ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কোনো আগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের নেই: ট্রাম্প ‘ইরান তেল বিক্রি করতে না পারলে কেউ পারবে না’ জিয়া হত্যা মামলার আসামি মোজাফফর ট্রাইব্যুনালে তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন আমরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: হাসনাত আবদুল্লাহ চাঁদপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজে প্রতিটি হামলার জন্য একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প

স্বাস্থ্য খাতে ১১ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেবে এডিবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের নগরাঞ্চলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে আরও ১১ কোটি ডলার বা প্রায় ৯২১ কোটি টাকার ঋণ সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

বুধবার ম্যানিলাভিত্তিক আন্তর্জাতিক এই ঋণদাতা সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় নেয়া একটি প্রকল্পের জন্য বাড়তি এ ঋণ অনুমোদন করেছে।

এডিবির সামাজিক খাত বিশেষজ্ঞ ব্রায়ান চিন বলেন, ২০১২ সালে অনুমোদিত সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি নামে এ প্রকল্পে এডিবির সহায়তা বিশেষ করে দরিদ্র খানাগুলোর মধ্যে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানোর ফলে শূন্যস্থান পূরণ হচ্ছে।

তিনি বলেন, নতুন এ অর্থায়ন সেবাপ্রদানের ব্যবস্থাকে জোরদার করবে। ২০১২ সালের প্রকল্প ও বাকি দুটি প্রকল্পের ভিত শক্ত করবে। অপূরণীয় চাহিদা পূরণ করে এ ব্যবস্থা পারিচালনায় স্বনির্ভরতা আসবে।

ব্রায়ান চিন বলেন, আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি শীর্ষক ২০১২ সালে নেয়া এ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় এর মধ্যেই একনেকে অনুমোদন পেয়েছে।

এটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে এক হাজার ১৩৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ২৪০ কোটি টাকা এবং এডিবির ঋণ থেকে ৮৯৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান সম্ভব হবে। পাশাপাশি মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সম্পর্কিত অপরিহার্য সেবা প্যাকেজের মাধ্যমে দরিদ্রদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাবে।

এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিক ও ভৌত অভিগম্যতার উন্নয়ন ঘটবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ১১টি সিটি কর্পোরেশন ও ১৪টি পৌরসভার জনগণ, বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠী নারী ও শিশু অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কোনো আগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের নেই: ট্রাম্প

স্বাস্থ্য খাতে ১১ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেবে এডিবি

আপডেট সময় ০৫:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের নগরাঞ্চলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে আরও ১১ কোটি ডলার বা প্রায় ৯২১ কোটি টাকার ঋণ সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

বুধবার ম্যানিলাভিত্তিক আন্তর্জাতিক এই ঋণদাতা সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় নেয়া একটি প্রকল্পের জন্য বাড়তি এ ঋণ অনুমোদন করেছে।

এডিবির সামাজিক খাত বিশেষজ্ঞ ব্রায়ান চিন বলেন, ২০১২ সালে অনুমোদিত সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি নামে এ প্রকল্পে এডিবির সহায়তা বিশেষ করে দরিদ্র খানাগুলোর মধ্যে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানোর ফলে শূন্যস্থান পূরণ হচ্ছে।

তিনি বলেন, নতুন এ অর্থায়ন সেবাপ্রদানের ব্যবস্থাকে জোরদার করবে। ২০১২ সালের প্রকল্প ও বাকি দুটি প্রকল্পের ভিত শক্ত করবে। অপূরণীয় চাহিদা পূরণ করে এ ব্যবস্থা পারিচালনায় স্বনির্ভরতা আসবে।

ব্রায়ান চিন বলেন, আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি শীর্ষক ২০১২ সালে নেয়া এ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় এর মধ্যেই একনেকে অনুমোদন পেয়েছে।

এটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে এক হাজার ১৩৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ২৪০ কোটি টাকা এবং এডিবির ঋণ থেকে ৮৯৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান সম্ভব হবে। পাশাপাশি মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সম্পর্কিত অপরিহার্য সেবা প্যাকেজের মাধ্যমে দরিদ্রদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাবে।

এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিক ও ভৌত অভিগম্যতার উন্নয়ন ঘটবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ১১টি সিটি কর্পোরেশন ও ১৪টি পৌরসভার জনগণ, বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠী নারী ও শিশু অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পাবে।