ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খাল রক্ষা না করলে বসবাসের অযোগ্য হবে ঢাকা: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম শহীদ জিয়ার আদর্শে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হবে: সালাউদ্দিন টুকু আওয়ামী লীগ নাশকতার ছক কষছে: আবু হানিফ ‘রোববারের মধ্যেই ইরান যুদ্ধ অবসানের সংলাপ সম্ভব’ হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিল ইরান গাইবান্ধায় আগুনে পুড়ল ১৪ ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান সমুদ্রসম্পদ সুরক্ষা ও সুনীল অর্থনীতি বিকাশে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী সব শ্রেণি পেশার মানুষের জন্য এবারের বাজেট: দুলু সার্টিফিকেট অর্জনই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য নয়: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘বাজি’ ধরলে কখনো ‘পস্তাতে হবে না’: রাষ্ট্রদূত

গাইবান্ধায় আগুনে পুড়ল ১৪ ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের ফোরকানিয়া বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ভোর ৪টার দিকে হঠাৎ বাজারের একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে একের পর এক দোকান পুড়তে শুরু করে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।

পরে সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ওই সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন- মুদি ব্যবসায়ী লেবু মিয়া, মুদি ও ভ্যারাইটিজ স্টোরের আজিজুর মিয়া লালটু, চায়ের দোকানের শহিদুল ইসলাম, ওষুধের দোকানের আব্দুল মোহাইমেন, আরেক ওষুধের দোকানদার আনওয়ারুল ইসলাম ও কামরুজ্জামান আকন্দ, মুদি দোকানদার নওশা মিয়া, টেলিকম ব্যবসায়ী আল আমিন মিয়া, কাঁচামালের দোকানদার মুসলিম আলী, কফি হাউজ ও কনফেকশনারি দোকানের মালিক আল আমিন মিয়া, মুদি দোকানের আব্দুর রশিদ।

এছাড়া জাহিদুল ইসলামের কীটনাশক ও সারের দোকান, আব্দুর রহমানের কাঁচামালের দোকান ও নুরুল ইসলামের কাঁচামালের দোকান পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা আগুন লাগার ঘটনাটি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. লিটন বলেন, ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা ও ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাইবান্ধায় আগুনে পুড়ল ১৪ ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান

আপডেট সময় ০৭:৪৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের ফোরকানিয়া বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ভোর ৪টার দিকে হঠাৎ বাজারের একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে একের পর এক দোকান পুড়তে শুরু করে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।

পরে সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ওই সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন- মুদি ব্যবসায়ী লেবু মিয়া, মুদি ও ভ্যারাইটিজ স্টোরের আজিজুর মিয়া লালটু, চায়ের দোকানের শহিদুল ইসলাম, ওষুধের দোকানের আব্দুল মোহাইমেন, আরেক ওষুধের দোকানদার আনওয়ারুল ইসলাম ও কামরুজ্জামান আকন্দ, মুদি দোকানদার নওশা মিয়া, টেলিকম ব্যবসায়ী আল আমিন মিয়া, কাঁচামালের দোকানদার মুসলিম আলী, কফি হাউজ ও কনফেকশনারি দোকানের মালিক আল আমিন মিয়া, মুদি দোকানের আব্দুর রশিদ।

এছাড়া জাহিদুল ইসলামের কীটনাশক ও সারের দোকান, আব্দুর রহমানের কাঁচামালের দোকান ও নুরুল ইসলামের কাঁচামালের দোকান পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা আগুন লাগার ঘটনাটি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. লিটন বলেন, ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা ও ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা হবে।