ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

৪ টাকায় ৬ কেজি মূলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ৪ টাকায় মিলছে ৬ কেজি মূলা। উৎপাদন ও উত্তোলন খরচ মিলছে না কৃষকদের। বাম্পার ফলন ও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উৎপাদনের কারণেই মূল্যহ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগ।

শুক্রবার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান জানান, এ উপজেলায় মূলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০ একর। উৎপাদন হয়েছে ৪৭.৫ একর জমিতে। এবার মূলা চাষ করেছেন ৩৭৮ জন কৃষক।

গৌরীপুর ইউনিয়নের সাতুতী গ্রামের কৃষক আবুল হাসিম জানান, উত্তোলন করে কি করব, একজন শ্রমিকের মজুরি ৫০০ টাকা, ভ্যানভাড়া ৩০০, মূলা বিক্রি করে পেয়েছি মাত্র ৬০০ টাকা। বিক্রি করে উত্তোলন খরচই মিলছে না।

অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল মুনসুর জানান, ৪টি মূলা ৬-৭ কেজি ওজন, বিক্রি করতে হচ্ছে ৫-৬ টাকায়। পরিবহন খরচ মিলে না তাই ক্ষেতের মূলা ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ টাকায় ৬ কেজি মূলা

আপডেট সময় ০৯:৪২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ৪ টাকায় মিলছে ৬ কেজি মূলা। উৎপাদন ও উত্তোলন খরচ মিলছে না কৃষকদের। বাম্পার ফলন ও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উৎপাদনের কারণেই মূল্যহ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগ।

শুক্রবার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান জানান, এ উপজেলায় মূলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০ একর। উৎপাদন হয়েছে ৪৭.৫ একর জমিতে। এবার মূলা চাষ করেছেন ৩৭৮ জন কৃষক।

গৌরীপুর ইউনিয়নের সাতুতী গ্রামের কৃষক আবুল হাসিম জানান, উত্তোলন করে কি করব, একজন শ্রমিকের মজুরি ৫০০ টাকা, ভ্যানভাড়া ৩০০, মূলা বিক্রি করে পেয়েছি মাত্র ৬০০ টাকা। বিক্রি করে উত্তোলন খরচই মিলছে না।

অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল মুনসুর জানান, ৪টি মূলা ৬-৭ কেজি ওজন, বিক্রি করতে হচ্ছে ৫-৬ টাকায়। পরিবহন খরচ মিলে না তাই ক্ষেতের মূলা ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে।