ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

২০৩০ সালের মধ্যে ১ কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশের নাগরিকদের চোখের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি চশমা বিতরণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিশ্ব চক্ষু স্বাস্থ্য সম্মেলনে এক ভিডিও বার্তায় এমন অঙ্গীকারের কথা জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি জানান, একই মেয়াদে ১০ লাখ মানুষের চোখের ছানি অস্ত্রোপচার এবং জাতীয় রেফারেল ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি মানুষকে চক্ষু সেবার আওতায় আনা হবে। দেশের নাগরিকদের অন্ধত্ব ও দৃষ্টি ত্রুটি দূর করতে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন ও মানসম্মত দৃষ্টি সেবার আওতায় ১ কোটি চশমা বিতরণের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা সরকারের আয়োজনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের এই সম্মেলনে বাংলাদেশ সহ-আয়োজক হিসেবে অংশ নিয়েছে। নিজের বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব কেবল একটি মানবিক সংকট নয়, বরং এটি দেশের অর্থনীতি ও উৎপাদনশীলতার ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শিশুর সঠিক বিকাশে চোখের সুস্থতা অপরিহার্য বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই সম্মেলনের সহ আয়োজক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ।

সরকারের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে জাতীয় চক্ষু স্বাস্থ্য কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও তিনি জানান। ডা. মুহিত বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের চোখ পরীক্ষা নিশ্চিত করা এবং প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্বমুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় স্বাস্থ্য কাঠামোর ভেতরে থেকেই অন্ধত্ব প্রতিরোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দৃষ্টি ত্রুটি রোধে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সাথে যৌথভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ। জাতীয় পর্যায়ে চক্ষু স্বাস্থ্য সেবাকে আরও সম্প্রসারিত ও আধুনিক করাই এখন সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নাগরিক সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য চোখের সুস্থ দৃষ্টি অপরিহার্য।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপাড়া খনিতে পাথর উত্তোলনে নতুন রেকর্ড গড়ল জিটিসি

২০৩০ সালের মধ্যে ১ কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:১৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

দেশের নাগরিকদের চোখের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি চশমা বিতরণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিশ্ব চক্ষু স্বাস্থ্য সম্মেলনে এক ভিডিও বার্তায় এমন অঙ্গীকারের কথা জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি জানান, একই মেয়াদে ১০ লাখ মানুষের চোখের ছানি অস্ত্রোপচার এবং জাতীয় রেফারেল ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি মানুষকে চক্ষু সেবার আওতায় আনা হবে। দেশের নাগরিকদের অন্ধত্ব ও দৃষ্টি ত্রুটি দূর করতে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন ও মানসম্মত দৃষ্টি সেবার আওতায় ১ কোটি চশমা বিতরণের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা সরকারের আয়োজনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের এই সম্মেলনে বাংলাদেশ সহ-আয়োজক হিসেবে অংশ নিয়েছে। নিজের বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব কেবল একটি মানবিক সংকট নয়, বরং এটি দেশের অর্থনীতি ও উৎপাদনশীলতার ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শিশুর সঠিক বিকাশে চোখের সুস্থতা অপরিহার্য বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই সম্মেলনের সহ আয়োজক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ।

সরকারের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে জাতীয় চক্ষু স্বাস্থ্য কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও তিনি জানান। ডা. মুহিত বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের চোখ পরীক্ষা নিশ্চিত করা এবং প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্বমুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় স্বাস্থ্য কাঠামোর ভেতরে থেকেই অন্ধত্ব প্রতিরোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দৃষ্টি ত্রুটি রোধে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সাথে যৌথভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ। জাতীয় পর্যায়ে চক্ষু স্বাস্থ্য সেবাকে আরও সম্প্রসারিত ও আধুনিক করাই এখন সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নাগরিক সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য চোখের সুস্থ দৃষ্টি অপরিহার্য।