ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মুক্তি পাচ্ছে প্রয়াত মিজুর শেষ ছবি

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান অভিনেতা প্রয়াত মিজু আহমেদ। আশির দশকের পর থেকে এ পর্যন্ত যতজন খল অভিনেতা বাংলাদেশের ছবিতে তাদের স্থায়ী আসন পাকাপোক্ত করেছিলেন, মিজু আহমেদ তাদেরই একজন। গত বছরের ২৭ মার্চ, ঢাকা থেকে ট্রেনে করে দিনাজপুর যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। ‘মানুষ কেন অমানুষ’ ছবির শুটিং করতে দিনাজপুর যাচ্ছিলেন অভিনেতা।

‘মানুষ কেন অমানুষ’ ছবিটির কাজ শেষ করতে পারেননি মিজু আহমেদ। তার আগে শেষ করেছিলেন ‘পাষাণ’ ছবির কাজ। ফলে এটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ ছবি। শুক্রবার দেশের শতাধিক হলে মুক্তি পাচ্ছে মিজু আহমেদ অভিনীত সেই ‘পাষাণ’ ছবিটি। গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন ছবিটির পরিচালক সৈকত নাসির। ছবিতে খলচরিত্রে অভিনয় করেছেন মিজু আহমেদ।

পরিচালনার পাশাপাশি ‘পাষাণ’ এর গল্প ও চিত্রনাট্যও লিখেছেন সৈকত নাসির। প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। এই ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশি নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ও কলকাতার নায়ক ওম। আরও আছেন মিজু আহমেদ, সাদেক বাচ্চু, ইলোরা গহর, আমির সিরাজী, নাদের আলী, তানভির তনু, চিকন আলী, সীমান্ত ও শিমুল খান প্রমুখ। ছবির একটি আইটেম গানে নেচেছেন বিপাশা কবির।

এদিকে ছবি মুক্তিকে সামনে রেখে প্রয়াত অভিনেতা মিজু আহমেদকে স্মরণ করেছেন পরিচালক সৈকত নাসির। তিনি বলেন, ‘ছবির অভিনয়শিল্পী ও দেশের শক্তিমান অভিনেতা মিজু আহমেদ স্যারকে স্মরণ করছি। একজন ভালো অভিনেতা একটি চলচ্চিত্রকে আরো বেশি শক্তিশালী করে তুলতে পারেন। আমাদের এই ছবি দেখার পর সকলের এমন উপলব্ধিই হবে। মিজু স্যার সত্যিই একজন শক্তিমান অভিনেতা ছিলেন। কিন্তু খারাপ লাগছে যে, ছবি মুক্তির সময়ে তিনি আমাদের মাঝে নেই।’

প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে ‘তুষ্ণা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মিজু আহমেদের। ৪৮ বছরের ক্যারিয়ারে প্রায় ৯০টি ছবিতে তিনি সুনামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। সাধারণত খলচরিত্রেই দেখা যেত তাকে।

সেরা খল-অভিনেতা হিসেবে ক্যারিয়ারে দুই বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন মিজু আহমেদ। জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবেও। এছাড়া প্রযোজক হিসেবেও বেশ পরিচিতি ছিল প্রয়াত এ খল-অভিনেতার। এখন অপেক্ষা শুধু তার জীবনের শেষ ছবিটি পর্দায় দেখার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মুক্তি পাচ্ছে প্রয়াত মিজুর শেষ ছবি

আপডেট সময় ০৯:১২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান অভিনেতা প্রয়াত মিজু আহমেদ। আশির দশকের পর থেকে এ পর্যন্ত যতজন খল অভিনেতা বাংলাদেশের ছবিতে তাদের স্থায়ী আসন পাকাপোক্ত করেছিলেন, মিজু আহমেদ তাদেরই একজন। গত বছরের ২৭ মার্চ, ঢাকা থেকে ট্রেনে করে দিনাজপুর যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। ‘মানুষ কেন অমানুষ’ ছবির শুটিং করতে দিনাজপুর যাচ্ছিলেন অভিনেতা।

‘মানুষ কেন অমানুষ’ ছবিটির কাজ শেষ করতে পারেননি মিজু আহমেদ। তার আগে শেষ করেছিলেন ‘পাষাণ’ ছবির কাজ। ফলে এটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ ছবি। শুক্রবার দেশের শতাধিক হলে মুক্তি পাচ্ছে মিজু আহমেদ অভিনীত সেই ‘পাষাণ’ ছবিটি। গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন ছবিটির পরিচালক সৈকত নাসির। ছবিতে খলচরিত্রে অভিনয় করেছেন মিজু আহমেদ।

পরিচালনার পাশাপাশি ‘পাষাণ’ এর গল্প ও চিত্রনাট্যও লিখেছেন সৈকত নাসির। প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। এই ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশি নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ও কলকাতার নায়ক ওম। আরও আছেন মিজু আহমেদ, সাদেক বাচ্চু, ইলোরা গহর, আমির সিরাজী, নাদের আলী, তানভির তনু, চিকন আলী, সীমান্ত ও শিমুল খান প্রমুখ। ছবির একটি আইটেম গানে নেচেছেন বিপাশা কবির।

এদিকে ছবি মুক্তিকে সামনে রেখে প্রয়াত অভিনেতা মিজু আহমেদকে স্মরণ করেছেন পরিচালক সৈকত নাসির। তিনি বলেন, ‘ছবির অভিনয়শিল্পী ও দেশের শক্তিমান অভিনেতা মিজু আহমেদ স্যারকে স্মরণ করছি। একজন ভালো অভিনেতা একটি চলচ্চিত্রকে আরো বেশি শক্তিশালী করে তুলতে পারেন। আমাদের এই ছবি দেখার পর সকলের এমন উপলব্ধিই হবে। মিজু স্যার সত্যিই একজন শক্তিমান অভিনেতা ছিলেন। কিন্তু খারাপ লাগছে যে, ছবি মুক্তির সময়ে তিনি আমাদের মাঝে নেই।’

প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে ‘তুষ্ণা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মিজু আহমেদের। ৪৮ বছরের ক্যারিয়ারে প্রায় ৯০টি ছবিতে তিনি সুনামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। সাধারণত খলচরিত্রেই দেখা যেত তাকে।

সেরা খল-অভিনেতা হিসেবে ক্যারিয়ারে দুই বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন মিজু আহমেদ। জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবেও। এছাড়া প্রযোজক হিসেবেও বেশ পরিচিতি ছিল প্রয়াত এ খল-অভিনেতার। এখন অপেক্ষা শুধু তার জীবনের শেষ ছবিটি পর্দায় দেখার।