ঢাকা ০৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পেটে গজ রেখে সেলাই, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে ফের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর রোগীর পেটে গজ ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা আলী আজম।

এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়। মামলায় নগরীর ঘোষপাড়া এলাকার ‘মা ফাতেমা’ নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিকের চিকিৎসক সুলতানা নাজনীন রিতাকে আসামি করা হয়েছে। বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ওসি জানান, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর আলী আজম তার স্ত্রী আলাপী বেগমকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের জন্য মা ফাতেমা ক্লিনিকে ভর্তি করান। ওই দিনই বিকালে ডা. সুলতানা নাজনীন রিতা সিজারিয়ানের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করান। তবে পেটের মধ্যে তিনটি গজ ব্যান্ডেজ রেখেই এ সেলাই করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদী আলী আজম বলেন, সিজিরিয়ানের পর থেকেই আলাপী বেগম প্রচণ্ড পেটের ব্যথা অনুভব করতেন। গত ২০ জানুয়ারি তাকে মা ফাতেমা ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে ফের চিকিৎসক নানজীনকে দেখানো হয়। তিনি ব্যথার ওষুধ দিয়ে বিদায় করে দেন। এরপরও তার ব্যথা ভাল না হলে গত শনিবার তাকে আরেকটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানকার চিকিৎসক তার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করান। এতে তার পেটে তিনটি গজ আছে বলে ধরা পড়ে। ওই দিন রাতেই আলাপী বেগমের পেটে অস্ত্রোপচার করে গজ বের করা হয়। এখন আলাপী নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ের মাদারল্যান্ড নামের এই ক্লিনিকেই ভর্তি আছেন। তার অবস্থা ভাল নয় বলেও জানান তার স্বামী।

এ ব্যাপারে কথা বলতে চিকিৎসক সুলতানা নাজনীন রিতার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বোয়ালিয়া থানার ওসি আমান উল্লাহ জানান, রোগীর স্বামী করা মামলা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পেটে গজ রেখে সেলাই, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ০২:২৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে ফের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর রোগীর পেটে গজ ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা আলী আজম।

এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়। মামলায় নগরীর ঘোষপাড়া এলাকার ‘মা ফাতেমা’ নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিকের চিকিৎসক সুলতানা নাজনীন রিতাকে আসামি করা হয়েছে। বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ওসি জানান, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর আলী আজম তার স্ত্রী আলাপী বেগমকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের জন্য মা ফাতেমা ক্লিনিকে ভর্তি করান। ওই দিনই বিকালে ডা. সুলতানা নাজনীন রিতা সিজারিয়ানের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করান। তবে পেটের মধ্যে তিনটি গজ ব্যান্ডেজ রেখেই এ সেলাই করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদী আলী আজম বলেন, সিজিরিয়ানের পর থেকেই আলাপী বেগম প্রচণ্ড পেটের ব্যথা অনুভব করতেন। গত ২০ জানুয়ারি তাকে মা ফাতেমা ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে ফের চিকিৎসক নানজীনকে দেখানো হয়। তিনি ব্যথার ওষুধ দিয়ে বিদায় করে দেন। এরপরও তার ব্যথা ভাল না হলে গত শনিবার তাকে আরেকটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানকার চিকিৎসক তার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করান। এতে তার পেটে তিনটি গজ আছে বলে ধরা পড়ে। ওই দিন রাতেই আলাপী বেগমের পেটে অস্ত্রোপচার করে গজ বের করা হয়। এখন আলাপী নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ের মাদারল্যান্ড নামের এই ক্লিনিকেই ভর্তি আছেন। তার অবস্থা ভাল নয় বলেও জানান তার স্বামী।

এ ব্যাপারে কথা বলতে চিকিৎসক সুলতানা নাজনীন রিতার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বোয়ালিয়া থানার ওসি আমান উল্লাহ জানান, রোগীর স্বামী করা মামলা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।