ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি বাংলাদেশে নীতির অনিশ্চয়তা আমাদের ভয়ের কারণ: ব্রুনাইয়ের রাষ্ট্রদূত চবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮০ কোটি ডলার বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন স্কুলপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, দ্বিতীয় দফার বৈঠকে পাকিস্তানে যাচ্ছেন না মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারতে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২০

বরগুনায় কমিটি না পেয়ে বিএনপি অফিস ভাঙচুর করে তালা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরগুনায় যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি অফিস ভাঙচুর করে তালা লাগিয়ে দিয়েছে পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি জাহিদ মোল্লাকে সভাপতি, ডিলার জুয়েলকে সাধারণ সম্পাদক ও মুরাদুজ্জামান টিপনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে বরগুনা যুবদলের নতুন কমিটি অনুমোদন করলে জেলা বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করে যুবদলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা অফিসে তালা লাগিয়ে দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান, বিগত দিনে রাজপথে থেকে পুলিশের মার খেয়ে বিভিন্ন মামলা হামলার যারা শিকার হয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতারা। যাদের দিয়ে নতুন কমিটি অনুমোদিত হয়েছে তারা কখন বিএনপির মিছিল মিটিংএ অংশগ্রহণ করেনি, এমনকি তাদের নামে নেই কোনো মামলা।

যাকে সভাপতি করা হয়েছে তিনি হলেন জেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মোল্লার আপন ছোট ভাই এবং সাধারণ সম্পাদক হলেন সভাপতির ফুফাতো ভাই।

তারা আরও বলেন, জেলা যুবদলের সভাপতি তালিমুল ইসলাম পলাশের নামে রয়েছে প্রায় ২ ডজন রাজনৈতিক মামলা। গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে ২০-২৫ বার। তাকে বাদ দিয়ে বর্তমানে যে নতুন কমিটি প্রণয়ন করা হয়েছে এ কমিটি আমরা মানি না।

কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের কাছে আমাদের একটাই দাবি এ কমিটিকে বাদ দিয়ে তালিমুল ইসলাম পলাশকে সভাপতি করে পুনরায় কমিটি অনুমোদন দেয়া হোক। নতুবা আমাদের আন্দোলন চলবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মোল্লা জানান, কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতারা। বরগুনার অফিস ভাঙচুর করা ঠিক হয়নি মন্তব্য করে তিনি বলেন,আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত।

বরগুনা থানার ওসি এসএম মাসুদুজ্জামান জানান, জেলা বিএনপি অফিস ভাঙচুরের ঘটনা শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অফিস তালাবদ্ধ দেখতে পায়, এ সময় কোনো বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মী ওখানে ছিল না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি

বরগুনায় কমিটি না পেয়ে বিএনপি অফিস ভাঙচুর করে তালা

আপডেট সময় ০৮:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরগুনায় যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি অফিস ভাঙচুর করে তালা লাগিয়ে দিয়েছে পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি জাহিদ মোল্লাকে সভাপতি, ডিলার জুয়েলকে সাধারণ সম্পাদক ও মুরাদুজ্জামান টিপনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে বরগুনা যুবদলের নতুন কমিটি অনুমোদন করলে জেলা বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করে যুবদলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা অফিসে তালা লাগিয়ে দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান, বিগত দিনে রাজপথে থেকে পুলিশের মার খেয়ে বিভিন্ন মামলা হামলার যারা শিকার হয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতারা। যাদের দিয়ে নতুন কমিটি অনুমোদিত হয়েছে তারা কখন বিএনপির মিছিল মিটিংএ অংশগ্রহণ করেনি, এমনকি তাদের নামে নেই কোনো মামলা।

যাকে সভাপতি করা হয়েছে তিনি হলেন জেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মোল্লার আপন ছোট ভাই এবং সাধারণ সম্পাদক হলেন সভাপতির ফুফাতো ভাই।

তারা আরও বলেন, জেলা যুবদলের সভাপতি তালিমুল ইসলাম পলাশের নামে রয়েছে প্রায় ২ ডজন রাজনৈতিক মামলা। গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে ২০-২৫ বার। তাকে বাদ দিয়ে বর্তমানে যে নতুন কমিটি প্রণয়ন করা হয়েছে এ কমিটি আমরা মানি না।

কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের কাছে আমাদের একটাই দাবি এ কমিটিকে বাদ দিয়ে তালিমুল ইসলাম পলাশকে সভাপতি করে পুনরায় কমিটি অনুমোদন দেয়া হোক। নতুবা আমাদের আন্দোলন চলবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মোল্লা জানান, কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতারা। বরগুনার অফিস ভাঙচুর করা ঠিক হয়নি মন্তব্য করে তিনি বলেন,আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত।

বরগুনা থানার ওসি এসএম মাসুদুজ্জামান জানান, জেলা বিএনপি অফিস ভাঙচুরের ঘটনা শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অফিস তালাবদ্ধ দেখতে পায়, এ সময় কোনো বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মী ওখানে ছিল না।