ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

‘মাস্টারমাইন্ড তকমা’ মাহফুজ আলম বললেন এটি একটি বাজে শব্দ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার কেবিনেটের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ তকমা দেননি। এ শব্দটা সবসময় একটি বাজে শব্দ।

সম্প্রতি একটি অনলাইন টক-শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এ তথ্য উপদেষ্টা।

মাহফুজ আলম বলেন, আমরা কি কখনো বলি যে, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান একটি ষড়যন্ত্র?এটা আইয়ুব খান বলেছেন। এটা ইয়াহিয়ারা বলেছেন। এটা পাকিস্তানের জান্তা বলেছে। আজকে যে রকম আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বলছে।

তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাকে নিয়ে দুটি কথা বলেছিলেন; তবে কোথাও মাস্টারমাইন্ড শব্দটি ব্যবহার করেননি। মাস্টারমাইন্ড একটি বাজে শব্দ। আপনি বলবেন ‘হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড’? ‘মাস্টারমাইন্ড অলওয়েজ অ্যা ব্যাড ওয়ার্ড’। প্রফেসর ইউনূস মাস্টারমাইন্ড শব্দটি ব্যবহার করেননি।

আমাদের শফিকুল আলম এবং প্রফেসর ইউনূস আমাকে নিয়ে যে স্টেটমেন্ট দিয়েছেন; সেখানে মাস্টারমাইন্ড শব্দটিই বলেননি। স্যার খুবই ক্যাটাগরিক্যালি শব্দটি ব্যবহার করেছেন, ‘ব্রেইনস বিহাইন্ড’! এ শব্দটি আপনি যে কোনো ওয়েস্টার্ন ডিবেটে বা পলিটিক্যাল তর্কে ব্যবহার করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, বিষয় হচ্ছে; এটাকে বাংলাদেশে অন্যভাবে ফ্রেমিং করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের ফাঁকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের ‘ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ লিডারস স্টেজ’ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মূলত সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চে তিনি তার দীর্ঘদিনের বন্ধু সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলার ফাঁকে সফরসঙ্গীদের তিনজনকে পরিচয় করিয়ে দেন। নিউইয়র্কে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরে সরকার পতনের অন্যতম কারিগর হিসেবে মাহফুজ আলমকে পরিচয় করিয়ে দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘মাস্টারমাইন্ড তকমা’ মাহফুজ আলম বললেন এটি একটি বাজে শব্দ

আপডেট সময় ০৫:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার কেবিনেটের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ তকমা দেননি। এ শব্দটা সবসময় একটি বাজে শব্দ।

সম্প্রতি একটি অনলাইন টক-শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এ তথ্য উপদেষ্টা।

মাহফুজ আলম বলেন, আমরা কি কখনো বলি যে, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান একটি ষড়যন্ত্র?এটা আইয়ুব খান বলেছেন। এটা ইয়াহিয়ারা বলেছেন। এটা পাকিস্তানের জান্তা বলেছে। আজকে যে রকম আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বলছে।

তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাকে নিয়ে দুটি কথা বলেছিলেন; তবে কোথাও মাস্টারমাইন্ড শব্দটি ব্যবহার করেননি। মাস্টারমাইন্ড একটি বাজে শব্দ। আপনি বলবেন ‘হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড’? ‘মাস্টারমাইন্ড অলওয়েজ অ্যা ব্যাড ওয়ার্ড’। প্রফেসর ইউনূস মাস্টারমাইন্ড শব্দটি ব্যবহার করেননি।

আমাদের শফিকুল আলম এবং প্রফেসর ইউনূস আমাকে নিয়ে যে স্টেটমেন্ট দিয়েছেন; সেখানে মাস্টারমাইন্ড শব্দটিই বলেননি। স্যার খুবই ক্যাটাগরিক্যালি শব্দটি ব্যবহার করেছেন, ‘ব্রেইনস বিহাইন্ড’! এ শব্দটি আপনি যে কোনো ওয়েস্টার্ন ডিবেটে বা পলিটিক্যাল তর্কে ব্যবহার করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, বিষয় হচ্ছে; এটাকে বাংলাদেশে অন্যভাবে ফ্রেমিং করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের ফাঁকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের ‘ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ লিডারস স্টেজ’ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মূলত সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চে তিনি তার দীর্ঘদিনের বন্ধু সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলার ফাঁকে সফরসঙ্গীদের তিনজনকে পরিচয় করিয়ে দেন। নিউইয়র্কে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরে সরকার পতনের অন্যতম কারিগর হিসেবে মাহফুজ আলমকে পরিচয় করিয়ে দেন।