ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আমিনের ৬৮৯ ভরি স্বর্ণ চুরিতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দোকানের স্বর্ণের নিরাপত্তার জন্য যাকে নিয়োগ করা হয়েছিল তিনিই জড়িত চুরিতে। এক দুই ভরি নয়, আমিন জুয়েলার্স থেকে ৬৮৯ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা চুরির পর তা উদ্ধারও করেছে পুলিশ। আর ধরা পড়েছেন নিরাপত্তা প্রধান আবদুস সোবহান, যাকে মূল পরিকল্পনাকারী বলা হচ্ছে।

শনিবার রাতে ঢাকার গুলশান-২ এর ডিসিসি মার্কেটের বিক্রয় কেন্দ্র থেকে চুরি যায় এই স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা। সোবহান এবং সাদ্দাম নামে তার এক সহযোগী এই চুরিতে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আর চুরি যাওয়া টাকা ও স্বর্ণ উদ্ধার হয়েছে সাদ্দামের চাঁদপুরের এবং সোবহানের গোপালগঞ্জের বাড়ি থেকে।

বুধবার দুপুরে গুলশান থানায় সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান অঞ্চলের উপকমিশনার মুসতাক আহমেদ এই চুরির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আমিন জুয়েলার্সের নিরাপত্তাপ্রধান সোবহান এবং তার এক সহযোগী সাদ্দাম মিলে বহু আগে থেকেই চুরির পরিকল্পনা করেন।

শনিবার রাতে কর্মচারীরা বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ করে চলে যাওয়ার পর ছাদ কাটেন সোবহান ও সাদ্দাম। পরে ভেতরে ঢুকে স্বর্ণ ও টাকা চুরি করেন সোবহান। সাদ্দামের শারীরিক গঠন মোটা হওয়ায় তিনি ছাদের কাটা দিয়ে ভেতরে যেতে পারেনি।

রবিবার বন্ধ ছিল বিক্রয় কেন্দ্রটি। সোমবার সকালে কর্মীরা দোকানে এসে চুরির বিষয়টি বুঝতে পারেন। এরপর পরে তারা গুলশান থানাকে জানালে পুলিশের অভিযানে নামে।

পুলিশ জানায়, প্রথম থেকেই নিরাপত্তা প্রধান সোবহানকে ঘিরেই সন্দেহ ছিল তাদের। তবে জিঞ্জাসাবাদে তিনি তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। পরে তার শরীরে কিছু ছিলে যাওয়ার দাগ দেখিয়ে এর কারণ জানতে চাইলে তার কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। এক পর্যায়ে সোবহান ছাদ কেটে চুরির কথা স্বীকার করে নেন।

পরে সোবহানের দেয়া তথ্যে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বড়ালী গ্রামে সাদ্দামের বাড়ি থেকে ২১১ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১১ লাখ ২৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। সাদ্দামকে না পেয়ে তার মা জানু বেগম ও বাবা আমানুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর গোপালগঞ্জে সোবহানের বাড়ি থেকে বাকি স্বর্ণ ও টাকা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার রাতেই ওই সব স্বর্ণ ও টাকা ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

যে ডিসিসি মার্কেটে আমিন জুয়েলার্সের বিক্রয় কেন্দ্রটি অবস্থিত ওই মার্কেটে এখন চলছে সংস্কার কাজ। সাদ্দাম এই কাজের সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আমিনের ৬৮৯ ভরি স্বর্ণ চুরিতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মী

আপডেট সময় ১২:০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দোকানের স্বর্ণের নিরাপত্তার জন্য যাকে নিয়োগ করা হয়েছিল তিনিই জড়িত চুরিতে। এক দুই ভরি নয়, আমিন জুয়েলার্স থেকে ৬৮৯ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা চুরির পর তা উদ্ধারও করেছে পুলিশ। আর ধরা পড়েছেন নিরাপত্তা প্রধান আবদুস সোবহান, যাকে মূল পরিকল্পনাকারী বলা হচ্ছে।

শনিবার রাতে ঢাকার গুলশান-২ এর ডিসিসি মার্কেটের বিক্রয় কেন্দ্র থেকে চুরি যায় এই স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা। সোবহান এবং সাদ্দাম নামে তার এক সহযোগী এই চুরিতে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আর চুরি যাওয়া টাকা ও স্বর্ণ উদ্ধার হয়েছে সাদ্দামের চাঁদপুরের এবং সোবহানের গোপালগঞ্জের বাড়ি থেকে।

বুধবার দুপুরে গুলশান থানায় সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান অঞ্চলের উপকমিশনার মুসতাক আহমেদ এই চুরির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আমিন জুয়েলার্সের নিরাপত্তাপ্রধান সোবহান এবং তার এক সহযোগী সাদ্দাম মিলে বহু আগে থেকেই চুরির পরিকল্পনা করেন।

শনিবার রাতে কর্মচারীরা বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ করে চলে যাওয়ার পর ছাদ কাটেন সোবহান ও সাদ্দাম। পরে ভেতরে ঢুকে স্বর্ণ ও টাকা চুরি করেন সোবহান। সাদ্দামের শারীরিক গঠন মোটা হওয়ায় তিনি ছাদের কাটা দিয়ে ভেতরে যেতে পারেনি।

রবিবার বন্ধ ছিল বিক্রয় কেন্দ্রটি। সোমবার সকালে কর্মীরা দোকানে এসে চুরির বিষয়টি বুঝতে পারেন। এরপর পরে তারা গুলশান থানাকে জানালে পুলিশের অভিযানে নামে।

পুলিশ জানায়, প্রথম থেকেই নিরাপত্তা প্রধান সোবহানকে ঘিরেই সন্দেহ ছিল তাদের। তবে জিঞ্জাসাবাদে তিনি তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। পরে তার শরীরে কিছু ছিলে যাওয়ার দাগ দেখিয়ে এর কারণ জানতে চাইলে তার কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। এক পর্যায়ে সোবহান ছাদ কেটে চুরির কথা স্বীকার করে নেন।

পরে সোবহানের দেয়া তথ্যে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বড়ালী গ্রামে সাদ্দামের বাড়ি থেকে ২১১ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১১ লাখ ২৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। সাদ্দামকে না পেয়ে তার মা জানু বেগম ও বাবা আমানুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর গোপালগঞ্জে সোবহানের বাড়ি থেকে বাকি স্বর্ণ ও টাকা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার রাতেই ওই সব স্বর্ণ ও টাকা ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

যে ডিসিসি মার্কেটে আমিন জুয়েলার্সের বিক্রয় কেন্দ্রটি অবস্থিত ওই মার্কেটে এখন চলছে সংস্কার কাজ। সাদ্দাম এই কাজের সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।