ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সিরিয়ায় রাসায়নিকের নামে ক্যান্সার গবেষণাগার ধ্বংস করেছে যুক্তরাষ্ট্র

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সিরিয়ায় রাসায়নিক স্থাপনা ধ্বংসের নামে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্স একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ক্যান্সারের ওষুধ তৈরি করা হতো। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন বলেছে, শনিবার হামলা শুরুর প্রথম দিকেই দামেস্কের বারজাহ এলাকায় একটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রসহ তিনটি রাসায়নিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে।

কিন্তু তারা যেসব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে তার মধ্যে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা ইনস্টিটিউট রয়েছে যা ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ তৈরি করত। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে সিরিয়ায় ক্যান্সার ও জটিল কিছু রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ওষুধের মারাত্মক অভাব দেখা দিয়েছে।

বারজাহ এলাকার ওই প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল “দি ইনস্টিটিউশন ফর দ্যা ডেভলপমেন্ট অব ফারমাসিউটিক্যাল অ্যান্ড কেমিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ”। ইনস্টিউটের প্রধান সাঈদ বলেন, এটা এক সময় রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করত কিন্তু এখন সেটা ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছিল।

তিনি বলেন, “সিরিয়া সঙ্কট শুরুর পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে দেশে সবধরনের ওষুধের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিদেশি কোম্পানিগুলো সিরিয়ার কাছে উঁচু ক্ষমতাসম্পন্ন ওষুধ বিশেষ করে ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে।ফলে আমরা ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ তৈরির জন্য এই প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করে আসছিলাম এবং আমরা তিনটি ওষুধ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি।”

সাঈদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুসারে যদি এই প্রতিষ্ঠানে রাসায়নিক অস্ত্র থাকতো তাহলে হামলার পর তিনি এই প্রতিষ্ঠানে থাকতেন না।

সাঈদ জানান, হামলার পর তিনি ভোর ৫টায় গবেষণাকেন্দ্র এসেছেন। কিন্তু যদি রাসায়নিক অস্ত্র থাকতো তাহলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তিনি ও তার সহকর্মীরা সেখানে যেতেন না এবং অবশ্য মুখোশ পরার প্রয়োজন হতো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সিরিয়ায় রাসায়নিকের নামে ক্যান্সার গবেষণাগার ধ্বংস করেছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ১১:০২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সিরিয়ায় রাসায়নিক স্থাপনা ধ্বংসের নামে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্স একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ক্যান্সারের ওষুধ তৈরি করা হতো। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন বলেছে, শনিবার হামলা শুরুর প্রথম দিকেই দামেস্কের বারজাহ এলাকায় একটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রসহ তিনটি রাসায়নিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে।

কিন্তু তারা যেসব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে তার মধ্যে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা ইনস্টিটিউট রয়েছে যা ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ তৈরি করত। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে সিরিয়ায় ক্যান্সার ও জটিল কিছু রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ওষুধের মারাত্মক অভাব দেখা দিয়েছে।

বারজাহ এলাকার ওই প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল “দি ইনস্টিটিউশন ফর দ্যা ডেভলপমেন্ট অব ফারমাসিউটিক্যাল অ্যান্ড কেমিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ”। ইনস্টিউটের প্রধান সাঈদ বলেন, এটা এক সময় রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করত কিন্তু এখন সেটা ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছিল।

তিনি বলেন, “সিরিয়া সঙ্কট শুরুর পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে দেশে সবধরনের ওষুধের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিদেশি কোম্পানিগুলো সিরিয়ার কাছে উঁচু ক্ষমতাসম্পন্ন ওষুধ বিশেষ করে ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে।ফলে আমরা ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ তৈরির জন্য এই প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করে আসছিলাম এবং আমরা তিনটি ওষুধ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি।”

সাঈদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুসারে যদি এই প্রতিষ্ঠানে রাসায়নিক অস্ত্র থাকতো তাহলে হামলার পর তিনি এই প্রতিষ্ঠানে থাকতেন না।

সাঈদ জানান, হামলার পর তিনি ভোর ৫টায় গবেষণাকেন্দ্র এসেছেন। কিন্তু যদি রাসায়নিক অস্ত্র থাকতো তাহলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তিনি ও তার সহকর্মীরা সেখানে যেতেন না এবং অবশ্য মুখোশ পরার প্রয়োজন হতো।