ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

কারওয়ান বাজারে সারা বছর বাটার জুতা ছাড়ে বিক্রি

রাজধানীর মিরপুর-১৪ নম্বর এলাকা থেকে গত শনিবার বিকেলে বাসে চড়ে কারওয়ান বাজারে আসেন শিহাব উদ্দিন। তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করে নিজের খরচ চালান। বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য নতুন জুতা কেনা প্রয়োজন হলেও তাঁর হাতে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। এক বন্ধুর কাছে কারওয়ান বাজারের মেট্রোস্টেশনের পাশে বাটার শোরুমে সারা বছর বিশেষ ছাড়ে জুতা বিক্রির কথা শুনে তিনি সেখানে আসেন।

কারওয়ান বাজারে এসে মাত্র ৬০০ টাকায় এক জোড়া জুতা কেনেন শিহাব উদ্দিন। জুতা কিনে ফেরার পথে তিনি বলেন, এখানে এসে তাঁর খুবই উপকার হয়েছে। এই জুতা অন্য শোরুম থেকে কিনতে গেলে প্রায় এক থেকে দেড় হাজার টাকা লাগত। তিনি প্রায় ৬০ শতাংশ ছাড়ে জুতাটি কিনতে পেরেছেন।

ছাড়ের নিয়ম ও বৈচিত্র্যময় সংগ্রহ

শিহাবের মতো আরও অনেক ক্রেতাই কম দামে বাটার পণ্য কিনতে কারওয়ান বাজারে আসেন। বাটার এই বিশেষ শোরুমটি কারওয়ান বাজারে বিএসইসি ভবন ও মেট্রোস্টেশনের ঠিক পাশে অবস্থিত। বিক্রয়কেন্দ্রটিতে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন ধরনের জুতার গায়ের প্রকৃত মূল্যের ওপরে ৫০ শতাংশ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় রয়েছে। এই শোরুমটি থেকে বছরে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ জোড়া জুতা বিক্রি হয়ে থাকে।

শোরুমে জুতার দরদামের খোঁজ নেওয়ার সময় কথা হয় সরকারি কর্মকর্তা হাফিজুর রহমানের সঙ্গে। সাভারে বসবাসকারী এই কর্মকর্তা শনিবারের বন্ধের দিনে প্রয়োজনীয় কাজে কারওয়ান বাজার এসে কাজ শেষে শোরুমে ঢুঁ দেন। তিনি বলেন, চাকরির শুরুর দিকে যখন তাঁর বেতন কম ছিল, তখন থেকেই তিনি এখানে আসেন। বাটার মূল জুতা হওয়ায় এটি দিয়ে কাজ চলে যায় এবং বাইরের নন-ব্র্যান্ড জুতার চেয়ে এগুলো তুলনামূলক ভালো। তবে সব সময় নিজের পায়ের সঠিক সাইজ পাওয়া যায় না বলে মাঝেমধ্যেই তাঁকে খোঁজ নিতে আসতে হয়।

  • নতুন চাকরিজীবী ও কম আয়ের শিক্ষার্থী যাঁদের ফরমাল জুতার প্রয়োজন, তাঁদের জন্য এটি অত্যন্ত উপযোগী একটি স্থান।
  • কারওয়ান বাজারের একটি পাঁচতারকা হোটেলের কর্মী জাকির হোসেন ১ হাজার ৯৯৯ টাকা মূল্যের একটি শু মাত্র ৮০০ টাকায় কিনেছেন।
  • জাকির হোসেন জানান, এখান থেকে তিনি এ নিয়ে চারবার নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জন্য জুতা কিনেছেন এবং মানও ভালো পেয়েছেন।

বিভিন্ন ধরনের জুতা ও দামের হিসাব

বাটার এই শোরুমে চামড়ার শু, জুতা, স্যান্ডেল ও স্পঞ্জ বিক্রির পাশাপাশি কৃত্রিম চামড়ার কেডস ও জুতাও পাওয়া যায়। শোরুমটিতে সারা বছরই অফার কার্যকর থাকে। চামড়ার জুতা ও শুয়ের সর্বনিম্ন ছাড়কৃত মূল্য ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৭ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়। তবে বেশির ভাগ সাধারণ জুতাই ২৫০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে কেনা সম্ভব। এছাড়া কেডস ও স্নিকার শ্রেণির শু বিক্রি হয় ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায়।

শোরুমের একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে ছেলেমেয়েদের স্কুলের জুতা। এসব জুতার প্রকৃত দাম ৮৯৯ থেকে ৯৯৯ টাকা হলেও শোরুমে তা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় পাওয়া যায়। শিল্পকারখানার শ্রমিক ও কর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় সেফটি শু বিক্রি হয় ৯০০ টাকায়, যার আসল গায়ের দাম ২ হাজার ২০০ টাকা। বাটার জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হাস পাপিসের শু ছাড়কৃত মূল্যে ২ হাজার টাকা এবং নর্থস্টারের স্নিকার ৭০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এর বাইরে বাটার ঐতিহ্যবাহী চামড়ার জুতা ও ফ্লোর স্যান্ডেল ৩০০ টাকায় এবং স্পঞ্জ স্যান্ডেল মাত্র ৪৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

পণ্য মান ও কিউসি প্রক্রিয়ার তথ্য

তবে কম দামে জুতা বিক্রির কারণ ও পণ্যের স্থায়িত্ব নিয়ে কোনো কোনো গ্রাহকের মনে সংশয় দেখা দেয়। শনিবার সন্ধ্যায় আসা সানজিদা আক্তার নামের এক ক্রেতা বেশ কিছুক্ষণ ঘুরেও জুতা না কিনে ফিরে যাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, এখানে এত ছাড়ে জুতা বিক্রি হওয়ার বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। দাম অনেক কম হলেও কিছু জুতার মান কিছুটা কম মনে হওয়ায় টাকা খরচ করে কেনা ঠিক হবে কি না সেই সন্দেহে তিনি কেনাকাটা না করেই ফিরছেন।

গ্রাহকের সংশয়ের বিষয়ে শোরুমের এক কর্মী জানান, বাটার কারখানায় জুতা উৎপাদনের পর কঠোরভাবে মান যাচাই (কিউসি) করা হয়। মান যাচাইয়ে যে জুতাগুলো প্রথম শ্রেণিতে আটকে যায়, সেগুলোর মধ্যে তুলনামূলক ভালো মানের জুতাগুলো বাছাই করে কারওয়ান বাজারের এই শোরুমে মূল্যছাড়ে বিক্রির জন্য পাঠানো হয়।

ওই কর্মী আরও বলেন, সাধারণ মানুষের খালি চোখে জুতা তৈরির সূক্ষ্ম ত্রুটিগুলো ধরা পড়বে না। এগুলো মান পরীক্ষায় সরাসরি উত্তীর্ণ হওয়া সাধারণ জুতার মতোই টেকসই হয়। তবে কোনো জুতায় মারাত্মক ত্রুটি থাকলে তা কখনোই এখানেও বিক্রির জন্য আনা হয় না।

সময়সূচি ও ঠিকানা

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকায় বাটার নির্ধারিত মূল্যছাড়ের এমন বিশেষ দোকান একটিই রয়েছে। এর বাইরে কেবল টঙ্গীতে বাটার কারখানার সামনে একই ধরনের আরেকটি শোরুম পরিচালিত হয়। কারওয়ান বাজারের এই শোরুমটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা হয় এবং মঙ্গলবারে এর সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুবালার কবরে প্রচুর আতর ঢেলেছিলেন বাবা, জানালেন বোন

কারওয়ান বাজারে সারা বছর বাটার জুতা ছাড়ে বিক্রি

আপডেট সময় ০৮:৩৪:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর-১৪ নম্বর এলাকা থেকে গত শনিবার বিকেলে বাসে চড়ে কারওয়ান বাজারে আসেন শিহাব উদ্দিন। তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করে নিজের খরচ চালান। বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য নতুন জুতা কেনা প্রয়োজন হলেও তাঁর হাতে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। এক বন্ধুর কাছে কারওয়ান বাজারের মেট্রোস্টেশনের পাশে বাটার শোরুমে সারা বছর বিশেষ ছাড়ে জুতা বিক্রির কথা শুনে তিনি সেখানে আসেন।

কারওয়ান বাজারে এসে মাত্র ৬০০ টাকায় এক জোড়া জুতা কেনেন শিহাব উদ্দিন। জুতা কিনে ফেরার পথে তিনি বলেন, এখানে এসে তাঁর খুবই উপকার হয়েছে। এই জুতা অন্য শোরুম থেকে কিনতে গেলে প্রায় এক থেকে দেড় হাজার টাকা লাগত। তিনি প্রায় ৬০ শতাংশ ছাড়ে জুতাটি কিনতে পেরেছেন।

ছাড়ের নিয়ম ও বৈচিত্র্যময় সংগ্রহ

শিহাবের মতো আরও অনেক ক্রেতাই কম দামে বাটার পণ্য কিনতে কারওয়ান বাজারে আসেন। বাটার এই বিশেষ শোরুমটি কারওয়ান বাজারে বিএসইসি ভবন ও মেট্রোস্টেশনের ঠিক পাশে অবস্থিত। বিক্রয়কেন্দ্রটিতে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন ধরনের জুতার গায়ের প্রকৃত মূল্যের ওপরে ৫০ শতাংশ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় রয়েছে। এই শোরুমটি থেকে বছরে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ জোড়া জুতা বিক্রি হয়ে থাকে।

শোরুমে জুতার দরদামের খোঁজ নেওয়ার সময় কথা হয় সরকারি কর্মকর্তা হাফিজুর রহমানের সঙ্গে। সাভারে বসবাসকারী এই কর্মকর্তা শনিবারের বন্ধের দিনে প্রয়োজনীয় কাজে কারওয়ান বাজার এসে কাজ শেষে শোরুমে ঢুঁ দেন। তিনি বলেন, চাকরির শুরুর দিকে যখন তাঁর বেতন কম ছিল, তখন থেকেই তিনি এখানে আসেন। বাটার মূল জুতা হওয়ায় এটি দিয়ে কাজ চলে যায় এবং বাইরের নন-ব্র্যান্ড জুতার চেয়ে এগুলো তুলনামূলক ভালো। তবে সব সময় নিজের পায়ের সঠিক সাইজ পাওয়া যায় না বলে মাঝেমধ্যেই তাঁকে খোঁজ নিতে আসতে হয়।

  • নতুন চাকরিজীবী ও কম আয়ের শিক্ষার্থী যাঁদের ফরমাল জুতার প্রয়োজন, তাঁদের জন্য এটি অত্যন্ত উপযোগী একটি স্থান।
  • কারওয়ান বাজারের একটি পাঁচতারকা হোটেলের কর্মী জাকির হোসেন ১ হাজার ৯৯৯ টাকা মূল্যের একটি শু মাত্র ৮০০ টাকায় কিনেছেন।
  • জাকির হোসেন জানান, এখান থেকে তিনি এ নিয়ে চারবার নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জন্য জুতা কিনেছেন এবং মানও ভালো পেয়েছেন।

বিভিন্ন ধরনের জুতা ও দামের হিসাব

বাটার এই শোরুমে চামড়ার শু, জুতা, স্যান্ডেল ও স্পঞ্জ বিক্রির পাশাপাশি কৃত্রিম চামড়ার কেডস ও জুতাও পাওয়া যায়। শোরুমটিতে সারা বছরই অফার কার্যকর থাকে। চামড়ার জুতা ও শুয়ের সর্বনিম্ন ছাড়কৃত মূল্য ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৭ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়। তবে বেশির ভাগ সাধারণ জুতাই ২৫০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে কেনা সম্ভব। এছাড়া কেডস ও স্নিকার শ্রেণির শু বিক্রি হয় ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায়।

শোরুমের একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে ছেলেমেয়েদের স্কুলের জুতা। এসব জুতার প্রকৃত দাম ৮৯৯ থেকে ৯৯৯ টাকা হলেও শোরুমে তা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় পাওয়া যায়। শিল্পকারখানার শ্রমিক ও কর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় সেফটি শু বিক্রি হয় ৯০০ টাকায়, যার আসল গায়ের দাম ২ হাজার ২০০ টাকা। বাটার জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হাস পাপিসের শু ছাড়কৃত মূল্যে ২ হাজার টাকা এবং নর্থস্টারের স্নিকার ৭০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এর বাইরে বাটার ঐতিহ্যবাহী চামড়ার জুতা ও ফ্লোর স্যান্ডেল ৩০০ টাকায় এবং স্পঞ্জ স্যান্ডেল মাত্র ৪৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

পণ্য মান ও কিউসি প্রক্রিয়ার তথ্য

তবে কম দামে জুতা বিক্রির কারণ ও পণ্যের স্থায়িত্ব নিয়ে কোনো কোনো গ্রাহকের মনে সংশয় দেখা দেয়। শনিবার সন্ধ্যায় আসা সানজিদা আক্তার নামের এক ক্রেতা বেশ কিছুক্ষণ ঘুরেও জুতা না কিনে ফিরে যাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, এখানে এত ছাড়ে জুতা বিক্রি হওয়ার বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। দাম অনেক কম হলেও কিছু জুতার মান কিছুটা কম মনে হওয়ায় টাকা খরচ করে কেনা ঠিক হবে কি না সেই সন্দেহে তিনি কেনাকাটা না করেই ফিরছেন।

গ্রাহকের সংশয়ের বিষয়ে শোরুমের এক কর্মী জানান, বাটার কারখানায় জুতা উৎপাদনের পর কঠোরভাবে মান যাচাই (কিউসি) করা হয়। মান যাচাইয়ে যে জুতাগুলো প্রথম শ্রেণিতে আটকে যায়, সেগুলোর মধ্যে তুলনামূলক ভালো মানের জুতাগুলো বাছাই করে কারওয়ান বাজারের এই শোরুমে মূল্যছাড়ে বিক্রির জন্য পাঠানো হয়।

ওই কর্মী আরও বলেন, সাধারণ মানুষের খালি চোখে জুতা তৈরির সূক্ষ্ম ত্রুটিগুলো ধরা পড়বে না। এগুলো মান পরীক্ষায় সরাসরি উত্তীর্ণ হওয়া সাধারণ জুতার মতোই টেকসই হয়। তবে কোনো জুতায় মারাত্মক ত্রুটি থাকলে তা কখনোই এখানেও বিক্রির জন্য আনা হয় না।

সময়সূচি ও ঠিকানা

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকায় বাটার নির্ধারিত মূল্যছাড়ের এমন বিশেষ দোকান একটিই রয়েছে। এর বাইরে কেবল টঙ্গীতে বাটার কারখানার সামনে একই ধরনের আরেকটি শোরুম পরিচালিত হয়। কারওয়ান বাজারের এই শোরুমটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা হয় এবং মঙ্গলবারে এর সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে।