ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ : সাইমন ড্যানজাক শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন শাহরাস্তিতে ধর্ষণের শিকার শিশু ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত আটক সংসদে প্রবেশে মাথা ঝোঁকানোতে আপত্তি জামায়াত এমপির বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান কারাগারে খেলা শেষ হওয়ার ২ ঘণ্টার মধ্যে আমেরিকা ছাড়ার নির্দেশ ইরানকে নিখোঁজের চার দিন পর সাগরতীরে মিলল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মমতা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করলে ইরানে নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে চান শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী

পেটে গজ রেখে সেলাই, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে ফের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর রোগীর পেটে গজ ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা আলী আজম।

এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়। মামলায় নগরীর ঘোষপাড়া এলাকার ‘মা ফাতেমা’ নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিকের চিকিৎসক সুলতানা নাজনীন রিতাকে আসামি করা হয়েছে। বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ওসি জানান, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর আলী আজম তার স্ত্রী আলাপী বেগমকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের জন্য মা ফাতেমা ক্লিনিকে ভর্তি করান। ওই দিনই বিকালে ডা. সুলতানা নাজনীন রিতা সিজারিয়ানের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করান। তবে পেটের মধ্যে তিনটি গজ ব্যান্ডেজ রেখেই এ সেলাই করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদী আলী আজম বলেন, সিজিরিয়ানের পর থেকেই আলাপী বেগম প্রচণ্ড পেটের ব্যথা অনুভব করতেন। গত ২০ জানুয়ারি তাকে মা ফাতেমা ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে ফের চিকিৎসক নানজীনকে দেখানো হয়। তিনি ব্যথার ওষুধ দিয়ে বিদায় করে দেন। এরপরও তার ব্যথা ভাল না হলে গত শনিবার তাকে আরেকটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানকার চিকিৎসক তার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করান। এতে তার পেটে তিনটি গজ আছে বলে ধরা পড়ে। ওই দিন রাতেই আলাপী বেগমের পেটে অস্ত্রোপচার করে গজ বের করা হয়। এখন আলাপী নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ের মাদারল্যান্ড নামের এই ক্লিনিকেই ভর্তি আছেন। তার অবস্থা ভাল নয় বলেও জানান তার স্বামী।

এ ব্যাপারে কথা বলতে চিকিৎসক সুলতানা নাজনীন রিতার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বোয়ালিয়া থানার ওসি আমান উল্লাহ জানান, রোগীর স্বামী করা মামলা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ : সাইমন ড্যানজাক

পেটে গজ রেখে সেলাই, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ০২:২৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে ফের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর রোগীর পেটে গজ ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা আলী আজম।

এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়। মামলায় নগরীর ঘোষপাড়া এলাকার ‘মা ফাতেমা’ নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিকের চিকিৎসক সুলতানা নাজনীন রিতাকে আসামি করা হয়েছে। বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ওসি জানান, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর আলী আজম তার স্ত্রী আলাপী বেগমকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের জন্য মা ফাতেমা ক্লিনিকে ভর্তি করান। ওই দিনই বিকালে ডা. সুলতানা নাজনীন রিতা সিজারিয়ানের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করান। তবে পেটের মধ্যে তিনটি গজ ব্যান্ডেজ রেখেই এ সেলাই করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদী আলী আজম বলেন, সিজিরিয়ানের পর থেকেই আলাপী বেগম প্রচণ্ড পেটের ব্যথা অনুভব করতেন। গত ২০ জানুয়ারি তাকে মা ফাতেমা ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে ফের চিকিৎসক নানজীনকে দেখানো হয়। তিনি ব্যথার ওষুধ দিয়ে বিদায় করে দেন। এরপরও তার ব্যথা ভাল না হলে গত শনিবার তাকে আরেকটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানকার চিকিৎসক তার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করান। এতে তার পেটে তিনটি গজ আছে বলে ধরা পড়ে। ওই দিন রাতেই আলাপী বেগমের পেটে অস্ত্রোপচার করে গজ বের করা হয়। এখন আলাপী নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ের মাদারল্যান্ড নামের এই ক্লিনিকেই ভর্তি আছেন। তার অবস্থা ভাল নয় বলেও জানান তার স্বামী।

এ ব্যাপারে কথা বলতে চিকিৎসক সুলতানা নাজনীন রিতার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বোয়ালিয়া থানার ওসি আমান উল্লাহ জানান, রোগীর স্বামী করা মামলা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।