ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

ভারতের কারাগার থেকে পালাল দুই বাংলাদেশি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কলকাতার আলীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার (কারাগার) থেকে পালিয়ে গেছেন দুই বাংলাদেশি। তাঁরা বিচারাধীন বন্দি ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে এক ভারতীয় নাগরিকও পালিয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আজ রোববার সকালে সংশোধনাগারে বন্দি গণনার সময় বিষয়টি ধরা পড়ে। আর তখনি তাঁদের খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। ঘটনার জেরে আলীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় সংশোধনাগারের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুই বাংলাদেশি বন্দি হলেন মোহাম্মদ ফারুক হাওলাদার এবং ফেরদৌস শেখ ওরফে রানা। এর মধ্যে ফারুক ২০১৩ সালে বেআইনি অস্ত্র পাচার ও ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। আর ফেরদৌস বেআইনি অনুপ্রবেশ ও ডাকাতির মামলায় বিচারাধীন আছেন।

এ ছাড়া পালিয়ে যাওয়া ভারতের নাগরিক ইমন চৌধুরী বন্দি ছিলেন ২০১৪ সালের একটি অপহরণ মামলায়।

জানা গেছে, গতকাল শনিবার গভীর রাতে আলীপুর সংশোধনাগারের পিছন দিকের ছয় নম্বর ওয়াচ টাওয়ার সংলগ্ন উঁচু পাঁচিল টপকে তিন বন্দি পালিয়ে যান। পাঁচিলের ওপাশের রয়েছে আদি গঙ্গা।

পুলিশ জানিয়েছে, বন্দিরা তাদের চাদরকে দড়ি হিসেবে ব্যবহার করেছেন। চাদরের একপ্রান্তে লোহার রড লাগিয়ে তা বাঁকিয়ে পাঁচিলের কাঁটা তারে বিঁধে ফেলা হয়। তারপর তাতে করে পাঁচিলের উপরে উঠে যান আসামিরা।

পাঁচিল ডিঙ্গিয়ে ওপারে থাকা পেয়ারা গাছ বেয়ে নিচে নেমে পালিয়ে যান তিনজন। পাঁচিলের পাশ থেকে চাদর ও বেঁকানো লোহার রড উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বন্দিরা দীর্ঘদিন ধরেই এই পরিকল্পনা করছিলেন। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন থানায় বন্দি পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছে। বিশেষ করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী থানাগুলোকে বন্দি পালানোর বিষয়ে কড়া নজর রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযানও।

পুলিশ আলীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের নিরাপত্তাকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে স্লিফার ডগ। সংশোধনাগারে গেছেন কলকাতার লালবাজার গুণ্ডা দমন শাখার কর্মকর্তারাও।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ভারতের কারাগার থেকে পালাল দুই বাংলাদেশি

আপডেট সময় ০১:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কলকাতার আলীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার (কারাগার) থেকে পালিয়ে গেছেন দুই বাংলাদেশি। তাঁরা বিচারাধীন বন্দি ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে এক ভারতীয় নাগরিকও পালিয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আজ রোববার সকালে সংশোধনাগারে বন্দি গণনার সময় বিষয়টি ধরা পড়ে। আর তখনি তাঁদের খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। ঘটনার জেরে আলীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় সংশোধনাগারের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুই বাংলাদেশি বন্দি হলেন মোহাম্মদ ফারুক হাওলাদার এবং ফেরদৌস শেখ ওরফে রানা। এর মধ্যে ফারুক ২০১৩ সালে বেআইনি অস্ত্র পাচার ও ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। আর ফেরদৌস বেআইনি অনুপ্রবেশ ও ডাকাতির মামলায় বিচারাধীন আছেন।

এ ছাড়া পালিয়ে যাওয়া ভারতের নাগরিক ইমন চৌধুরী বন্দি ছিলেন ২০১৪ সালের একটি অপহরণ মামলায়।

জানা গেছে, গতকাল শনিবার গভীর রাতে আলীপুর সংশোধনাগারের পিছন দিকের ছয় নম্বর ওয়াচ টাওয়ার সংলগ্ন উঁচু পাঁচিল টপকে তিন বন্দি পালিয়ে যান। পাঁচিলের ওপাশের রয়েছে আদি গঙ্গা।

পুলিশ জানিয়েছে, বন্দিরা তাদের চাদরকে দড়ি হিসেবে ব্যবহার করেছেন। চাদরের একপ্রান্তে লোহার রড লাগিয়ে তা বাঁকিয়ে পাঁচিলের কাঁটা তারে বিঁধে ফেলা হয়। তারপর তাতে করে পাঁচিলের উপরে উঠে যান আসামিরা।

পাঁচিল ডিঙ্গিয়ে ওপারে থাকা পেয়ারা গাছ বেয়ে নিচে নেমে পালিয়ে যান তিনজন। পাঁচিলের পাশ থেকে চাদর ও বেঁকানো লোহার রড উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বন্দিরা দীর্ঘদিন ধরেই এই পরিকল্পনা করছিলেন। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন থানায় বন্দি পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছে। বিশেষ করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী থানাগুলোকে বন্দি পালানোর বিষয়ে কড়া নজর রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযানও।

পুলিশ আলীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের নিরাপত্তাকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে স্লিফার ডগ। সংশোধনাগারে গেছেন কলকাতার লালবাজার গুণ্ডা দমন শাখার কর্মকর্তারাও।