ঢাকা ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

সিংড়ায় গ্রাহকদের তোপের মুখে বিদ্যুৎ বিল পরিবর্তন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ভূতুরে বিলে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন সিংড়া উপজেলার কয়েকশ গ্রাহক। রবিবার বিকালে সিংড়া পৌর শহরের বালুয়া বাসুয়া মহল্লায় বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দিতে গিয়ে আশকান আলী নামে এক মিটার রিডার বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে লাঞ্ছিত হন।

এদিকে তাকে উদ্ধারে গিয়ে গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়েন সিংড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের দুই কর্মকর্তা। পরে কর্তৃপক্ষ ভূতুরে বিদ্যুৎ বিল সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এলাকাবাসী জানায়, রবিবার সিংড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের মিটার রিডার কামরুল ইসলামের সহকারী আশকান আলী পৌর শহরের বালুয়া বাসুয়া মহল্লায় গ্রাহকদের বাড়িতে বিদ্যুৎ বিল পৌঁছে দিতে যান। কিন্তু ভূতুরে বিলে গ্রাহকরা বিস্মিত হয়ে সহকারী মিটার রিডার আশকান আলীর কাছে বিষয়টি জানতে চান। কিন্তু মিটার রিডার গ্রাহকদের কোন সদুত্তর না দিয়ে উল্টো মেজাজ দেখান। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তিনি পল্লী বিদ্যুতের কোন মিটার রিডার নন। তিনি মিটার রিডার কামরুল ইসলামের পরিবর্তে ভাড়াটে হয়ে মিটার রিডারের কাজ করেন। এতে গ্রাহকরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে লাঞ্ছিত করে আটকে রাখে। পরে তাকে উদ্ধারে এসে মিটার রিডার কামরুল ইসলাম ও পল্লী বিদ্যুতের দুই কর্মকর্তা গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়েন। পরে কর্তৃপক্ষ ভূতুরে বিদ্যুৎ বিলগুলো সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বালুয়া বাসুয়া গ্রামের গ্রাহক আব্দুল মালেক বলেন, আমি পেশায় একজন রিকশাচালক। প্রতি মাসে আমার ৩’শ থেকে ৪’শ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে। কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে সেই বিল ১ হাজার ৬শ সাতানব্বই টাকা এসেছে। তিনি অভিযোগ করেন, আসল মিটার রিডার না এসে অশিক্ষিত এক লোক দিয়ে ভাড়ায় মিটার রিডারের কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।

বালুয়া বাসুয়া গ্রামের গ্রাহক মুকুল হোসেন ও চাঁদ আলী অভিযোগ করেন, তারা সারাদিন যা উপার্জন করেন তাই দিয়ে তাদের সংসার চলে। এ মাসে তাদের প্রতি মাসের বিলের চেয়ে চার ডবল বিল এসেছে।

সিংড়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র শফিকুল ইসলাম বলেন, মিটার রিডার এলাকায় না এসে ঘরে বসে বিল করায় এই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি পল্লী বিদ্যুতের কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুলতান উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দোষী মিটার রিডারের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নানা পাটেকরের মৃত্যু: তনুশ্রীর ‘শয়তানের মৃত্যু’ মন্তব্যে পুরোনো বিতর্ক

সিংড়ায় গ্রাহকদের তোপের মুখে বিদ্যুৎ বিল পরিবর্তন

আপডেট সময় ০৮:৫৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ভূতুরে বিলে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন সিংড়া উপজেলার কয়েকশ গ্রাহক। রবিবার বিকালে সিংড়া পৌর শহরের বালুয়া বাসুয়া মহল্লায় বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দিতে গিয়ে আশকান আলী নামে এক মিটার রিডার বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে লাঞ্ছিত হন।

এদিকে তাকে উদ্ধারে গিয়ে গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়েন সিংড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের দুই কর্মকর্তা। পরে কর্তৃপক্ষ ভূতুরে বিদ্যুৎ বিল সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এলাকাবাসী জানায়, রবিবার সিংড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের মিটার রিডার কামরুল ইসলামের সহকারী আশকান আলী পৌর শহরের বালুয়া বাসুয়া মহল্লায় গ্রাহকদের বাড়িতে বিদ্যুৎ বিল পৌঁছে দিতে যান। কিন্তু ভূতুরে বিলে গ্রাহকরা বিস্মিত হয়ে সহকারী মিটার রিডার আশকান আলীর কাছে বিষয়টি জানতে চান। কিন্তু মিটার রিডার গ্রাহকদের কোন সদুত্তর না দিয়ে উল্টো মেজাজ দেখান। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তিনি পল্লী বিদ্যুতের কোন মিটার রিডার নন। তিনি মিটার রিডার কামরুল ইসলামের পরিবর্তে ভাড়াটে হয়ে মিটার রিডারের কাজ করেন। এতে গ্রাহকরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে লাঞ্ছিত করে আটকে রাখে। পরে তাকে উদ্ধারে এসে মিটার রিডার কামরুল ইসলাম ও পল্লী বিদ্যুতের দুই কর্মকর্তা গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়েন। পরে কর্তৃপক্ষ ভূতুরে বিদ্যুৎ বিলগুলো সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বালুয়া বাসুয়া গ্রামের গ্রাহক আব্দুল মালেক বলেন, আমি পেশায় একজন রিকশাচালক। প্রতি মাসে আমার ৩’শ থেকে ৪’শ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে। কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে সেই বিল ১ হাজার ৬শ সাতানব্বই টাকা এসেছে। তিনি অভিযোগ করেন, আসল মিটার রিডার না এসে অশিক্ষিত এক লোক দিয়ে ভাড়ায় মিটার রিডারের কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।

বালুয়া বাসুয়া গ্রামের গ্রাহক মুকুল হোসেন ও চাঁদ আলী অভিযোগ করেন, তারা সারাদিন যা উপার্জন করেন তাই দিয়ে তাদের সংসার চলে। এ মাসে তাদের প্রতি মাসের বিলের চেয়ে চার ডবল বিল এসেছে।

সিংড়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র শফিকুল ইসলাম বলেন, মিটার রিডার এলাকায় না এসে ঘরে বসে বিল করায় এই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি পল্লী বিদ্যুতের কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুলতান উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দোষী মিটার রিডারের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।