ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর আয়োজনে সংসদ ভবনে শিক্ষার্থীদের মধ্যাহ্নভোজ অন্তর্বর্তী সরকারের ভুলে হামের প্রাদুর্ভাব দেখতে হয়েছে: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ৮ মাসের শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ, মা আটক হরমুজ প্রণালি আগামী ৩০ দিন ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে: আরাঘচি রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী দেশে নতুন উদ্যোক্তা না আসাই আয় বৈষম্যের মূল কারণ : বাণিজ্যমন্ত্রী বিচার বাধাগ্রস্ত করতে ট্রাইব্যুনাল আইন নিয়ে রিট: চিফ প্রসিকিউটর বাজেট নিয়ে বিরোধীদলের সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না : সড়কমন্ত্রী করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা করার প্রস্তাব প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর আবার যুদ্ধ শুরু হলে ইরানের অস্তিত্ব থাকবে না: ট্রাম্প

তারেকের কাছে পাসপোর্ট নেই, দেশে ফিরতে ট্রাভেল পাস লাগবে: মাসুদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বর্তমানে বাংলাদেশের কোনো পাসপোর্ট নেই। ফলে দেশে ফিরতে তাকে ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করতে হবে বলে জানিয়েছেন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাসুদ রেজওয়ান।

এ ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় তারেক রহমানকে নতুন করে পাসপোর্ট দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আগারগাঁও পাসপোর্ট অধিদফতরের সম্মেলনকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের এখন কোনো পাসপোর্ট নেই। তার কাছে যে পাসপোর্ট ছিল সেটি ২০১৪ সালে উনি জমা দিয়েছেন। এর পর নতুন করে পাসপোর্টের জন্য আর কোনো আবেদন তিনি করেননি। পাসপোর্ট ছাড়াই তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। তবে কীভাবে সেখানে অবস্থান করছেন সেটি যুক্তরাজ্যের সরকার জানেন।

মহাপরিচালক আরও বলেন, তারেক রহমান ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। তখন তার পাসপোর্ট ছিল হাতে লেখা, মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ছিল না। ২০১০ সালে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০১৪ সালে তিনি ওই পাসপোর্ট সারেন্ডার করেন। এখন নতুন পাসপোর্ট নিতে হলে তার ন্যাশনাল আইডি কার্ড লাগবে। ন্যাশনাল আইডি কার্ড তার নেই। এটি নিতে হলে অবশ্যই দেশে আসতে হবে।

মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান বলেন, তারেক রহমান দেশে আসতে চাইলে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তাকে ট্র্যাভেল পাস নিতে হবে। এটি স্বেচ্ছায় নিতে হবে। জোর করে দেওয়া হবে না। আর না চাইলে সেটি তার ব্যাপার। তবে সরকার তাকে আনতে চাইলে কীভাবে আনবে এটি সরকার ও আইনের ব্যাপার।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ১৯৭৬ সালের পাসপোর্ট আইন অনুযায়ী, কোনো মামলায় সাজার মেয়াদ দুই বছরের বেশি হলে আসামিকে পাসপোর্ট দেয়া হয় না। আমরাও দেব না। তবে কোনো আসামি সাজার আগেই পাসপোর্ট নিয়ে থাকলে তা ফেরত নেয়া হয় না। তবে ওই আসামিকে দেশ ত্যাগ করতে দেয়া হয় না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর আয়োজনে সংসদ ভবনে শিক্ষার্থীদের মধ্যাহ্নভোজ

তারেকের কাছে পাসপোর্ট নেই, দেশে ফিরতে ট্রাভেল পাস লাগবে: মাসুদ

আপডেট সময় ১২:২৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বর্তমানে বাংলাদেশের কোনো পাসপোর্ট নেই। ফলে দেশে ফিরতে তাকে ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করতে হবে বলে জানিয়েছেন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাসুদ রেজওয়ান।

এ ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় তারেক রহমানকে নতুন করে পাসপোর্ট দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আগারগাঁও পাসপোর্ট অধিদফতরের সম্মেলনকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের এখন কোনো পাসপোর্ট নেই। তার কাছে যে পাসপোর্ট ছিল সেটি ২০১৪ সালে উনি জমা দিয়েছেন। এর পর নতুন করে পাসপোর্টের জন্য আর কোনো আবেদন তিনি করেননি। পাসপোর্ট ছাড়াই তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। তবে কীভাবে সেখানে অবস্থান করছেন সেটি যুক্তরাজ্যের সরকার জানেন।

মহাপরিচালক আরও বলেন, তারেক রহমান ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। তখন তার পাসপোর্ট ছিল হাতে লেখা, মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ছিল না। ২০১০ সালে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০১৪ সালে তিনি ওই পাসপোর্ট সারেন্ডার করেন। এখন নতুন পাসপোর্ট নিতে হলে তার ন্যাশনাল আইডি কার্ড লাগবে। ন্যাশনাল আইডি কার্ড তার নেই। এটি নিতে হলে অবশ্যই দেশে আসতে হবে।

মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান বলেন, তারেক রহমান দেশে আসতে চাইলে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তাকে ট্র্যাভেল পাস নিতে হবে। এটি স্বেচ্ছায় নিতে হবে। জোর করে দেওয়া হবে না। আর না চাইলে সেটি তার ব্যাপার। তবে সরকার তাকে আনতে চাইলে কীভাবে আনবে এটি সরকার ও আইনের ব্যাপার।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ১৯৭৬ সালের পাসপোর্ট আইন অনুযায়ী, কোনো মামলায় সাজার মেয়াদ দুই বছরের বেশি হলে আসামিকে পাসপোর্ট দেয়া হয় না। আমরাও দেব না। তবে কোনো আসামি সাজার আগেই পাসপোর্ট নিয়ে থাকলে তা ফেরত নেয়া হয় না। তবে ওই আসামিকে দেশ ত্যাগ করতে দেয়া হয় না।