ঢাকা ১০:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় চীন: মাহদী আমিন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা জুলাইযোদ্ধাদের চেয়ে বেশি করার প্রস্তাব ফজলুর রহমানের ভেনেজুয়েলার পর জাপানে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প সাভারে পাঁচ মাসের মধ্যে মাদক নির্মূল হবে: এমপি সালাউদ্দিন গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ‘সরকার ৪ মাসে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধেছে’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগের কথা ভাবলেন না কেন, সংসদে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই খেলাপি ঋণে ব্যাংক খাত সম্পূর্ণ বেহাল: সংসদে রেজা কিবরিয়া ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেব, সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ

৪ টাকায় ৬ কেজি মূলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ৪ টাকায় মিলছে ৬ কেজি মূলা। উৎপাদন ও উত্তোলন খরচ মিলছে না কৃষকদের। বাম্পার ফলন ও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উৎপাদনের কারণেই মূল্যহ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগ।

শুক্রবার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান জানান, এ উপজেলায় মূলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০ একর। উৎপাদন হয়েছে ৪৭.৫ একর জমিতে। এবার মূলা চাষ করেছেন ৩৭৮ জন কৃষক।

গৌরীপুর ইউনিয়নের সাতুতী গ্রামের কৃষক আবুল হাসিম জানান, উত্তোলন করে কি করব, একজন শ্রমিকের মজুরি ৫০০ টাকা, ভ্যানভাড়া ৩০০, মূলা বিক্রি করে পেয়েছি মাত্র ৬০০ টাকা। বিক্রি করে উত্তোলন খরচই মিলছে না।

অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল মুনসুর জানান, ৪টি মূলা ৬-৭ কেজি ওজন, বিক্রি করতে হচ্ছে ৫-৬ টাকায়। পরিবহন খরচ মিলে না তাই ক্ষেতের মূলা ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় চীন: মাহদী আমিন

৪ টাকায় ৬ কেজি মূলা

আপডেট সময় ০৯:৪২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ৪ টাকায় মিলছে ৬ কেজি মূলা। উৎপাদন ও উত্তোলন খরচ মিলছে না কৃষকদের। বাম্পার ফলন ও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উৎপাদনের কারণেই মূল্যহ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগ।

শুক্রবার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান জানান, এ উপজেলায় মূলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০ একর। উৎপাদন হয়েছে ৪৭.৫ একর জমিতে। এবার মূলা চাষ করেছেন ৩৭৮ জন কৃষক।

গৌরীপুর ইউনিয়নের সাতুতী গ্রামের কৃষক আবুল হাসিম জানান, উত্তোলন করে কি করব, একজন শ্রমিকের মজুরি ৫০০ টাকা, ভ্যানভাড়া ৩০০, মূলা বিক্রি করে পেয়েছি মাত্র ৬০০ টাকা। বিক্রি করে উত্তোলন খরচই মিলছে না।

অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল মুনসুর জানান, ৪টি মূলা ৬-৭ কেজি ওজন, বিক্রি করতে হচ্ছে ৫-৬ টাকায়। পরিবহন খরচ মিলে না তাই ক্ষেতের মূলা ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে।