ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘মাস্টারমাইন্ড তকমা’ মাহফুজ আলম বললেন এটি একটি বাজে শব্দ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার কেবিনেটের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ তকমা দেননি। এ শব্দটা সবসময় একটি বাজে শব্দ।

সম্প্রতি একটি অনলাইন টক-শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এ তথ্য উপদেষ্টা।

মাহফুজ আলম বলেন, আমরা কি কখনো বলি যে, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান একটি ষড়যন্ত্র?এটা আইয়ুব খান বলেছেন। এটা ইয়াহিয়ারা বলেছেন। এটা পাকিস্তানের জান্তা বলেছে। আজকে যে রকম আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বলছে।

তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাকে নিয়ে দুটি কথা বলেছিলেন; তবে কোথাও মাস্টারমাইন্ড শব্দটি ব্যবহার করেননি। মাস্টারমাইন্ড একটি বাজে শব্দ। আপনি বলবেন ‘হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড’? ‘মাস্টারমাইন্ড অলওয়েজ অ্যা ব্যাড ওয়ার্ড’। প্রফেসর ইউনূস মাস্টারমাইন্ড শব্দটি ব্যবহার করেননি।

আমাদের শফিকুল আলম এবং প্রফেসর ইউনূস আমাকে নিয়ে যে স্টেটমেন্ট দিয়েছেন; সেখানে মাস্টারমাইন্ড শব্দটিই বলেননি। স্যার খুবই ক্যাটাগরিক্যালি শব্দটি ব্যবহার করেছেন, ‘ব্রেইনস বিহাইন্ড’! এ শব্দটি আপনি যে কোনো ওয়েস্টার্ন ডিবেটে বা পলিটিক্যাল তর্কে ব্যবহার করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, বিষয় হচ্ছে; এটাকে বাংলাদেশে অন্যভাবে ফ্রেমিং করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের ফাঁকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের ‘ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ লিডারস স্টেজ’ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মূলত সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চে তিনি তার দীর্ঘদিনের বন্ধু সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলার ফাঁকে সফরসঙ্গীদের তিনজনকে পরিচয় করিয়ে দেন। নিউইয়র্কে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরে সরকার পতনের অন্যতম কারিগর হিসেবে মাহফুজ আলমকে পরিচয় করিয়ে দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘মাস্টারমাইন্ড তকমা’ মাহফুজ আলম বললেন এটি একটি বাজে শব্দ

আপডেট সময় ০৫:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার কেবিনেটের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ তকমা দেননি। এ শব্দটা সবসময় একটি বাজে শব্দ।

সম্প্রতি একটি অনলাইন টক-শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এ তথ্য উপদেষ্টা।

মাহফুজ আলম বলেন, আমরা কি কখনো বলি যে, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান একটি ষড়যন্ত্র?এটা আইয়ুব খান বলেছেন। এটা ইয়াহিয়ারা বলেছেন। এটা পাকিস্তানের জান্তা বলেছে। আজকে যে রকম আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বলছে।

তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাকে নিয়ে দুটি কথা বলেছিলেন; তবে কোথাও মাস্টারমাইন্ড শব্দটি ব্যবহার করেননি। মাস্টারমাইন্ড একটি বাজে শব্দ। আপনি বলবেন ‘হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড’? ‘মাস্টারমাইন্ড অলওয়েজ অ্যা ব্যাড ওয়ার্ড’। প্রফেসর ইউনূস মাস্টারমাইন্ড শব্দটি ব্যবহার করেননি।

আমাদের শফিকুল আলম এবং প্রফেসর ইউনূস আমাকে নিয়ে যে স্টেটমেন্ট দিয়েছেন; সেখানে মাস্টারমাইন্ড শব্দটিই বলেননি। স্যার খুবই ক্যাটাগরিক্যালি শব্দটি ব্যবহার করেছেন, ‘ব্রেইনস বিহাইন্ড’! এ শব্দটি আপনি যে কোনো ওয়েস্টার্ন ডিবেটে বা পলিটিক্যাল তর্কে ব্যবহার করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, বিষয় হচ্ছে; এটাকে বাংলাদেশে অন্যভাবে ফ্রেমিং করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের ফাঁকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের ‘ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ লিডারস স্টেজ’ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মূলত সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চে তিনি তার দীর্ঘদিনের বন্ধু সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলার ফাঁকে সফরসঙ্গীদের তিনজনকে পরিচয় করিয়ে দেন। নিউইয়র্কে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরে সরকার পতনের অন্যতম কারিগর হিসেবে মাহফুজ আলমকে পরিচয় করিয়ে দেন।