ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রীর কম্পিউটারে পর্ণো ছবি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র কার্যত উপ-প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পর্ণো ছবি রাখার অভিযোগ উঠেছে। তার সরকারি কম্পিউটারে এই ছবি পাওয়া গেছে। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সাবেক এক গোয়েন্দা এই তথ্য জানিয়েছেন। এ নিয়ে নতুন করে সংকটে পড়লেন থেরেসা মে। খবর সিএনএনের।

স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সাবেক গোয়েন্দা নেইল লুইস জানান, ২০০৮ সালে এক অভিযানে উপ-প্রধানমন্ত্রী ডেমিয়ান গ্রিনের সরকারি কম্পিউটারে কয়েক হাজার পর্ণো ছবি পাওয়া যায়।

নেইল বলেন, এত পরিমাণ পর্ণো ছবি দেখে আমি নিজেও হতবাক হয়েছিলাম। আর এটা যে গ্রিনের মাধ্যমেই কম্পিউটারে ঢুকেছিল তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এই তথ্য থেরেসা মে এবং গ্রিণকে নতুন সমালোচনার মধ্যে ফেলছে। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সমস্যার মধ্যে আছে থেরেসা মে’র সরকার। এরই মধ্যে গ্রিনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক কেইট ম্যাল্টবাইয়ের এক অভিযোগ নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। যদিও গ্রিণ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

গত মাসেই সানডে টাইমসে এক প্রতিবেদনে গ্রিনের কম্পিউটারে পর্ণো ছবি পাওয়ার তথ্য জানানো হয়। কিন্তু গ্রিন তা অস্বীকার করেন। তার এই অস্বীকারে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নেইল। তিনি জানান, আমি নিজেই কম্পিউটার তল্লাশি করে এসব পর্ণো ছবি পেয়েছিলাম। তবে এবার গ্রিন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রীর কম্পিউটারে পর্ণো ছবি

আপডেট সময় ০১:১৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র কার্যত উপ-প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পর্ণো ছবি রাখার অভিযোগ উঠেছে। তার সরকারি কম্পিউটারে এই ছবি পাওয়া গেছে। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সাবেক এক গোয়েন্দা এই তথ্য জানিয়েছেন। এ নিয়ে নতুন করে সংকটে পড়লেন থেরেসা মে। খবর সিএনএনের।

স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সাবেক গোয়েন্দা নেইল লুইস জানান, ২০০৮ সালে এক অভিযানে উপ-প্রধানমন্ত্রী ডেমিয়ান গ্রিনের সরকারি কম্পিউটারে কয়েক হাজার পর্ণো ছবি পাওয়া যায়।

নেইল বলেন, এত পরিমাণ পর্ণো ছবি দেখে আমি নিজেও হতবাক হয়েছিলাম। আর এটা যে গ্রিনের মাধ্যমেই কম্পিউটারে ঢুকেছিল তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এই তথ্য থেরেসা মে এবং গ্রিণকে নতুন সমালোচনার মধ্যে ফেলছে। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সমস্যার মধ্যে আছে থেরেসা মে’র সরকার। এরই মধ্যে গ্রিনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক কেইট ম্যাল্টবাইয়ের এক অভিযোগ নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। যদিও গ্রিণ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

গত মাসেই সানডে টাইমসে এক প্রতিবেদনে গ্রিনের কম্পিউটারে পর্ণো ছবি পাওয়ার তথ্য জানানো হয়। কিন্তু গ্রিন তা অস্বীকার করেন। তার এই অস্বীকারে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নেইল। তিনি জানান, আমি নিজেই কম্পিউটার তল্লাশি করে এসব পর্ণো ছবি পেয়েছিলাম। তবে এবার গ্রিন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।