মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বিদেশগামী কর্মীদের জন্য নতুন স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশনা দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে কেবল অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোতেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে। এই তারিখের পূর্বে সম্পন্ন করা যেকোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা অগ্রহণযোগ্য হিসেবে গণ্য হবে এবং ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই গৃহীত হবে না। অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা খুব শিগগিরই সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সতর্ক করে বলেছে, ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত মেডিকেল সেন্টারগুলোর তথ্যের ওপর নজর রাখতে হবে। সক্ষমতা ও সরকারি নির্দেশনা পরিপালনের ওপর ভিত্তি করে যেকোনো সময় এই তালিকা থেকে মেডিকেল সেন্টারের নাম বাদ পড়তে বা নতুন করে যুক্ত হতে পারে। বিশেষ করে, সরকারি অনুমোদন ছাড়া কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি বা মেডিকেল সেন্টার যাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করায়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা হবে।
কিছু দালালচক্র ও অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সি অনুমোদনের নাম করে কর্মীদের পাসপোর্ট ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে অনুমোদন নিশ্চিত না হয়ে কারও কাছে আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত নথিপত্র জমা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এজেন্সিগুলোকে বিএমইটি ছাড়পত্রের জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের রিপোর্ট এবং ভিডিআর ভিসার কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টার ও রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ, রিক্রুটিং এজেন্সির বিদেশে কর্মী পাঠানোর অনুমতি স্থগিত এবং মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন বাতিল করার মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অনুমোদনহীন কোনো কার্যক্রম বা অনিয়মের তথ্য থাকলে তা ঘটনার স্থান, তারিখ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম ও প্রমাণসহ [email protected] ই-মেইলে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় মন্ত্রণালয়ের এই নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সরকারি নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























