ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

গাইবান্ধায় আগুনে পুড়ল ১৪ ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের ফোরকানিয়া বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ভোর ৪টার দিকে হঠাৎ বাজারের একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে একের পর এক দোকান পুড়তে শুরু করে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।

পরে সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ওই সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন- মুদি ব্যবসায়ী লেবু মিয়া, মুদি ও ভ্যারাইটিজ স্টোরের আজিজুর মিয়া লালটু, চায়ের দোকানের শহিদুল ইসলাম, ওষুধের দোকানের আব্দুল মোহাইমেন, আরেক ওষুধের দোকানদার আনওয়ারুল ইসলাম ও কামরুজ্জামান আকন্দ, মুদি দোকানদার নওশা মিয়া, টেলিকম ব্যবসায়ী আল আমিন মিয়া, কাঁচামালের দোকানদার মুসলিম আলী, কফি হাউজ ও কনফেকশনারি দোকানের মালিক আল আমিন মিয়া, মুদি দোকানের আব্দুর রশিদ।

এছাড়া জাহিদুল ইসলামের কীটনাশক ও সারের দোকান, আব্দুর রহমানের কাঁচামালের দোকান ও নুরুল ইসলামের কাঁচামালের দোকান পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা আগুন লাগার ঘটনাটি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. লিটন বলেন, ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা ও ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাইবান্ধায় আগুনে পুড়ল ১৪ ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান

আপডেট সময় ০৭:৪৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের ফোরকানিয়া বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ভোর ৪টার দিকে হঠাৎ বাজারের একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে একের পর এক দোকান পুড়তে শুরু করে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।

পরে সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ওই সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন- মুদি ব্যবসায়ী লেবু মিয়া, মুদি ও ভ্যারাইটিজ স্টোরের আজিজুর মিয়া লালটু, চায়ের দোকানের শহিদুল ইসলাম, ওষুধের দোকানের আব্দুল মোহাইমেন, আরেক ওষুধের দোকানদার আনওয়ারুল ইসলাম ও কামরুজ্জামান আকন্দ, মুদি দোকানদার নওশা মিয়া, টেলিকম ব্যবসায়ী আল আমিন মিয়া, কাঁচামালের দোকানদার মুসলিম আলী, কফি হাউজ ও কনফেকশনারি দোকানের মালিক আল আমিন মিয়া, মুদি দোকানের আব্দুর রশিদ।

এছাড়া জাহিদুল ইসলামের কীটনাশক ও সারের দোকান, আব্দুর রহমানের কাঁচামালের দোকান ও নুরুল ইসলামের কাঁচামালের দোকান পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা আগুন লাগার ঘটনাটি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. লিটন বলেন, ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা ও ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা হবে।