ঢাকা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

গুজরাটে ৯৭ মুসলিম হত্যা মামলার ১৩ আসামি খালাস

২০০২ সালে গুজরাটে হত্যাকাণ্ডের আগের দৃশ্য

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের গুজরাটের নারোদা পাটিয়ায় ২০০২ সালের ভয়াবহ গণহত্যার অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত ৩২ জনের মধ্যে প্রধান আসামিসহ ১৯ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন দেশটির উচ্চ আদালত। বিচারপতি হর্ষ দেবানী এবং বিচারপতি এ এস সুপেহিয়াকে নিয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ শনিবার এ রায় দেন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

নারোদা পাটিয়ার এ গণহত্যার প্রধান আসামি গুজরাটের সাবেক বিজেপি মন্ত্রী মায়া কোদনানিকে ২০১২ সালে ২৮ বছর কারাদণ্ড দিয়েছিল নিম্ন আদালতে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত বাবু বজরঙ্গিকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছিল নিম্ন আদালত। কিন্তু শনিবার উচ্চ আদালত মায়া কোদনানিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। এবং বাবু বজরঙ্গির সাজা কমিয়ে ২১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

গুজরাট হাইকোর্ট জানায়, সাক্ষীদের বক্তব্যে যথাযথ মিল না থাকায় তথ্যপ্রমাণের অভাবে মায়া কোদনানিকে বেকসুর খালাস দেয়া হলো। তাছাড়া মামলায় সাক্ষীদের বয়ান পাওয়া যাচ্ছে না এবং মায়াকে যে অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।

মায়া কোদনানিসহ বিশেষ আদালতে সাজা হয়েছিল এমন মোট ১৮ জনকে বেকসুর দিয়েছেন উচ্চ আদালত। নিম্ন আদালতে সাজা হয়েছিল মোট ৩২ জনের। এর মধ্যে প্রধান আসামিসহ ১৯ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে আর ১৩ জনের সাজা কমানো হয়েছে। আগামী ৯ মে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সাজা ঘোষণা করা হবে।

২০০২ সালে মায়া কোদনানি গুজরাটে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-মন্ত্রিসভায় নারী ও শিশু উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, গুজরাট দাঙ্গার পরবর্তী সময়ে নারোদা পাটিয়ায় যে গণহত্যা সংঘটিত হয়, নিজে উপস্থিত থেকে তিনি সেই দাঙ্গা পরিচালনা করেছিলেন।

এদিকে পার্সটুডে জানিয়েছে, আদালতের ওই রায়ের পর নারোদো পাটিয়ার ভয়াবহ ওই গণহত্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মুসলিমরা তীব্র ক্ষোভ, অসন্তোষ ও হতাশা ব্যক্ত করেছেন।

মায়া কোদনানির রেহাই প্রসঙ্গে রুকসানা নামে ক্ষতিগ্রস্ত এক নারী বলেন, তার পরিবারের দুজনকে হত্যা করা হয়েছিল। তার মা ও বোনসহ আশপাশের অনেককে সে সময় হত্যা করা হয়েছিল। ওই রায়ে তারা খুশি নন। কারণ, একজন নারী হয়ে নারীদের সঙ্গে সেদিন পাশবিক উন্মুক্ত তাণ্ডব ঘটিয়েছিলেন। লোকদের হত্যা করিয়েছিলেন। নারী হয়ে উনি নারীর সম্মান দেননি। যদি এ ধরনের আচরণ ওনার সঙ্গে বা ওর মেয়ের সঙ্গে হতো তাহলে কী হতো? এ ধরনের ব্যক্তিদের রেহাই দেয়া হলে হৃদয়ে আঘাত লাগে।

শরিফা বিবি শেখ নামে এক ক্ষতিগ্রস্ত নারী বলেন, আমার ১৬ বছরের ছেলেকে আমার সামনে হত্যা করা হয়েছিল। তলোয়ারের আঘাতে হত্যা করে তাকে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। আদালতের রায়ে হৃদয় ভারাক্রান্ত।

দাঙ্গায় সাজাপ্রাপ্ত বাবু বজরঙ্গি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মায়া কোদনানির মতো ওকেও ছেড়ে দেয়া হবে। তিনি বলেন, ‘ধীরে ধীরে সবাইকে ছেড়ে দেয়া হবে। আমরা সুবিচার পাইনি। আমরা উদ্বিগ্ন যে ওরা ছাড়া পাওয়ার পরে ফের ও রকম কাজ করতে পারে। কোনো নেতা আমাদের কষ্টের কথা শুনতে আসেননি। দোষীদের ফাঁসির সাজা হওয়া উচিত।’ আদালতের রায়ে হতাশ এক মুসলিম নারী

ক্ষতিগ্রস্ত এক নারী বলেন, ‘আমাদের পরিবারের ৮ জনকে হত্যা করা হয়েছিল, তাদের কেটে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আমাদের চোখের সামনে যাদের এসব করতে দেখেছি আজ তাদের নির্দোষ বলা হচ্ছে! কীভাবে তারা নিরপরাধ হতে পারে? আদালতে আমরা সাক্ষী দিয়েছি, বিচারকের সামনে আমরা বলেছিলাম, আমাদের চোখের সামনে ওরা এসব কাজ করেছিল, ওদেরকে আমরা চিনি। এরা এভাবে হত্যা করেছে, কেটেছে, তরুণীদের ধর্ষণ করেছিল। ওদেরকে আজ নিরপরাধ বলা হচ্ছে! কোনো সুবিচার পেলাম না আমরা।’

একনজরে গুজরাট হত্যাকাণ্ড:

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০২: অযোধ্যার দুই হাজারেরও বেশি করসেবক সাবরমতী এক্সপ্রেসে আমদাবাদ রওনা হয়।

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০২: গোধরায় ৪ ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছায় ট্রেন। করসেবক ভর্তি কামরায় আগুন লাগিয়ে দেয় এক দল লোক।

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০০২: ভিএইচপি এই ঘটনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করে। হরতাল ডাকে। হরতালের দিন বিক্ষোভকারীরা নরোদা পটিয়া এলাকায় হামলা চালায়। তাদের হামলায় ৯৭ জন নিহত হন।

২০০৯ সাল: মামলা শুরু হয়। ৬২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। ৩২ জন দোষী সাব্যস্ত হয়। ১১ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। বাকি ২৯ অভিযুক্ত বেকসুর খালাস পায়। মামলা চলার সময়েই এক অভিযুক্তের মৃত্যু হয়।

২০১২ সাল: বিশেষ আদালত বিজেপি নেতা এবং গুজরাতের তৎকালীন নরেন্দ্র মোদির সরকারের মন্ত্রী মায়া কোদনানি ও বাবু বজরঙ্গিকে দোষী সাব্যস্ত করে। মায়ার ২৮ বছর ও বজরঙ্গির আমৃত্যু কারাদণ্ড হয়।

২০১৭ সাল: দোষীরা গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। গত অগস্টে শুনানি শেষে রায় স্থগিত রাখা হয়।

২০ এপ্রিল, ২০১৮ সাল: মায়া কোদনানিসহ ১৯ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে। বাবু বজরঙ্গিসহ মোট ১৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে হাইকোর্ট।

গণহত্যায় হতাহতদের পরিবারের আইনজীবী সমসের পাঠান বলেন, ‘আমরা হতাশ। বিশেষ তদন্তকারী দল ঠিকমতো তদন্ত করেনি। রায় খতিয়ে দেখে আমরা সুপ্রিমকোর্টে যাব।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

গুজরাটে ৯৭ মুসলিম হত্যা মামলার ১৩ আসামি খালাস

আপডেট সময় ০৬:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের গুজরাটের নারোদা পাটিয়ায় ২০০২ সালের ভয়াবহ গণহত্যার অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত ৩২ জনের মধ্যে প্রধান আসামিসহ ১৯ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন দেশটির উচ্চ আদালত। বিচারপতি হর্ষ দেবানী এবং বিচারপতি এ এস সুপেহিয়াকে নিয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ শনিবার এ রায় দেন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

নারোদা পাটিয়ার এ গণহত্যার প্রধান আসামি গুজরাটের সাবেক বিজেপি মন্ত্রী মায়া কোদনানিকে ২০১২ সালে ২৮ বছর কারাদণ্ড দিয়েছিল নিম্ন আদালতে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত বাবু বজরঙ্গিকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছিল নিম্ন আদালত। কিন্তু শনিবার উচ্চ আদালত মায়া কোদনানিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। এবং বাবু বজরঙ্গির সাজা কমিয়ে ২১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

গুজরাট হাইকোর্ট জানায়, সাক্ষীদের বক্তব্যে যথাযথ মিল না থাকায় তথ্যপ্রমাণের অভাবে মায়া কোদনানিকে বেকসুর খালাস দেয়া হলো। তাছাড়া মামলায় সাক্ষীদের বয়ান পাওয়া যাচ্ছে না এবং মায়াকে যে অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।

মায়া কোদনানিসহ বিশেষ আদালতে সাজা হয়েছিল এমন মোট ১৮ জনকে বেকসুর দিয়েছেন উচ্চ আদালত। নিম্ন আদালতে সাজা হয়েছিল মোট ৩২ জনের। এর মধ্যে প্রধান আসামিসহ ১৯ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে আর ১৩ জনের সাজা কমানো হয়েছে। আগামী ৯ মে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সাজা ঘোষণা করা হবে।

২০০২ সালে মায়া কোদনানি গুজরাটে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-মন্ত্রিসভায় নারী ও শিশু উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, গুজরাট দাঙ্গার পরবর্তী সময়ে নারোদা পাটিয়ায় যে গণহত্যা সংঘটিত হয়, নিজে উপস্থিত থেকে তিনি সেই দাঙ্গা পরিচালনা করেছিলেন।

এদিকে পার্সটুডে জানিয়েছে, আদালতের ওই রায়ের পর নারোদো পাটিয়ার ভয়াবহ ওই গণহত্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মুসলিমরা তীব্র ক্ষোভ, অসন্তোষ ও হতাশা ব্যক্ত করেছেন।

মায়া কোদনানির রেহাই প্রসঙ্গে রুকসানা নামে ক্ষতিগ্রস্ত এক নারী বলেন, তার পরিবারের দুজনকে হত্যা করা হয়েছিল। তার মা ও বোনসহ আশপাশের অনেককে সে সময় হত্যা করা হয়েছিল। ওই রায়ে তারা খুশি নন। কারণ, একজন নারী হয়ে নারীদের সঙ্গে সেদিন পাশবিক উন্মুক্ত তাণ্ডব ঘটিয়েছিলেন। লোকদের হত্যা করিয়েছিলেন। নারী হয়ে উনি নারীর সম্মান দেননি। যদি এ ধরনের আচরণ ওনার সঙ্গে বা ওর মেয়ের সঙ্গে হতো তাহলে কী হতো? এ ধরনের ব্যক্তিদের রেহাই দেয়া হলে হৃদয়ে আঘাত লাগে।

শরিফা বিবি শেখ নামে এক ক্ষতিগ্রস্ত নারী বলেন, আমার ১৬ বছরের ছেলেকে আমার সামনে হত্যা করা হয়েছিল। তলোয়ারের আঘাতে হত্যা করে তাকে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। আদালতের রায়ে হৃদয় ভারাক্রান্ত।

দাঙ্গায় সাজাপ্রাপ্ত বাবু বজরঙ্গি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মায়া কোদনানির মতো ওকেও ছেড়ে দেয়া হবে। তিনি বলেন, ‘ধীরে ধীরে সবাইকে ছেড়ে দেয়া হবে। আমরা সুবিচার পাইনি। আমরা উদ্বিগ্ন যে ওরা ছাড়া পাওয়ার পরে ফের ও রকম কাজ করতে পারে। কোনো নেতা আমাদের কষ্টের কথা শুনতে আসেননি। দোষীদের ফাঁসির সাজা হওয়া উচিত।’ আদালতের রায়ে হতাশ এক মুসলিম নারী

ক্ষতিগ্রস্ত এক নারী বলেন, ‘আমাদের পরিবারের ৮ জনকে হত্যা করা হয়েছিল, তাদের কেটে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আমাদের চোখের সামনে যাদের এসব করতে দেখেছি আজ তাদের নির্দোষ বলা হচ্ছে! কীভাবে তারা নিরপরাধ হতে পারে? আদালতে আমরা সাক্ষী দিয়েছি, বিচারকের সামনে আমরা বলেছিলাম, আমাদের চোখের সামনে ওরা এসব কাজ করেছিল, ওদেরকে আমরা চিনি। এরা এভাবে হত্যা করেছে, কেটেছে, তরুণীদের ধর্ষণ করেছিল। ওদেরকে আজ নিরপরাধ বলা হচ্ছে! কোনো সুবিচার পেলাম না আমরা।’

একনজরে গুজরাট হত্যাকাণ্ড:

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০২: অযোধ্যার দুই হাজারেরও বেশি করসেবক সাবরমতী এক্সপ্রেসে আমদাবাদ রওনা হয়।

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০২: গোধরায় ৪ ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছায় ট্রেন। করসেবক ভর্তি কামরায় আগুন লাগিয়ে দেয় এক দল লোক।

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০০২: ভিএইচপি এই ঘটনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করে। হরতাল ডাকে। হরতালের দিন বিক্ষোভকারীরা নরোদা পটিয়া এলাকায় হামলা চালায়। তাদের হামলায় ৯৭ জন নিহত হন।

২০০৯ সাল: মামলা শুরু হয়। ৬২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। ৩২ জন দোষী সাব্যস্ত হয়। ১১ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। বাকি ২৯ অভিযুক্ত বেকসুর খালাস পায়। মামলা চলার সময়েই এক অভিযুক্তের মৃত্যু হয়।

২০১২ সাল: বিশেষ আদালত বিজেপি নেতা এবং গুজরাতের তৎকালীন নরেন্দ্র মোদির সরকারের মন্ত্রী মায়া কোদনানি ও বাবু বজরঙ্গিকে দোষী সাব্যস্ত করে। মায়ার ২৮ বছর ও বজরঙ্গির আমৃত্যু কারাদণ্ড হয়।

২০১৭ সাল: দোষীরা গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। গত অগস্টে শুনানি শেষে রায় স্থগিত রাখা হয়।

২০ এপ্রিল, ২০১৮ সাল: মায়া কোদনানিসহ ১৯ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে। বাবু বজরঙ্গিসহ মোট ১৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে হাইকোর্ট।

গণহত্যায় হতাহতদের পরিবারের আইনজীবী সমসের পাঠান বলেন, ‘আমরা হতাশ। বিশেষ তদন্তকারী দল ঠিকমতো তদন্ত করেনি। রায় খতিয়ে দেখে আমরা সুপ্রিমকোর্টে যাব।’