উষ্ণ স্নানের ঔষধি গুণও অনেক৷

১৯১৩ সালে চালু হওয়া এই কমপ্লেক্সটি এ ধরনের স্নানাগারের মধ্যে বৃহত্তম৷ এই কমপ্লেক্সে ১৫টি পুল রয়েছে৷ পুলগুলোতে পানির তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে৷

গ্রেট সিনাগগ :

ইউরোপের সবচেয়ে বড় সিনাগগটি বুদাপেস্টে অবস্থিত৷ ১৮৫৪ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৮৫৯ সাল পর্যন্ত চলে এর নির্মাণ কাজ৷ গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরও টিকে ছিল মুরিশ স্টাইলে নির্মিত এ সিনাগগ৷

১৯৯৬ সালে সংস্কারের পর থেকে এটি আবার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্বমহিমায়৷ এই সিনাগগে একসঙ্গে তিন হাজার মানুষ উপাসনা করতে পারেন৷

ইহুদি কোয়ার্টার :

বুদাপেস্টের সবচেয়ে দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে একটি ইহুদি অঞ্চল৷ ঝলমলে বার, পাব, ক্লাব ও রেস্টুরেন্ট দর্শনার্থীদের কাছে এক অন্যরকম আকর্ষণ৷

পার্লামেন্ট ভবন :

বুদাপেস্টের পার্লামেন্ট ভবনটি বিশালাকৃতির৷ ২৬৮ মিটার লম্বা, ৯৬ মিটার উঁচু, ২৯টি সিঁড়ি এবং সাতশ’র কাছাকাছি কক্ষ রয়েছে ভবনটিতে৷

দানিয়ুবের পাড়ে অবস্থিত সবচেয়ে দর্শনীয় স্থানগুলোর একটি এটি৷ দুই পাড়ের এই পুরো শহুরে নান্দনিকতাকেই ১৯৮৭ সালে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ইউনেস্কো৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কী কারণে ভাঙছে তাহসান-রোজার সংসার

ঘুরে আসুন ইতিহাস-ঐতিহ্যের শহর বুদাপেস্ট

আপডেট সময় ০১:৫৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

যেকোনো শহরে ঘুরতে গেলে যা যা আপনি চান, এর সবই পাবেন হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে৷ অসাধারণ সব ঐতিহ্যবাহী ভবন, উষ্ণ স্নানাগার এবং রোমাঞ্চকর নাইটলাইফ৷

চলুন ঘুরে আসি এই ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট থেকে৷

চেইন ব্রিজ :

দানিয়ুব নদীর ওপর নয়টি ব্রিজের মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো চেইন ব্রিজ৷ ১৮৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই ব্রিজ৷ নদীর এক পাড়ে অবস্থিত বুদা থেকে অপর পাড়ের পেস্ট শহরে যেতে সব পর্যটককেই পাড়ি দিতে হয় এই ব্রিজ৷ ২০১৭ সালে প্রায় সোয়া এক কোটি পর্যটক রাত্রিযাপন করেছেন হাঙ্গেরির রাজধানীতে৷ গত ১০ বছরে এ সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে৷

দুর্গ শহর :

চেইন ব্রিজ থেকে সোজা হেঁটে গেলেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই এলাকায়৷ ছোট ছোট রাস্তা, বিশালাকার বাড়ি, গির্জা আর জাদুঘরে পূর্ণ এই এলাকা৷ হাঙ্গেরির রাজা এবং অভিজাতরা একসময় এখানে বাস করতেন৷ এখন এই প্রায় গাড়িমুক্ত অঞ্চলটিতে পর্যটকরা ঘুরে বেড়ান৷

সেচেনি উষ্ণ স্নান :

ইউরোপের অন্যান্য অনেক শহরের চেয়ে বুদাপেস্টে ঘুরে বেড়ানো অনেক সহজ৷ এখানে ঘুরে বেড়ানোর মধ্যেই একটু আয়েশ করে উষ্ণ পানির সুইমিং পুলে স্নান করে নিতে পারেন৷ সেচেনির উষ্ণ স্নানের ঔষধি গুণও অনেক৷

১৯১৩ সালে চালু হওয়া এই কমপ্লেক্সটি এ ধরনের স্নানাগারের মধ্যে বৃহত্তম৷ এই কমপ্লেক্সে ১৫টি পুল রয়েছে৷ পুলগুলোতে পানির তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে৷

গ্রেট সিনাগগ :

ইউরোপের সবচেয়ে বড় সিনাগগটি বুদাপেস্টে অবস্থিত৷ ১৮৫৪ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৮৫৯ সাল পর্যন্ত চলে এর নির্মাণ কাজ৷ গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরও টিকে ছিল মুরিশ স্টাইলে নির্মিত এ সিনাগগ৷

১৯৯৬ সালে সংস্কারের পর থেকে এটি আবার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্বমহিমায়৷ এই সিনাগগে একসঙ্গে তিন হাজার মানুষ উপাসনা করতে পারেন৷

ইহুদি কোয়ার্টার :

বুদাপেস্টের সবচেয়ে দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে একটি ইহুদি অঞ্চল৷ ঝলমলে বার, পাব, ক্লাব ও রেস্টুরেন্ট দর্শনার্থীদের কাছে এক অন্যরকম আকর্ষণ৷

পার্লামেন্ট ভবন :

বুদাপেস্টের পার্লামেন্ট ভবনটি বিশালাকৃতির৷ ২৬৮ মিটার লম্বা, ৯৬ মিটার উঁচু, ২৯টি সিঁড়ি এবং সাতশ’র কাছাকাছি কক্ষ রয়েছে ভবনটিতে৷

দানিয়ুবের পাড়ে অবস্থিত সবচেয়ে দর্শনীয় স্থানগুলোর একটি এটি৷ দুই পাড়ের এই পুরো শহুরে নান্দনিকতাকেই ১৯৮৭ সালে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ইউনেস্কো৷