ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা

প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা দিতে কিছু গোষ্ঠী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। এই প্ল্যান যেন বাস্তবায়ন না হয়, কিছু রাজনৈতিক দল।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন রয়েছে এবং তিনি নিজেই ঘোষণা দিয়েছেন যে তার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে। যারা আগে থেকেই রাজনৈতিকভাবে ‘গুপ্ত’ হিসেবে পরিচিত, তারা এখন সেই উন্নয়ন কার্যক্রম নস্যাৎ করতে নানা অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারবে না বলে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী ‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ গড়ার যে রূপরেখা দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে স্থানীয়দের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ হিসেবে তিনি মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরের ফুটপাত উদ্ধারের কথা উল্লেখ করেন। ২৫ বছর ধরে দখল হয়ে থাকা ওই এলাকাটি জনগণের সহায়তায় দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং সেখানে পুনরায় কোনো অবৈধ হকার বসতে পারেনি। নগরবাসীর সচেতনতার ফলেই এটি অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ উদ্যোগের সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়ে নগরবাসীর উদ্দেশ্যে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আপনারা সঙ্গে থাকার কারণেই মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে দীর্ঘ ২৫ বছরের দখলকৃত ফুটপাত আমরা দখলমুক্ত করেছি।

তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, ফুটপাত ও রাস্তা জনগণের ট্যাক্সের টাকায় নির্মিত। তাই এই হাঁটার জায়গা দখলমুক্ত রাখা আমাদের দায়িত্ব। পর্যায়ক্রমে শহরের প্রতিটি দখল হওয়া ফুটপাত উদ্ধার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, পথচারীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। সবশেষে তিনি মিরপুর ১০ নম্বরের মতোই বর্তমান সরকারের সকল উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। আপনারা ১০ নম্বরে যেভাবে সহায়তা করেছেন, একইভাবে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কাজেও আপনারা সহযোগিতা করুন।’।

আপলোডকারীর তথ্য

ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক

আপডেট সময় ০৬:৪৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা দিতে কিছু গোষ্ঠী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। এই প্ল্যান যেন বাস্তবায়ন না হয়, কিছু রাজনৈতিক দল।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন রয়েছে এবং তিনি নিজেই ঘোষণা দিয়েছেন যে তার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে। যারা আগে থেকেই রাজনৈতিকভাবে ‘গুপ্ত’ হিসেবে পরিচিত, তারা এখন সেই উন্নয়ন কার্যক্রম নস্যাৎ করতে নানা অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারবে না বলে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী ‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ গড়ার যে রূপরেখা দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে স্থানীয়দের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ হিসেবে তিনি মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরের ফুটপাত উদ্ধারের কথা উল্লেখ করেন। ২৫ বছর ধরে দখল হয়ে থাকা ওই এলাকাটি জনগণের সহায়তায় দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং সেখানে পুনরায় কোনো অবৈধ হকার বসতে পারেনি। নগরবাসীর সচেতনতার ফলেই এটি অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ উদ্যোগের সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়ে নগরবাসীর উদ্দেশ্যে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আপনারা সঙ্গে থাকার কারণেই মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে দীর্ঘ ২৫ বছরের দখলকৃত ফুটপাত আমরা দখলমুক্ত করেছি।

তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, ফুটপাত ও রাস্তা জনগণের ট্যাক্সের টাকায় নির্মিত। তাই এই হাঁটার জায়গা দখলমুক্ত রাখা আমাদের দায়িত্ব। পর্যায়ক্রমে শহরের প্রতিটি দখল হওয়া ফুটপাত উদ্ধার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, পথচারীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। সবশেষে তিনি মিরপুর ১০ নম্বরের মতোই বর্তমান সরকারের সকল উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। আপনারা ১০ নম্বরে যেভাবে সহায়তা করেছেন, একইভাবে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কাজেও আপনারা সহযোগিতা করুন।’।