ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘বড় ছেলে’ হিসাবে যে অতুলনীয় দায়িত্ব পালন করলেন অর্জুন!

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

পুরনো এক সাক্ষাৎকারে অর্জুন কাপুর একবার বলেছিলেন ,খুশি আর জাহ্নবীর সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা ওঠা বসা কোনও দিনও হয়নি। শ্রীদেবীর স্বামী বনি কাপুরের প্রথম পক্ষের স্ত্রী মোনা শৌরির ছেলে অর্জুন কাপুর। শ্রীদেবীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুব একটা ভালো ছিল না বলেই জানে ইন্ডাস্ট্রি। কিন্তু সেই সৎ মা শ্রীদেবীর মৃত্যুতে যেভাবে বাবা বনি কাপুরের পাশে দাঁড়ালেন অর্জুন। পিতা পুত্রের আন্তরিক সম্পর্কের আরেকটি অধ্যায় দেখল বলিউড।

শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর থেকে শোকাহত বনি কাপুরকে দুবাই প্রশাসনের আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়তে হয়। শোনা যাচ্ছে, একদিকে শোক অন্যদিকে এই আইনি কাজকর্মের মধ্যে পড়ে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়ে পড়তে থাকেন বনি। আর ৩ দিন ধরে বাবার এই অবস্থার কথা শুনে আর থাকতে পারেননি অর্জুন। মঙ্গলবার সকালের ফ্লাইটে উড়ে গিয়েছিলেন দুবাই।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ দুবাই থেকে শ্রীদেবীর লাশ নিয়ে আসা হয় মুমব্ইতে। সেই সফরে আগাগোড়া বাবা বনি কাপুরের পাশে ছিলেন পরিবারের বড় ছেলে অর্জুন। সঙ্গে ছিলেন বনিকাপুরের ভাই সঞ্জয় ও আত্মীয় রিনা ও সন্দীপ মারওয়া।

অর্জুনের ছোট বোন তথা বনি কাপুরের প্রথম স্ত্রী মোনা শৌরির মেয়ে অনশুলাও মঙ্গলবার রাতে অনিল কাপুরের সঙ্গে পৌঁছন মুম্বই বিমানবন্দরে। পরিবারের খারাপ সময়ে পাশে এসে দাঁড়ান অনশুলাও।
রাতে বনির বাড়িতে অনশুলা-অর্জুন।

বিমানবন্দর থেকে আসার পর , রাতে বনি কাপুরের বাড়িতে যান অনশুলা ও অর্জুন কাপুর। মিডিয়ার ফ্ল্যাশবাল্বের ঝলকানি এড়িয়েই গ্রিন একর্সের বাড়িতে ঢুকে যায় তাঁদের গাড়ি।

আগে যদিও অর্জুন কাপুর বলেছিলেন, জাহ্নবী ও খুশির সাথে কোনও যোগায়োগ নেই তাঁর। তাঁরা কথাও বলেন না। এদিকে, সৎ মা শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর দুবাইয়ে প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে দেহ। সেই ৩ দিনই সৎ বোন জাহ্নবী ও খুশির সঙ্গে গিয়ে দেখা করে ,তাঁদের পাশে ছিলেন অর্জুন। শ্রীদেবীর মৃত্যুতে অর্জুনবার বার প্রমাণ করেছেন পরিবারের বড় ছেলে হিসাবে তাঁর দায়িত্ব। অতীতের সমস্ত তিক্ততাতে ভুলে মানবিকতার দিক থেকে এগিয়ে এসে সে নিজের পরিচয় দিয়েছেন এই অভিনেতা।

বনি কাপুরের সঙ্গে যখন তাঁর প্রথম স্ত্রী মোনা শৌরির বিচ্ছেদ হয়, তখন অর্জুনের বয়স ছিল ১১ বছর। অনশুলা আরও ছোট ছিলেন। এরপর থেকে মা মোনার সঙ্গে আলাদা বাড়িতে আলাদা জীবনযাত্রায় মানুষ হন অর্জুন ও অনশুলা কাপুর। অন্যদিকে, নতুন জীবনযাত্রা শুরু করেন শ্রীদেবী ও বনি কাপুর। ইন্টারনেট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

‘বড় ছেলে’ হিসাবে যে অতুলনীয় দায়িত্ব পালন করলেন অর্জুন!

আপডেট সময় ০৮:২৫:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

পুরনো এক সাক্ষাৎকারে অর্জুন কাপুর একবার বলেছিলেন ,খুশি আর জাহ্নবীর সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা ওঠা বসা কোনও দিনও হয়নি। শ্রীদেবীর স্বামী বনি কাপুরের প্রথম পক্ষের স্ত্রী মোনা শৌরির ছেলে অর্জুন কাপুর। শ্রীদেবীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুব একটা ভালো ছিল না বলেই জানে ইন্ডাস্ট্রি। কিন্তু সেই সৎ মা শ্রীদেবীর মৃত্যুতে যেভাবে বাবা বনি কাপুরের পাশে দাঁড়ালেন অর্জুন। পিতা পুত্রের আন্তরিক সম্পর্কের আরেকটি অধ্যায় দেখল বলিউড।

শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর থেকে শোকাহত বনি কাপুরকে দুবাই প্রশাসনের আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়তে হয়। শোনা যাচ্ছে, একদিকে শোক অন্যদিকে এই আইনি কাজকর্মের মধ্যে পড়ে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়ে পড়তে থাকেন বনি। আর ৩ দিন ধরে বাবার এই অবস্থার কথা শুনে আর থাকতে পারেননি অর্জুন। মঙ্গলবার সকালের ফ্লাইটে উড়ে গিয়েছিলেন দুবাই।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ দুবাই থেকে শ্রীদেবীর লাশ নিয়ে আসা হয় মুমব্ইতে। সেই সফরে আগাগোড়া বাবা বনি কাপুরের পাশে ছিলেন পরিবারের বড় ছেলে অর্জুন। সঙ্গে ছিলেন বনিকাপুরের ভাই সঞ্জয় ও আত্মীয় রিনা ও সন্দীপ মারওয়া।

অর্জুনের ছোট বোন তথা বনি কাপুরের প্রথম স্ত্রী মোনা শৌরির মেয়ে অনশুলাও মঙ্গলবার রাতে অনিল কাপুরের সঙ্গে পৌঁছন মুম্বই বিমানবন্দরে। পরিবারের খারাপ সময়ে পাশে এসে দাঁড়ান অনশুলাও।
রাতে বনির বাড়িতে অনশুলা-অর্জুন।

বিমানবন্দর থেকে আসার পর , রাতে বনি কাপুরের বাড়িতে যান অনশুলা ও অর্জুন কাপুর। মিডিয়ার ফ্ল্যাশবাল্বের ঝলকানি এড়িয়েই গ্রিন একর্সের বাড়িতে ঢুকে যায় তাঁদের গাড়ি।

আগে যদিও অর্জুন কাপুর বলেছিলেন, জাহ্নবী ও খুশির সাথে কোনও যোগায়োগ নেই তাঁর। তাঁরা কথাও বলেন না। এদিকে, সৎ মা শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর দুবাইয়ে প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে দেহ। সেই ৩ দিনই সৎ বোন জাহ্নবী ও খুশির সঙ্গে গিয়ে দেখা করে ,তাঁদের পাশে ছিলেন অর্জুন। শ্রীদেবীর মৃত্যুতে অর্জুনবার বার প্রমাণ করেছেন পরিবারের বড় ছেলে হিসাবে তাঁর দায়িত্ব। অতীতের সমস্ত তিক্ততাতে ভুলে মানবিকতার দিক থেকে এগিয়ে এসে সে নিজের পরিচয় দিয়েছেন এই অভিনেতা।

বনি কাপুরের সঙ্গে যখন তাঁর প্রথম স্ত্রী মোনা শৌরির বিচ্ছেদ হয়, তখন অর্জুনের বয়স ছিল ১১ বছর। অনশুলা আরও ছোট ছিলেন। এরপর থেকে মা মোনার সঙ্গে আলাদা বাড়িতে আলাদা জীবনযাত্রায় মানুষ হন অর্জুন ও অনশুলা কাপুর। অন্যদিকে, নতুন জীবনযাত্রা শুরু করেন শ্রীদেবী ও বনি কাপুর। ইন্টারনেট।