ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু:অর্থনীতির ঝুঁকি বাড়ার সতর্কতা আইএমএফের বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : পর্যটনমন্ত্রী বিএনপি ধর্ম-বর্ণের বিভেদে বিশ্বাস করে না: শামা ওবায়েদ সরকার নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর: মাহদী আমিন ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বন্যা-জলাবদ্ধতায় আ.লীগ, ইন্টেরিম ও বিএনপি সরকারের আচরণ একই: এবি পার্টি ইউক্রেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী সেরহি কোরেৎসকি জুলাই আন্দোলন নিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করলে ব্যবস্থা: ডিএমপি

‘বড় ছেলে’ হিসাবে যে অতুলনীয় দায়িত্ব পালন করলেন অর্জুন!

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

পুরনো এক সাক্ষাৎকারে অর্জুন কাপুর একবার বলেছিলেন ,খুশি আর জাহ্নবীর সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা ওঠা বসা কোনও দিনও হয়নি। শ্রীদেবীর স্বামী বনি কাপুরের প্রথম পক্ষের স্ত্রী মোনা শৌরির ছেলে অর্জুন কাপুর। শ্রীদেবীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুব একটা ভালো ছিল না বলেই জানে ইন্ডাস্ট্রি। কিন্তু সেই সৎ মা শ্রীদেবীর মৃত্যুতে যেভাবে বাবা বনি কাপুরের পাশে দাঁড়ালেন অর্জুন। পিতা পুত্রের আন্তরিক সম্পর্কের আরেকটি অধ্যায় দেখল বলিউড।

শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর থেকে শোকাহত বনি কাপুরকে দুবাই প্রশাসনের আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়তে হয়। শোনা যাচ্ছে, একদিকে শোক অন্যদিকে এই আইনি কাজকর্মের মধ্যে পড়ে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়ে পড়তে থাকেন বনি। আর ৩ দিন ধরে বাবার এই অবস্থার কথা শুনে আর থাকতে পারেননি অর্জুন। মঙ্গলবার সকালের ফ্লাইটে উড়ে গিয়েছিলেন দুবাই।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ দুবাই থেকে শ্রীদেবীর লাশ নিয়ে আসা হয় মুমব্ইতে। সেই সফরে আগাগোড়া বাবা বনি কাপুরের পাশে ছিলেন পরিবারের বড় ছেলে অর্জুন। সঙ্গে ছিলেন বনিকাপুরের ভাই সঞ্জয় ও আত্মীয় রিনা ও সন্দীপ মারওয়া।

অর্জুনের ছোট বোন তথা বনি কাপুরের প্রথম স্ত্রী মোনা শৌরির মেয়ে অনশুলাও মঙ্গলবার রাতে অনিল কাপুরের সঙ্গে পৌঁছন মুম্বই বিমানবন্দরে। পরিবারের খারাপ সময়ে পাশে এসে দাঁড়ান অনশুলাও।
রাতে বনির বাড়িতে অনশুলা-অর্জুন।

বিমানবন্দর থেকে আসার পর , রাতে বনি কাপুরের বাড়িতে যান অনশুলা ও অর্জুন কাপুর। মিডিয়ার ফ্ল্যাশবাল্বের ঝলকানি এড়িয়েই গ্রিন একর্সের বাড়িতে ঢুকে যায় তাঁদের গাড়ি।

আগে যদিও অর্জুন কাপুর বলেছিলেন, জাহ্নবী ও খুশির সাথে কোনও যোগায়োগ নেই তাঁর। তাঁরা কথাও বলেন না। এদিকে, সৎ মা শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর দুবাইয়ে প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে দেহ। সেই ৩ দিনই সৎ বোন জাহ্নবী ও খুশির সঙ্গে গিয়ে দেখা করে ,তাঁদের পাশে ছিলেন অর্জুন। শ্রীদেবীর মৃত্যুতে অর্জুনবার বার প্রমাণ করেছেন পরিবারের বড় ছেলে হিসাবে তাঁর দায়িত্ব। অতীতের সমস্ত তিক্ততাতে ভুলে মানবিকতার দিক থেকে এগিয়ে এসে সে নিজের পরিচয় দিয়েছেন এই অভিনেতা।

বনি কাপুরের সঙ্গে যখন তাঁর প্রথম স্ত্রী মোনা শৌরির বিচ্ছেদ হয়, তখন অর্জুনের বয়স ছিল ১১ বছর। অনশুলা আরও ছোট ছিলেন। এরপর থেকে মা মোনার সঙ্গে আলাদা বাড়িতে আলাদা জীবনযাত্রায় মানুষ হন অর্জুন ও অনশুলা কাপুর। অন্যদিকে, নতুন জীবনযাত্রা শুরু করেন শ্রীদেবী ও বনি কাপুর। ইন্টারনেট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

‘বড় ছেলে’ হিসাবে যে অতুলনীয় দায়িত্ব পালন করলেন অর্জুন!

আপডেট সময় ০৮:২৫:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

পুরনো এক সাক্ষাৎকারে অর্জুন কাপুর একবার বলেছিলেন ,খুশি আর জাহ্নবীর সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা ওঠা বসা কোনও দিনও হয়নি। শ্রীদেবীর স্বামী বনি কাপুরের প্রথম পক্ষের স্ত্রী মোনা শৌরির ছেলে অর্জুন কাপুর। শ্রীদেবীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুব একটা ভালো ছিল না বলেই জানে ইন্ডাস্ট্রি। কিন্তু সেই সৎ মা শ্রীদেবীর মৃত্যুতে যেভাবে বাবা বনি কাপুরের পাশে দাঁড়ালেন অর্জুন। পিতা পুত্রের আন্তরিক সম্পর্কের আরেকটি অধ্যায় দেখল বলিউড।

শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর থেকে শোকাহত বনি কাপুরকে দুবাই প্রশাসনের আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়তে হয়। শোনা যাচ্ছে, একদিকে শোক অন্যদিকে এই আইনি কাজকর্মের মধ্যে পড়ে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়ে পড়তে থাকেন বনি। আর ৩ দিন ধরে বাবার এই অবস্থার কথা শুনে আর থাকতে পারেননি অর্জুন। মঙ্গলবার সকালের ফ্লাইটে উড়ে গিয়েছিলেন দুবাই।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ দুবাই থেকে শ্রীদেবীর লাশ নিয়ে আসা হয় মুমব্ইতে। সেই সফরে আগাগোড়া বাবা বনি কাপুরের পাশে ছিলেন পরিবারের বড় ছেলে অর্জুন। সঙ্গে ছিলেন বনিকাপুরের ভাই সঞ্জয় ও আত্মীয় রিনা ও সন্দীপ মারওয়া।

অর্জুনের ছোট বোন তথা বনি কাপুরের প্রথম স্ত্রী মোনা শৌরির মেয়ে অনশুলাও মঙ্গলবার রাতে অনিল কাপুরের সঙ্গে পৌঁছন মুম্বই বিমানবন্দরে। পরিবারের খারাপ সময়ে পাশে এসে দাঁড়ান অনশুলাও।
রাতে বনির বাড়িতে অনশুলা-অর্জুন।

বিমানবন্দর থেকে আসার পর , রাতে বনি কাপুরের বাড়িতে যান অনশুলা ও অর্জুন কাপুর। মিডিয়ার ফ্ল্যাশবাল্বের ঝলকানি এড়িয়েই গ্রিন একর্সের বাড়িতে ঢুকে যায় তাঁদের গাড়ি।

আগে যদিও অর্জুন কাপুর বলেছিলেন, জাহ্নবী ও খুশির সাথে কোনও যোগায়োগ নেই তাঁর। তাঁরা কথাও বলেন না। এদিকে, সৎ মা শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর দুবাইয়ে প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে দেহ। সেই ৩ দিনই সৎ বোন জাহ্নবী ও খুশির সঙ্গে গিয়ে দেখা করে ,তাঁদের পাশে ছিলেন অর্জুন। শ্রীদেবীর মৃত্যুতে অর্জুনবার বার প্রমাণ করেছেন পরিবারের বড় ছেলে হিসাবে তাঁর দায়িত্ব। অতীতের সমস্ত তিক্ততাতে ভুলে মানবিকতার দিক থেকে এগিয়ে এসে সে নিজের পরিচয় দিয়েছেন এই অভিনেতা।

বনি কাপুরের সঙ্গে যখন তাঁর প্রথম স্ত্রী মোনা শৌরির বিচ্ছেদ হয়, তখন অর্জুনের বয়স ছিল ১১ বছর। অনশুলা আরও ছোট ছিলেন। এরপর থেকে মা মোনার সঙ্গে আলাদা বাড়িতে আলাদা জীবনযাত্রায় মানুষ হন অর্জুন ও অনশুলা কাপুর। অন্যদিকে, নতুন জীবনযাত্রা শুরু করেন শ্রীদেবী ও বনি কাপুর। ইন্টারনেট।