ঢাকা ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কাজে প্রমাণ দিতে হবে ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম: ইরানের প্রেসিডেন্ট

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর উচিত পরস্পরের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়াই সংলাপের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যকার সমস্যার সমাধান করা। গতকাল রবিবার ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কৌশলগত চাবাহার শহরে একটি নতুন বন্দর চালু করার অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রুহানি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে কোনো সমস্যা তৈরি হলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে আমাদের বিশ্ব শক্তিগুলোর সমরাস্ত্র ও হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরাক ও সিরিয়ায় তৎপর উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) নির্মূলের মাধ্যমে সংঘাতমুক্ত মধ্যপ্রাচ্য গঠন করার পথ খুলে গেছে। সেইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যকে শিয়া ও সুন্নি মুসলমানদের মধ্যে সংঘাত এবং পশ্চিমা শক্তিগুলোর হস্তক্ষেপের অঞ্চল বলে যে ধারণা তৈরি হয়েছিল তারও অবসানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

হাসান রুহানি বলেন, ‘বলপ্রয়োগ করে কারো ধর্ম ও বিশ্বাসে পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। কেউ যদি মনে করে তার ধর্ম অন্যদের চেয়ে ভালো তাহলে তাকে কথায় নয় কাজে তার প্রমাণ দিতে হবে। আমাদেরকে কাজে প্রমাণ করতে হবে আমাদের ইসলাম ধর্ম শ্রেষ্ঠ এবং একইসঙ্গে অন্যান্য ধর্মের প্রতিও সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘প্রতিটি কাজে আমাদেরকে আঞ্চলিক ঐক্য, সংহতি ও স্বার্থের কথা বিবেচনা করতে হবে। মধ্যপন্থা অবলম্বনের কোনো বিকল্প নেই। উগ্রবাদ ও সহিংসতা বিশ্বের যে দেশে যে নামেই থাকুক না কেন তা ধ্বংস ও বিনাশ ছাড়া অন্য কোনো ফল বয়ে আনে না।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট তার দেশের চাবাহার সমুদ্রবন্দরকে একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বন্দর হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তরের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রয়েছে এবং এসব দেশ এই বন্দর ব্যবহার করতে পারবে। চাবাহার বন্দর ইরানের অর্থনীতির পাশাপাশি আঞ্চলিক দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কাজে প্রমাণ দিতে হবে ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম: ইরানের প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় ০৪:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর উচিত পরস্পরের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়াই সংলাপের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যকার সমস্যার সমাধান করা। গতকাল রবিবার ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কৌশলগত চাবাহার শহরে একটি নতুন বন্দর চালু করার অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রুহানি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে কোনো সমস্যা তৈরি হলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে আমাদের বিশ্ব শক্তিগুলোর সমরাস্ত্র ও হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরাক ও সিরিয়ায় তৎপর উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) নির্মূলের মাধ্যমে সংঘাতমুক্ত মধ্যপ্রাচ্য গঠন করার পথ খুলে গেছে। সেইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যকে শিয়া ও সুন্নি মুসলমানদের মধ্যে সংঘাত এবং পশ্চিমা শক্তিগুলোর হস্তক্ষেপের অঞ্চল বলে যে ধারণা তৈরি হয়েছিল তারও অবসানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

হাসান রুহানি বলেন, ‘বলপ্রয়োগ করে কারো ধর্ম ও বিশ্বাসে পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। কেউ যদি মনে করে তার ধর্ম অন্যদের চেয়ে ভালো তাহলে তাকে কথায় নয় কাজে তার প্রমাণ দিতে হবে। আমাদেরকে কাজে প্রমাণ করতে হবে আমাদের ইসলাম ধর্ম শ্রেষ্ঠ এবং একইসঙ্গে অন্যান্য ধর্মের প্রতিও সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘প্রতিটি কাজে আমাদেরকে আঞ্চলিক ঐক্য, সংহতি ও স্বার্থের কথা বিবেচনা করতে হবে। মধ্যপন্থা অবলম্বনের কোনো বিকল্প নেই। উগ্রবাদ ও সহিংসতা বিশ্বের যে দেশে যে নামেই থাকুক না কেন তা ধ্বংস ও বিনাশ ছাড়া অন্য কোনো ফল বয়ে আনে না।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট তার দেশের চাবাহার সমুদ্রবন্দরকে একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বন্দর হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তরের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রয়েছে এবং এসব দেশ এই বন্দর ব্যবহার করতে পারবে। চাবাহার বন্দর ইরানের অর্থনীতির পাশাপাশি আঞ্চলিক দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।