ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থীরা ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা অন্যায় : ফজলুর রহমান ভারতীয় ভিসা-সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুতই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে: সংসদে ফজলুর রহমান কোদাল দিয়ে কুপিয়েই দাদি-ফুফুসহ ৩ জনকে হত্যা করে আকাশ থানায় মামলা করতে গিয়ে হয়রানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জ্বালানি লোডিং শুরু, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর রাজধানীতে বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

মুক্তি পাচ্ছে প্রয়াত মিজুর শেষ ছবি

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান অভিনেতা প্রয়াত মিজু আহমেদ। আশির দশকের পর থেকে এ পর্যন্ত যতজন খল অভিনেতা বাংলাদেশের ছবিতে তাদের স্থায়ী আসন পাকাপোক্ত করেছিলেন, মিজু আহমেদ তাদেরই একজন। গত বছরের ২৭ মার্চ, ঢাকা থেকে ট্রেনে করে দিনাজপুর যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। ‘মানুষ কেন অমানুষ’ ছবির শুটিং করতে দিনাজপুর যাচ্ছিলেন অভিনেতা।

‘মানুষ কেন অমানুষ’ ছবিটির কাজ শেষ করতে পারেননি মিজু আহমেদ। তার আগে শেষ করেছিলেন ‘পাষাণ’ ছবির কাজ। ফলে এটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ ছবি। শুক্রবার দেশের শতাধিক হলে মুক্তি পাচ্ছে মিজু আহমেদ অভিনীত সেই ‘পাষাণ’ ছবিটি। গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন ছবিটির পরিচালক সৈকত নাসির। ছবিতে খলচরিত্রে অভিনয় করেছেন মিজু আহমেদ।

পরিচালনার পাশাপাশি ‘পাষাণ’ এর গল্প ও চিত্রনাট্যও লিখেছেন সৈকত নাসির। প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। এই ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশি নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ও কলকাতার নায়ক ওম। আরও আছেন মিজু আহমেদ, সাদেক বাচ্চু, ইলোরা গহর, আমির সিরাজী, নাদের আলী, তানভির তনু, চিকন আলী, সীমান্ত ও শিমুল খান প্রমুখ। ছবির একটি আইটেম গানে নেচেছেন বিপাশা কবির।

এদিকে ছবি মুক্তিকে সামনে রেখে প্রয়াত অভিনেতা মিজু আহমেদকে স্মরণ করেছেন পরিচালক সৈকত নাসির। তিনি বলেন, ‘ছবির অভিনয়শিল্পী ও দেশের শক্তিমান অভিনেতা মিজু আহমেদ স্যারকে স্মরণ করছি। একজন ভালো অভিনেতা একটি চলচ্চিত্রকে আরো বেশি শক্তিশালী করে তুলতে পারেন। আমাদের এই ছবি দেখার পর সকলের এমন উপলব্ধিই হবে। মিজু স্যার সত্যিই একজন শক্তিমান অভিনেতা ছিলেন। কিন্তু খারাপ লাগছে যে, ছবি মুক্তির সময়ে তিনি আমাদের মাঝে নেই।’

প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে ‘তুষ্ণা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মিজু আহমেদের। ৪৮ বছরের ক্যারিয়ারে প্রায় ৯০টি ছবিতে তিনি সুনামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। সাধারণত খলচরিত্রেই দেখা যেত তাকে।

সেরা খল-অভিনেতা হিসেবে ক্যারিয়ারে দুই বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন মিজু আহমেদ। জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবেও। এছাড়া প্রযোজক হিসেবেও বেশ পরিচিতি ছিল প্রয়াত এ খল-অভিনেতার। এখন অপেক্ষা শুধু তার জীবনের শেষ ছবিটি পর্দায় দেখার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

টাকা উত্তোলনে বোনের কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই

মুক্তি পাচ্ছে প্রয়াত মিজুর শেষ ছবি

আপডেট সময় ০৯:১২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান অভিনেতা প্রয়াত মিজু আহমেদ। আশির দশকের পর থেকে এ পর্যন্ত যতজন খল অভিনেতা বাংলাদেশের ছবিতে তাদের স্থায়ী আসন পাকাপোক্ত করেছিলেন, মিজু আহমেদ তাদেরই একজন। গত বছরের ২৭ মার্চ, ঢাকা থেকে ট্রেনে করে দিনাজপুর যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। ‘মানুষ কেন অমানুষ’ ছবির শুটিং করতে দিনাজপুর যাচ্ছিলেন অভিনেতা।

‘মানুষ কেন অমানুষ’ ছবিটির কাজ শেষ করতে পারেননি মিজু আহমেদ। তার আগে শেষ করেছিলেন ‘পাষাণ’ ছবির কাজ। ফলে এটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ ছবি। শুক্রবার দেশের শতাধিক হলে মুক্তি পাচ্ছে মিজু আহমেদ অভিনীত সেই ‘পাষাণ’ ছবিটি। গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন ছবিটির পরিচালক সৈকত নাসির। ছবিতে খলচরিত্রে অভিনয় করেছেন মিজু আহমেদ।

পরিচালনার পাশাপাশি ‘পাষাণ’ এর গল্প ও চিত্রনাট্যও লিখেছেন সৈকত নাসির। প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। এই ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশি নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ও কলকাতার নায়ক ওম। আরও আছেন মিজু আহমেদ, সাদেক বাচ্চু, ইলোরা গহর, আমির সিরাজী, নাদের আলী, তানভির তনু, চিকন আলী, সীমান্ত ও শিমুল খান প্রমুখ। ছবির একটি আইটেম গানে নেচেছেন বিপাশা কবির।

এদিকে ছবি মুক্তিকে সামনে রেখে প্রয়াত অভিনেতা মিজু আহমেদকে স্মরণ করেছেন পরিচালক সৈকত নাসির। তিনি বলেন, ‘ছবির অভিনয়শিল্পী ও দেশের শক্তিমান অভিনেতা মিজু আহমেদ স্যারকে স্মরণ করছি। একজন ভালো অভিনেতা একটি চলচ্চিত্রকে আরো বেশি শক্তিশালী করে তুলতে পারেন। আমাদের এই ছবি দেখার পর সকলের এমন উপলব্ধিই হবে। মিজু স্যার সত্যিই একজন শক্তিমান অভিনেতা ছিলেন। কিন্তু খারাপ লাগছে যে, ছবি মুক্তির সময়ে তিনি আমাদের মাঝে নেই।’

প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে ‘তুষ্ণা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মিজু আহমেদের। ৪৮ বছরের ক্যারিয়ারে প্রায় ৯০টি ছবিতে তিনি সুনামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। সাধারণত খলচরিত্রেই দেখা যেত তাকে।

সেরা খল-অভিনেতা হিসেবে ক্যারিয়ারে দুই বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন মিজু আহমেদ। জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবেও। এছাড়া প্রযোজক হিসেবেও বেশ পরিচিতি ছিল প্রয়াত এ খল-অভিনেতার। এখন অপেক্ষা শুধু তার জীবনের শেষ ছবিটি পর্দায় দেখার।