ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর

স্বাস্থ্য খাতে ১১ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেবে এডিবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের নগরাঞ্চলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে আরও ১১ কোটি ডলার বা প্রায় ৯২১ কোটি টাকার ঋণ সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

বুধবার ম্যানিলাভিত্তিক আন্তর্জাতিক এই ঋণদাতা সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় নেয়া একটি প্রকল্পের জন্য বাড়তি এ ঋণ অনুমোদন করেছে।

এডিবির সামাজিক খাত বিশেষজ্ঞ ব্রায়ান চিন বলেন, ২০১২ সালে অনুমোদিত সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি নামে এ প্রকল্পে এডিবির সহায়তা বিশেষ করে দরিদ্র খানাগুলোর মধ্যে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানোর ফলে শূন্যস্থান পূরণ হচ্ছে।

তিনি বলেন, নতুন এ অর্থায়ন সেবাপ্রদানের ব্যবস্থাকে জোরদার করবে। ২০১২ সালের প্রকল্প ও বাকি দুটি প্রকল্পের ভিত শক্ত করবে। অপূরণীয় চাহিদা পূরণ করে এ ব্যবস্থা পারিচালনায় স্বনির্ভরতা আসবে।

ব্রায়ান চিন বলেন, আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি শীর্ষক ২০১২ সালে নেয়া এ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় এর মধ্যেই একনেকে অনুমোদন পেয়েছে।

এটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে এক হাজার ১৩৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ২৪০ কোটি টাকা এবং এডিবির ঋণ থেকে ৮৯৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান সম্ভব হবে। পাশাপাশি মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সম্পর্কিত অপরিহার্য সেবা প্যাকেজের মাধ্যমে দরিদ্রদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাবে।

এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিক ও ভৌত অভিগম্যতার উন্নয়ন ঘটবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ১১টি সিটি কর্পোরেশন ও ১৪টি পৌরসভার জনগণ, বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠী নারী ও শিশু অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা

স্বাস্থ্য খাতে ১১ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেবে এডিবি

আপডেট সময় ০৫:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের নগরাঞ্চলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে আরও ১১ কোটি ডলার বা প্রায় ৯২১ কোটি টাকার ঋণ সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

বুধবার ম্যানিলাভিত্তিক আন্তর্জাতিক এই ঋণদাতা সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় নেয়া একটি প্রকল্পের জন্য বাড়তি এ ঋণ অনুমোদন করেছে।

এডিবির সামাজিক খাত বিশেষজ্ঞ ব্রায়ান চিন বলেন, ২০১২ সালে অনুমোদিত সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি নামে এ প্রকল্পে এডিবির সহায়তা বিশেষ করে দরিদ্র খানাগুলোর মধ্যে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানোর ফলে শূন্যস্থান পূরণ হচ্ছে।

তিনি বলেন, নতুন এ অর্থায়ন সেবাপ্রদানের ব্যবস্থাকে জোরদার করবে। ২০১২ সালের প্রকল্প ও বাকি দুটি প্রকল্পের ভিত শক্ত করবে। অপূরণীয় চাহিদা পূরণ করে এ ব্যবস্থা পারিচালনায় স্বনির্ভরতা আসবে।

ব্রায়ান চিন বলেন, আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি শীর্ষক ২০১২ সালে নেয়া এ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় এর মধ্যেই একনেকে অনুমোদন পেয়েছে।

এটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে এক হাজার ১৩৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ২৪০ কোটি টাকা এবং এডিবির ঋণ থেকে ৮৯৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান সম্ভব হবে। পাশাপাশি মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সম্পর্কিত অপরিহার্য সেবা প্যাকেজের মাধ্যমে দরিদ্রদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাবে।

এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিক ও ভৌত অভিগম্যতার উন্নয়ন ঘটবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ১১টি সিটি কর্পোরেশন ও ১৪টি পৌরসভার জনগণ, বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠী নারী ও শিশু অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পাবে।