ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ধানমন্ডিতে শিক্ষার্থী হামলার মামলায় ফের আটক ছাত্রলীগ নেত্রী উর্মি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক যুবককে গুলি করে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেত্রী খাদিজা আক্তার উর্মিকে নতুন করে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ প্রদান করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী সাদিয়া আক্তার সেতু। উর্মি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। অন্য একটি মামলায় তিনি বর্তমানে কারাগারে বন্দি রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ধানমন্ডি মডেল থানার মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে ধানমন্ডি ৩ নম্বর সড়কে ল্যাবএইড হাসপাতালের বিপরীতে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেল ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এই ভয়াবহ হামলায় মো. সজিব ইসলাম (৩২) নামের এক যুবক গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে তার পিঠ ও কোমরে গুলি লাগে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ধানমন্ডি মডেল থানায় দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের বিভিন্ন ধারায় হত্যাচেষ্টা মামলাটি দায়ের করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা ও ধানমন্ডি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তারিকুল ইসলাম আদালতে উপস্থাপিত আবেদনে উল্লেখ করেছেন যে, চলমান তদন্ত ও প্রাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে উক্ত হামলায় খাদিজা আক্তার উর্মির সরাসরি ও প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার যথাযথ বিচারিক কার্যক্রমের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো একান্ত প্রয়োজন বলে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আদালতকে অবহিত করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্য গার্ডিয়ান: সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির শঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে উপসাগরীয় দেশগুলো

ধানমন্ডিতে শিক্ষার্থী হামলার মামলায় ফের আটক ছাত্রলীগ নেত্রী উর্মি

আপডেট সময় ১০:১৯:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক যুবককে গুলি করে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেত্রী খাদিজা আক্তার উর্মিকে নতুন করে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ প্রদান করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী সাদিয়া আক্তার সেতু। উর্মি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। অন্য একটি মামলায় তিনি বর্তমানে কারাগারে বন্দি রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ধানমন্ডি মডেল থানার মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে ধানমন্ডি ৩ নম্বর সড়কে ল্যাবএইড হাসপাতালের বিপরীতে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেল ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এই ভয়াবহ হামলায় মো. সজিব ইসলাম (৩২) নামের এক যুবক গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে তার পিঠ ও কোমরে গুলি লাগে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ধানমন্ডি মডেল থানায় দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের বিভিন্ন ধারায় হত্যাচেষ্টা মামলাটি দায়ের করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা ও ধানমন্ডি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তারিকুল ইসলাম আদালতে উপস্থাপিত আবেদনে উল্লেখ করেছেন যে, চলমান তদন্ত ও প্রাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে উক্ত হামলায় খাদিজা আক্তার উর্মির সরাসরি ও প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার যথাযথ বিচারিক কার্যক্রমের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো একান্ত প্রয়োজন বলে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আদালতকে অবহিত করেন।