ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

ঘুরে আসুন ইতিহাস-ঐতিহ্যের শহর বুদাপেস্ট

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

যেকোনো শহরে ঘুরতে গেলে যা যা আপনি চান, এর সবই পাবেন হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে৷ অসাধারণ সব ঐতিহ্যবাহী ভবন, উষ্ণ স্নানাগার এবং রোমাঞ্চকর নাইটলাইফ৷

চলুন ঘুরে আসি এই ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট থেকে৷

চেইন ব্রিজ :

দানিয়ুব নদীর ওপর নয়টি ব্রিজের মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো চেইন ব্রিজ৷ ১৮৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই ব্রিজ৷ নদীর এক পাড়ে অবস্থিত বুদা থেকে অপর পাড়ের পেস্ট শহরে যেতে সব পর্যটককেই পাড়ি দিতে হয় এই ব্রিজ৷ ২০১৭ সালে প্রায় সোয়া এক কোটি পর্যটক রাত্রিযাপন করেছেন হাঙ্গেরির রাজধানীতে৷ গত ১০ বছরে এ সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে৷

দুর্গ শহর :

চেইন ব্রিজ থেকে সোজা হেঁটে গেলেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই এলাকায়৷ ছোট ছোট রাস্তা, বিশালাকার বাড়ি, গির্জা আর জাদুঘরে পূর্ণ এই এলাকা৷ হাঙ্গেরির রাজা এবং অভিজাতরা একসময় এখানে বাস করতেন৷ এখন এই প্রায় গাড়িমুক্ত অঞ্চলটিতে পর্যটকরা ঘুরে বেড়ান৷

সেচেনি উষ্ণ স্নান :

ইউরোপের অন্যান্য অনেক শহরের চেয়ে বুদাপেস্টে ঘুরে বেড়ানো অনেক সহজ৷ এখানে ঘুরে বেড়ানোর মধ্যেই একটু আয়েশ করে উষ্ণ পানির সুইমিং পুলে স্নান করে নিতে পারেন৷ সেচেনির উষ্ণ স্নানের ঔষধি গুণও অনেক৷

১৯১৩ সালে চালু হওয়া এই কমপ্লেক্সটি এ ধরনের স্নানাগারের মধ্যে বৃহত্তম৷ এই কমপ্লেক্সে ১৫টি পুল রয়েছে৷ পুলগুলোতে পানির তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে৷

গ্রেট সিনাগগ :

ইউরোপের সবচেয়ে বড় সিনাগগটি বুদাপেস্টে অবস্থিত৷ ১৮৫৪ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৮৫৯ সাল পর্যন্ত চলে এর নির্মাণ কাজ৷ গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরও টিকে ছিল মুরিশ স্টাইলে নির্মিত এ সিনাগগ৷

১৯৯৬ সালে সংস্কারের পর থেকে এটি আবার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্বমহিমায়৷ এই সিনাগগে একসঙ্গে তিন হাজার মানুষ উপাসনা করতে পারেন৷

ইহুদি কোয়ার্টার :

বুদাপেস্টের সবচেয়ে দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে একটি ইহুদি অঞ্চল৷ ঝলমলে বার, পাব, ক্লাব ও রেস্টুরেন্ট দর্শনার্থীদের কাছে এক অন্যরকম আকর্ষণ৷

পার্লামেন্ট ভবন :

বুদাপেস্টের পার্লামেন্ট ভবনটি বিশালাকৃতির৷ ২৬৮ মিটার লম্বা, ৯৬ মিটার উঁচু, ২৯টি সিঁড়ি এবং সাতশ’র কাছাকাছি কক্ষ রয়েছে ভবনটিতে৷

দানিয়ুবের পাড়ে অবস্থিত সবচেয়ে দর্শনীয় স্থানগুলোর একটি এটি৷ দুই পাড়ের এই পুরো শহুরে নান্দনিকতাকেই ১৯৮৭ সালে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ইউনেস্কো৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

ঘুরে আসুন ইতিহাস-ঐতিহ্যের শহর বুদাপেস্ট

আপডেট সময় ০১:৫৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

যেকোনো শহরে ঘুরতে গেলে যা যা আপনি চান, এর সবই পাবেন হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে৷ অসাধারণ সব ঐতিহ্যবাহী ভবন, উষ্ণ স্নানাগার এবং রোমাঞ্চকর নাইটলাইফ৷

চলুন ঘুরে আসি এই ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট থেকে৷

চেইন ব্রিজ :

দানিয়ুব নদীর ওপর নয়টি ব্রিজের মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো চেইন ব্রিজ৷ ১৮৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই ব্রিজ৷ নদীর এক পাড়ে অবস্থিত বুদা থেকে অপর পাড়ের পেস্ট শহরে যেতে সব পর্যটককেই পাড়ি দিতে হয় এই ব্রিজ৷ ২০১৭ সালে প্রায় সোয়া এক কোটি পর্যটক রাত্রিযাপন করেছেন হাঙ্গেরির রাজধানীতে৷ গত ১০ বছরে এ সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে৷

দুর্গ শহর :

চেইন ব্রিজ থেকে সোজা হেঁটে গেলেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই এলাকায়৷ ছোট ছোট রাস্তা, বিশালাকার বাড়ি, গির্জা আর জাদুঘরে পূর্ণ এই এলাকা৷ হাঙ্গেরির রাজা এবং অভিজাতরা একসময় এখানে বাস করতেন৷ এখন এই প্রায় গাড়িমুক্ত অঞ্চলটিতে পর্যটকরা ঘুরে বেড়ান৷

সেচেনি উষ্ণ স্নান :

ইউরোপের অন্যান্য অনেক শহরের চেয়ে বুদাপেস্টে ঘুরে বেড়ানো অনেক সহজ৷ এখানে ঘুরে বেড়ানোর মধ্যেই একটু আয়েশ করে উষ্ণ পানির সুইমিং পুলে স্নান করে নিতে পারেন৷ সেচেনির উষ্ণ স্নানের ঔষধি গুণও অনেক৷

১৯১৩ সালে চালু হওয়া এই কমপ্লেক্সটি এ ধরনের স্নানাগারের মধ্যে বৃহত্তম৷ এই কমপ্লেক্সে ১৫টি পুল রয়েছে৷ পুলগুলোতে পানির তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে৷

গ্রেট সিনাগগ :

ইউরোপের সবচেয়ে বড় সিনাগগটি বুদাপেস্টে অবস্থিত৷ ১৮৫৪ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৮৫৯ সাল পর্যন্ত চলে এর নির্মাণ কাজ৷ গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরও টিকে ছিল মুরিশ স্টাইলে নির্মিত এ সিনাগগ৷

১৯৯৬ সালে সংস্কারের পর থেকে এটি আবার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্বমহিমায়৷ এই সিনাগগে একসঙ্গে তিন হাজার মানুষ উপাসনা করতে পারেন৷

ইহুদি কোয়ার্টার :

বুদাপেস্টের সবচেয়ে দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে একটি ইহুদি অঞ্চল৷ ঝলমলে বার, পাব, ক্লাব ও রেস্টুরেন্ট দর্শনার্থীদের কাছে এক অন্যরকম আকর্ষণ৷

পার্লামেন্ট ভবন :

বুদাপেস্টের পার্লামেন্ট ভবনটি বিশালাকৃতির৷ ২৬৮ মিটার লম্বা, ৯৬ মিটার উঁচু, ২৯টি সিঁড়ি এবং সাতশ’র কাছাকাছি কক্ষ রয়েছে ভবনটিতে৷

দানিয়ুবের পাড়ে অবস্থিত সবচেয়ে দর্শনীয় স্থানগুলোর একটি এটি৷ দুই পাড়ের এই পুরো শহুরে নান্দনিকতাকেই ১৯৮৭ সালে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ইউনেস্কো৷