ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যে কারণে মিন্টকে প্রেসিডেন্ট বানালেন সু চি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন উইন মিন্ট। দেশটির কার্যত সরকারপ্রধান অং সাং সু চির দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ এ রাজনীতিবিদকে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করেছে দেশটির পার্লামেন্ট।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে মিন্টের সবচেয়ে বড় যোগ্যতা হচ্ছে সু চির প্রতি তার আনুগত্য এবং আস্থাভাজন হওয়া। ৬৬ বছর বয়সী মিন্ট সুচির বিশ্বস্ত সহযোগীদের একজন।

ইয়াঙ্গুন বিশ্বিবদ্যালয় থেকে পাস করে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে পেশা গড়তে উদ্যোগী হন। ২০১২ সাল থেকে তিনি নিম্নকক্ষের স্পিকার ছিলেন। গত সপ্তাহে মিন্ট ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং তাকে ভাইস-প্রেসিডেন্ট করা হয়।

তাকেই যে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নেয়া হতে পারে আগে থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল এবং ভাইস প্রেসেডন্ট হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এই ধারণা আরও প্রবল হয়ে ওঠে।

১৯৮৮ সালে স্বৈরশাসক জেনারেল নে উইনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে জড়িত ছিলেন এবং সামরিক জান্তার হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন মিন্ট।

গত সপ্তাহে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট পদ থকে ইস্তফা দেন ৭১ বছর বয়সী টিন চ। সেসময় রাষ্ট্রপতির ফেসবুক পাতায় বলা হয়, তিনি বিশ্রাম নিতে চান। পার্লামেন্টে সামনে তখন সাত দিনের মধ্যে ভাইস-প্রেসিডেন্টদের মধ্য থেকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্য-বাধকতা তৈরি হয়।

প্রেসিডেন্ট পদে তিনি ছাড়া সম্ভাব্য আর যে দুজন ভাইস-প্রেসিডেন্ট ছিলেন তাদের একজন সাবেক জেনারেল মিন্ট সোয়ে, যিনি টিন চ পদত্যাগ করার পর ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

যদিও দেশটিতে প্রেসিডেন্টের পদটি আলঙ্কারিক মাত্র, কেননা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী সু চি। কারণ স্টেট কাউন্সিলর হিসেবে অং সাং সু চি নিজেই সরকার নিয়ন্ত্রণ করছেন। ফলে মিয়ানমারে প্রেসিডেন্ট হিসেবে মিন্টের ভূমিকা হবে মূলত কাগজে-কলমে।

তবে আনুষ্ঠানিকভাবে উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নেয়ার ক্ষেত্রে অং সান সু চি’র ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

দেশটির সংবিধানে এমন একটি ধারা রয়েছে যেখানে বলা হয়েছে বার্মিজ কারো সন্তান যদি অন্য দেশের নাগরিক হন তাহলে তিনি এমন দায়িত্ব নিতে পারবেন না।

সু চির সন্তানরা ব্রিটিশ নাগরিক হওয়ার কারণে সংবিধান অনুসারে বার্মার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না তিনি। সূত্র: বিবিসি

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যে কারণে মিন্টকে প্রেসিডেন্ট বানালেন সু চি

আপডেট সময় ০২:৩১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন উইন মিন্ট। দেশটির কার্যত সরকারপ্রধান অং সাং সু চির দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ এ রাজনীতিবিদকে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করেছে দেশটির পার্লামেন্ট।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে মিন্টের সবচেয়ে বড় যোগ্যতা হচ্ছে সু চির প্রতি তার আনুগত্য এবং আস্থাভাজন হওয়া। ৬৬ বছর বয়সী মিন্ট সুচির বিশ্বস্ত সহযোগীদের একজন।

ইয়াঙ্গুন বিশ্বিবদ্যালয় থেকে পাস করে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে পেশা গড়তে উদ্যোগী হন। ২০১২ সাল থেকে তিনি নিম্নকক্ষের স্পিকার ছিলেন। গত সপ্তাহে মিন্ট ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং তাকে ভাইস-প্রেসিডেন্ট করা হয়।

তাকেই যে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নেয়া হতে পারে আগে থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল এবং ভাইস প্রেসেডন্ট হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এই ধারণা আরও প্রবল হয়ে ওঠে।

১৯৮৮ সালে স্বৈরশাসক জেনারেল নে উইনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে জড়িত ছিলেন এবং সামরিক জান্তার হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন মিন্ট।

গত সপ্তাহে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট পদ থকে ইস্তফা দেন ৭১ বছর বয়সী টিন চ। সেসময় রাষ্ট্রপতির ফেসবুক পাতায় বলা হয়, তিনি বিশ্রাম নিতে চান। পার্লামেন্টে সামনে তখন সাত দিনের মধ্যে ভাইস-প্রেসিডেন্টদের মধ্য থেকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্য-বাধকতা তৈরি হয়।

প্রেসিডেন্ট পদে তিনি ছাড়া সম্ভাব্য আর যে দুজন ভাইস-প্রেসিডেন্ট ছিলেন তাদের একজন সাবেক জেনারেল মিন্ট সোয়ে, যিনি টিন চ পদত্যাগ করার পর ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

যদিও দেশটিতে প্রেসিডেন্টের পদটি আলঙ্কারিক মাত্র, কেননা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী সু চি। কারণ স্টেট কাউন্সিলর হিসেবে অং সাং সু চি নিজেই সরকার নিয়ন্ত্রণ করছেন। ফলে মিয়ানমারে প্রেসিডেন্ট হিসেবে মিন্টের ভূমিকা হবে মূলত কাগজে-কলমে।

তবে আনুষ্ঠানিকভাবে উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নেয়ার ক্ষেত্রে অং সান সু চি’র ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

দেশটির সংবিধানে এমন একটি ধারা রয়েছে যেখানে বলা হয়েছে বার্মিজ কারো সন্তান যদি অন্য দেশের নাগরিক হন তাহলে তিনি এমন দায়িত্ব নিতে পারবেন না।

সু চির সন্তানরা ব্রিটিশ নাগরিক হওয়ার কারণে সংবিধান অনুসারে বার্মার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না তিনি। সূত্র: বিবিসি