ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

তারেকের কাছে পাসপোর্ট নেই, দেশে ফিরতে ট্রাভেল পাস লাগবে: মাসুদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বর্তমানে বাংলাদেশের কোনো পাসপোর্ট নেই। ফলে দেশে ফিরতে তাকে ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করতে হবে বলে জানিয়েছেন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাসুদ রেজওয়ান।

এ ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় তারেক রহমানকে নতুন করে পাসপোর্ট দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আগারগাঁও পাসপোর্ট অধিদফতরের সম্মেলনকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের এখন কোনো পাসপোর্ট নেই। তার কাছে যে পাসপোর্ট ছিল সেটি ২০১৪ সালে উনি জমা দিয়েছেন। এর পর নতুন করে পাসপোর্টের জন্য আর কোনো আবেদন তিনি করেননি। পাসপোর্ট ছাড়াই তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। তবে কীভাবে সেখানে অবস্থান করছেন সেটি যুক্তরাজ্যের সরকার জানেন।

মহাপরিচালক আরও বলেন, তারেক রহমান ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। তখন তার পাসপোর্ট ছিল হাতে লেখা, মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ছিল না। ২০১০ সালে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০১৪ সালে তিনি ওই পাসপোর্ট সারেন্ডার করেন। এখন নতুন পাসপোর্ট নিতে হলে তার ন্যাশনাল আইডি কার্ড লাগবে। ন্যাশনাল আইডি কার্ড তার নেই। এটি নিতে হলে অবশ্যই দেশে আসতে হবে।

মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান বলেন, তারেক রহমান দেশে আসতে চাইলে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তাকে ট্র্যাভেল পাস নিতে হবে। এটি স্বেচ্ছায় নিতে হবে। জোর করে দেওয়া হবে না। আর না চাইলে সেটি তার ব্যাপার। তবে সরকার তাকে আনতে চাইলে কীভাবে আনবে এটি সরকার ও আইনের ব্যাপার।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ১৯৭৬ সালের পাসপোর্ট আইন অনুযায়ী, কোনো মামলায় সাজার মেয়াদ দুই বছরের বেশি হলে আসামিকে পাসপোর্ট দেয়া হয় না। আমরাও দেব না। তবে কোনো আসামি সাজার আগেই পাসপোর্ট নিয়ে থাকলে তা ফেরত নেয়া হয় না। তবে ওই আসামিকে দেশ ত্যাগ করতে দেয়া হয় না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মারণাস্ত্র নয়, কূটনীতিই হোক সংঘাতের পথ: জাতিসংঘে তারেক রহমান

তারেকের কাছে পাসপোর্ট নেই, দেশে ফিরতে ট্রাভেল পাস লাগবে: মাসুদ

আপডেট সময় ১২:২৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বর্তমানে বাংলাদেশের কোনো পাসপোর্ট নেই। ফলে দেশে ফিরতে তাকে ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করতে হবে বলে জানিয়েছেন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাসুদ রেজওয়ান।

এ ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় তারেক রহমানকে নতুন করে পাসপোর্ট দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আগারগাঁও পাসপোর্ট অধিদফতরের সম্মেলনকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের এখন কোনো পাসপোর্ট নেই। তার কাছে যে পাসপোর্ট ছিল সেটি ২০১৪ সালে উনি জমা দিয়েছেন। এর পর নতুন করে পাসপোর্টের জন্য আর কোনো আবেদন তিনি করেননি। পাসপোর্ট ছাড়াই তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। তবে কীভাবে সেখানে অবস্থান করছেন সেটি যুক্তরাজ্যের সরকার জানেন।

মহাপরিচালক আরও বলেন, তারেক রহমান ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। তখন তার পাসপোর্ট ছিল হাতে লেখা, মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ছিল না। ২০১০ সালে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০১৪ সালে তিনি ওই পাসপোর্ট সারেন্ডার করেন। এখন নতুন পাসপোর্ট নিতে হলে তার ন্যাশনাল আইডি কার্ড লাগবে। ন্যাশনাল আইডি কার্ড তার নেই। এটি নিতে হলে অবশ্যই দেশে আসতে হবে।

মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান বলেন, তারেক রহমান দেশে আসতে চাইলে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তাকে ট্র্যাভেল পাস নিতে হবে। এটি স্বেচ্ছায় নিতে হবে। জোর করে দেওয়া হবে না। আর না চাইলে সেটি তার ব্যাপার। তবে সরকার তাকে আনতে চাইলে কীভাবে আনবে এটি সরকার ও আইনের ব্যাপার।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ১৯৭৬ সালের পাসপোর্ট আইন অনুযায়ী, কোনো মামলায় সাজার মেয়াদ দুই বছরের বেশি হলে আসামিকে পাসপোর্ট দেয়া হয় না। আমরাও দেব না। তবে কোনো আসামি সাজার আগেই পাসপোর্ট নিয়ে থাকলে তা ফেরত নেয়া হয় না। তবে ওই আসামিকে দেশ ত্যাগ করতে দেয়া হয় না।