ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মার্কিন বন্দীদশা থেকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত অভিবাসী শিশুর মুক্তি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মার্কিন বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেলো পক্ষাঘাতগ্রস্ত ১০ বছর বয়সী এক অভিবাসী মেয়ে শিশু। মার্কিন সীমান্ত টহল দলের সদস্যদের হাতে আটক মস্তিস্কে পক্ষাঘাতগ্রস্ত ওই শিশুটিকে টেক্সাসের একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর ছেড়ে দেয়া হয়। মেয়েটির বৈধ কোন কাগজপত্র ছিল না। খবর এএফপি’র।

আমেরিকান সিভিল লিবারেটিজ ইউনিয়নের (এসিএলইউ) আইনজীবীরা এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করার তিনদিন পর শুক্রবার রোসা মারিয়া হার্নানদেজ নামের ওই মেয়েকে মুক্তি দেয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত বরাবরের ছোট নগরী লারাডো থেকে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরের একটি হাসপাতালে গলব্লাডারে অস্ত্রোপচারের পর গত সপ্তাহে মেয়েটিকে আটক করা হয়েছিল। লারাডো নগরীতে তার বাড়ি।

এক বিবৃতিতে এসিএলইউ’র অ্যাটর্নি মিশেল টন বলেন, ‘আমরা আনন্দিত যে সে বাড়ি যেতে পারছে।’

হার্নানদেজকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে কর্পাস ক্রিস্টির হাসপাতালে নেয়ার সময় মার্কিন সীমান্ত টহল দলের সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সটিকে থামায় এবং তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে তার চিকিৎসা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সেখানে তারা অপেক্ষা করে তাকে পাহারা দিচ্ছিল।

মেয়েটিকে ফেরত পাঠানোর জন্য সরকারি একটি অভিবাসি আশ্রয় কেন্দ্রে বন্দী রাখা হয়েছিল।

সরকার জানায়, আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে মেয়েটিকে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়েছিল। কারণ সে বাবা-মা বা বৈধ অভিভাবক ছাড়াই ভ্রমণ করছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন বন্দীদশা থেকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত অভিবাসী শিশুর মুক্তি

আপডেট সময় ০৩:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মার্কিন বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেলো পক্ষাঘাতগ্রস্ত ১০ বছর বয়সী এক অভিবাসী মেয়ে শিশু। মার্কিন সীমান্ত টহল দলের সদস্যদের হাতে আটক মস্তিস্কে পক্ষাঘাতগ্রস্ত ওই শিশুটিকে টেক্সাসের একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর ছেড়ে দেয়া হয়। মেয়েটির বৈধ কোন কাগজপত্র ছিল না। খবর এএফপি’র।

আমেরিকান সিভিল লিবারেটিজ ইউনিয়নের (এসিএলইউ) আইনজীবীরা এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করার তিনদিন পর শুক্রবার রোসা মারিয়া হার্নানদেজ নামের ওই মেয়েকে মুক্তি দেয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত বরাবরের ছোট নগরী লারাডো থেকে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরের একটি হাসপাতালে গলব্লাডারে অস্ত্রোপচারের পর গত সপ্তাহে মেয়েটিকে আটক করা হয়েছিল। লারাডো নগরীতে তার বাড়ি।

এক বিবৃতিতে এসিএলইউ’র অ্যাটর্নি মিশেল টন বলেন, ‘আমরা আনন্দিত যে সে বাড়ি যেতে পারছে।’

হার্নানদেজকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে কর্পাস ক্রিস্টির হাসপাতালে নেয়ার সময় মার্কিন সীমান্ত টহল দলের সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সটিকে থামায় এবং তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে তার চিকিৎসা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সেখানে তারা অপেক্ষা করে তাকে পাহারা দিচ্ছিল।

মেয়েটিকে ফেরত পাঠানোর জন্য সরকারি একটি অভিবাসি আশ্রয় কেন্দ্রে বন্দী রাখা হয়েছিল।

সরকার জানায়, আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে মেয়েটিকে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়েছিল। কারণ সে বাবা-মা বা বৈধ অভিভাবক ছাড়াই ভ্রমণ করছিল।