ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মুক্তি পাচ্ছে প্রয়াত মিজুর শেষ ছবি

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান অভিনেতা প্রয়াত মিজু আহমেদ। আশির দশকের পর থেকে এ পর্যন্ত যতজন খল অভিনেতা বাংলাদেশের ছবিতে তাদের স্থায়ী আসন পাকাপোক্ত করেছিলেন, মিজু আহমেদ তাদেরই একজন। গত বছরের ২৭ মার্চ, ঢাকা থেকে ট্রেনে করে দিনাজপুর যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। ‘মানুষ কেন অমানুষ’ ছবির শুটিং করতে দিনাজপুর যাচ্ছিলেন অভিনেতা।

‘মানুষ কেন অমানুষ’ ছবিটির কাজ শেষ করতে পারেননি মিজু আহমেদ। তার আগে শেষ করেছিলেন ‘পাষাণ’ ছবির কাজ। ফলে এটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ ছবি। শুক্রবার দেশের শতাধিক হলে মুক্তি পাচ্ছে মিজু আহমেদ অভিনীত সেই ‘পাষাণ’ ছবিটি। গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন ছবিটির পরিচালক সৈকত নাসির। ছবিতে খলচরিত্রে অভিনয় করেছেন মিজু আহমেদ।

পরিচালনার পাশাপাশি ‘পাষাণ’ এর গল্প ও চিত্রনাট্যও লিখেছেন সৈকত নাসির। প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। এই ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশি নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ও কলকাতার নায়ক ওম। আরও আছেন মিজু আহমেদ, সাদেক বাচ্চু, ইলোরা গহর, আমির সিরাজী, নাদের আলী, তানভির তনু, চিকন আলী, সীমান্ত ও শিমুল খান প্রমুখ। ছবির একটি আইটেম গানে নেচেছেন বিপাশা কবির।

এদিকে ছবি মুক্তিকে সামনে রেখে প্রয়াত অভিনেতা মিজু আহমেদকে স্মরণ করেছেন পরিচালক সৈকত নাসির। তিনি বলেন, ‘ছবির অভিনয়শিল্পী ও দেশের শক্তিমান অভিনেতা মিজু আহমেদ স্যারকে স্মরণ করছি। একজন ভালো অভিনেতা একটি চলচ্চিত্রকে আরো বেশি শক্তিশালী করে তুলতে পারেন। আমাদের এই ছবি দেখার পর সকলের এমন উপলব্ধিই হবে। মিজু স্যার সত্যিই একজন শক্তিমান অভিনেতা ছিলেন। কিন্তু খারাপ লাগছে যে, ছবি মুক্তির সময়ে তিনি আমাদের মাঝে নেই।’

প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে ‘তুষ্ণা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মিজু আহমেদের। ৪৮ বছরের ক্যারিয়ারে প্রায় ৯০টি ছবিতে তিনি সুনামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। সাধারণত খলচরিত্রেই দেখা যেত তাকে।

সেরা খল-অভিনেতা হিসেবে ক্যারিয়ারে দুই বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন মিজু আহমেদ। জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবেও। এছাড়া প্রযোজক হিসেবেও বেশ পরিচিতি ছিল প্রয়াত এ খল-অভিনেতার। এখন অপেক্ষা শুধু তার জীবনের শেষ ছবিটি পর্দায় দেখার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মুক্তি পাচ্ছে প্রয়াত মিজুর শেষ ছবি

আপডেট সময় ০৯:১২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান অভিনেতা প্রয়াত মিজু আহমেদ। আশির দশকের পর থেকে এ পর্যন্ত যতজন খল অভিনেতা বাংলাদেশের ছবিতে তাদের স্থায়ী আসন পাকাপোক্ত করেছিলেন, মিজু আহমেদ তাদেরই একজন। গত বছরের ২৭ মার্চ, ঢাকা থেকে ট্রেনে করে দিনাজপুর যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। ‘মানুষ কেন অমানুষ’ ছবির শুটিং করতে দিনাজপুর যাচ্ছিলেন অভিনেতা।

‘মানুষ কেন অমানুষ’ ছবিটির কাজ শেষ করতে পারেননি মিজু আহমেদ। তার আগে শেষ করেছিলেন ‘পাষাণ’ ছবির কাজ। ফলে এটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ ছবি। শুক্রবার দেশের শতাধিক হলে মুক্তি পাচ্ছে মিজু আহমেদ অভিনীত সেই ‘পাষাণ’ ছবিটি। গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন ছবিটির পরিচালক সৈকত নাসির। ছবিতে খলচরিত্রে অভিনয় করেছেন মিজু আহমেদ।

পরিচালনার পাশাপাশি ‘পাষাণ’ এর গল্প ও চিত্রনাট্যও লিখেছেন সৈকত নাসির। প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। এই ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশি নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ও কলকাতার নায়ক ওম। আরও আছেন মিজু আহমেদ, সাদেক বাচ্চু, ইলোরা গহর, আমির সিরাজী, নাদের আলী, তানভির তনু, চিকন আলী, সীমান্ত ও শিমুল খান প্রমুখ। ছবির একটি আইটেম গানে নেচেছেন বিপাশা কবির।

এদিকে ছবি মুক্তিকে সামনে রেখে প্রয়াত অভিনেতা মিজু আহমেদকে স্মরণ করেছেন পরিচালক সৈকত নাসির। তিনি বলেন, ‘ছবির অভিনয়শিল্পী ও দেশের শক্তিমান অভিনেতা মিজু আহমেদ স্যারকে স্মরণ করছি। একজন ভালো অভিনেতা একটি চলচ্চিত্রকে আরো বেশি শক্তিশালী করে তুলতে পারেন। আমাদের এই ছবি দেখার পর সকলের এমন উপলব্ধিই হবে। মিজু স্যার সত্যিই একজন শক্তিমান অভিনেতা ছিলেন। কিন্তু খারাপ লাগছে যে, ছবি মুক্তির সময়ে তিনি আমাদের মাঝে নেই।’

প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে ‘তুষ্ণা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মিজু আহমেদের। ৪৮ বছরের ক্যারিয়ারে প্রায় ৯০টি ছবিতে তিনি সুনামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। সাধারণত খলচরিত্রেই দেখা যেত তাকে।

সেরা খল-অভিনেতা হিসেবে ক্যারিয়ারে দুই বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন মিজু আহমেদ। জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবেও। এছাড়া প্রযোজক হিসেবেও বেশ পরিচিতি ছিল প্রয়াত এ খল-অভিনেতার। এখন অপেক্ষা শুধু তার জীবনের শেষ ছবিটি পর্দায় দেখার।