ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

সিংড়ায় গ্রাহকদের তোপের মুখে বিদ্যুৎ বিল পরিবর্তন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ভূতুরে বিলে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন সিংড়া উপজেলার কয়েকশ গ্রাহক। রবিবার বিকালে সিংড়া পৌর শহরের বালুয়া বাসুয়া মহল্লায় বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দিতে গিয়ে আশকান আলী নামে এক মিটার রিডার বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে লাঞ্ছিত হন।

এদিকে তাকে উদ্ধারে গিয়ে গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়েন সিংড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের দুই কর্মকর্তা। পরে কর্তৃপক্ষ ভূতুরে বিদ্যুৎ বিল সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এলাকাবাসী জানায়, রবিবার সিংড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের মিটার রিডার কামরুল ইসলামের সহকারী আশকান আলী পৌর শহরের বালুয়া বাসুয়া মহল্লায় গ্রাহকদের বাড়িতে বিদ্যুৎ বিল পৌঁছে দিতে যান। কিন্তু ভূতুরে বিলে গ্রাহকরা বিস্মিত হয়ে সহকারী মিটার রিডার আশকান আলীর কাছে বিষয়টি জানতে চান। কিন্তু মিটার রিডার গ্রাহকদের কোন সদুত্তর না দিয়ে উল্টো মেজাজ দেখান। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তিনি পল্লী বিদ্যুতের কোন মিটার রিডার নন। তিনি মিটার রিডার কামরুল ইসলামের পরিবর্তে ভাড়াটে হয়ে মিটার রিডারের কাজ করেন। এতে গ্রাহকরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে লাঞ্ছিত করে আটকে রাখে। পরে তাকে উদ্ধারে এসে মিটার রিডার কামরুল ইসলাম ও পল্লী বিদ্যুতের দুই কর্মকর্তা গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়েন। পরে কর্তৃপক্ষ ভূতুরে বিদ্যুৎ বিলগুলো সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বালুয়া বাসুয়া গ্রামের গ্রাহক আব্দুল মালেক বলেন, আমি পেশায় একজন রিকশাচালক। প্রতি মাসে আমার ৩’শ থেকে ৪’শ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে। কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে সেই বিল ১ হাজার ৬শ সাতানব্বই টাকা এসেছে। তিনি অভিযোগ করেন, আসল মিটার রিডার না এসে অশিক্ষিত এক লোক দিয়ে ভাড়ায় মিটার রিডারের কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।

বালুয়া বাসুয়া গ্রামের গ্রাহক মুকুল হোসেন ও চাঁদ আলী অভিযোগ করেন, তারা সারাদিন যা উপার্জন করেন তাই দিয়ে তাদের সংসার চলে। এ মাসে তাদের প্রতি মাসের বিলের চেয়ে চার ডবল বিল এসেছে।

সিংড়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র শফিকুল ইসলাম বলেন, মিটার রিডার এলাকায় না এসে ঘরে বসে বিল করায় এই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি পল্লী বিদ্যুতের কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুলতান উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দোষী মিটার রিডারের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিংড়ায় গ্রাহকদের তোপের মুখে বিদ্যুৎ বিল পরিবর্তন

আপডেট সময় ০৮:৫৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ভূতুরে বিলে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন সিংড়া উপজেলার কয়েকশ গ্রাহক। রবিবার বিকালে সিংড়া পৌর শহরের বালুয়া বাসুয়া মহল্লায় বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দিতে গিয়ে আশকান আলী নামে এক মিটার রিডার বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে লাঞ্ছিত হন।

এদিকে তাকে উদ্ধারে গিয়ে গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়েন সিংড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের দুই কর্মকর্তা। পরে কর্তৃপক্ষ ভূতুরে বিদ্যুৎ বিল সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এলাকাবাসী জানায়, রবিবার সিংড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের মিটার রিডার কামরুল ইসলামের সহকারী আশকান আলী পৌর শহরের বালুয়া বাসুয়া মহল্লায় গ্রাহকদের বাড়িতে বিদ্যুৎ বিল পৌঁছে দিতে যান। কিন্তু ভূতুরে বিলে গ্রাহকরা বিস্মিত হয়ে সহকারী মিটার রিডার আশকান আলীর কাছে বিষয়টি জানতে চান। কিন্তু মিটার রিডার গ্রাহকদের কোন সদুত্তর না দিয়ে উল্টো মেজাজ দেখান। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তিনি পল্লী বিদ্যুতের কোন মিটার রিডার নন। তিনি মিটার রিডার কামরুল ইসলামের পরিবর্তে ভাড়াটে হয়ে মিটার রিডারের কাজ করেন। এতে গ্রাহকরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে লাঞ্ছিত করে আটকে রাখে। পরে তাকে উদ্ধারে এসে মিটার রিডার কামরুল ইসলাম ও পল্লী বিদ্যুতের দুই কর্মকর্তা গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়েন। পরে কর্তৃপক্ষ ভূতুরে বিদ্যুৎ বিলগুলো সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বালুয়া বাসুয়া গ্রামের গ্রাহক আব্দুল মালেক বলেন, আমি পেশায় একজন রিকশাচালক। প্রতি মাসে আমার ৩’শ থেকে ৪’শ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে। কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে সেই বিল ১ হাজার ৬শ সাতানব্বই টাকা এসেছে। তিনি অভিযোগ করেন, আসল মিটার রিডার না এসে অশিক্ষিত এক লোক দিয়ে ভাড়ায় মিটার রিডারের কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।

বালুয়া বাসুয়া গ্রামের গ্রাহক মুকুল হোসেন ও চাঁদ আলী অভিযোগ করেন, তারা সারাদিন যা উপার্জন করেন তাই দিয়ে তাদের সংসার চলে। এ মাসে তাদের প্রতি মাসের বিলের চেয়ে চার ডবল বিল এসেছে।

সিংড়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র শফিকুল ইসলাম বলেন, মিটার রিডার এলাকায় না এসে ঘরে বসে বিল করায় এই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি পল্লী বিদ্যুতের কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুলতান উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দোষী মিটার রিডারের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।