ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে থানায় ১০ বছরের শিশু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মো. রবিউল হোসেন। বয়স ১০ বছর। কাজ করে গাড়ি মেরামতের দোকানে। বাবার হাতে প্রতিনিয়ত মাকে মারধরের শিকার হতে দেখে কেঁদে উঠে তার শিশুমন। প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেশ কয়েকবার বাবার হাতে সেও মারধরের শিকার হয়।

অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বন্ধুর সহায়তায় চলে এলো চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ থানায়। বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাল ওসির কাছে। ওসিও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন। পালিয়ে যাওয়ায় আকবরশাহ থানার লতিফপুর পাক্কা রাস্তায় মাথায় কালীরহাট এলাকার মোক্তার আহমদকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর মাহমুদ জানান, শিশুটি পাড়ার নেভি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণি পড়ূয়া এক বন্ধুকে নিয়ে থানায় আসে। সে এসে অভিযোগ করে তার মাকে প্রতিদিন তার বাবা মারধর করে। কেন মারধর করে জানতে চাইলে বলে, তার বাবা গাঁজা ও ইয়াবা সেবন করেন। মাদকের টাকার জন্য প্রতিদিন মারধর করে। পুলিশকে জানানোর কথা বললে তার বাবা উল্টো পুলিশের দারোগার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা জানায়।

ওসি আলমগীর মাহমুদ বলেন, ‘আমরা খোঁজ-খবর রাখছি। যেন মাদকাসক্ত মোক্তার শিশুটির কোনো ক্ষতি করতে না পারে। শিশুটি সরাসরি থানা পুলিশের কাছে চলে আসার বিষয়টি সাহসী ও প্রশংসনীয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে থানায় ১০ বছরের শিশু

আপডেট সময় ০১:৩০:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মো. রবিউল হোসেন। বয়স ১০ বছর। কাজ করে গাড়ি মেরামতের দোকানে। বাবার হাতে প্রতিনিয়ত মাকে মারধরের শিকার হতে দেখে কেঁদে উঠে তার শিশুমন। প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেশ কয়েকবার বাবার হাতে সেও মারধরের শিকার হয়।

অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বন্ধুর সহায়তায় চলে এলো চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ থানায়। বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাল ওসির কাছে। ওসিও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন। পালিয়ে যাওয়ায় আকবরশাহ থানার লতিফপুর পাক্কা রাস্তায় মাথায় কালীরহাট এলাকার মোক্তার আহমদকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর মাহমুদ জানান, শিশুটি পাড়ার নেভি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণি পড়ূয়া এক বন্ধুকে নিয়ে থানায় আসে। সে এসে অভিযোগ করে তার মাকে প্রতিদিন তার বাবা মারধর করে। কেন মারধর করে জানতে চাইলে বলে, তার বাবা গাঁজা ও ইয়াবা সেবন করেন। মাদকের টাকার জন্য প্রতিদিন মারধর করে। পুলিশকে জানানোর কথা বললে তার বাবা উল্টো পুলিশের দারোগার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা জানায়।

ওসি আলমগীর মাহমুদ বলেন, ‘আমরা খোঁজ-খবর রাখছি। যেন মাদকাসক্ত মোক্তার শিশুটির কোনো ক্ষতি করতে না পারে। শিশুটি সরাসরি থানা পুলিশের কাছে চলে আসার বিষয়টি সাহসী ও প্রশংসনীয়।