ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে

গুমকে চিরতরে নিষিদ্ধ করার আইন চাই : তাহসিনা রুশদী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গুমের শিকার সাবেক সংসদ সদস্য এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী ও সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদী বলেছেন, গুমকে বাংলাদেশ থেকে চিরতরে নিষিদ্ধ করার মতো কার্যকর আইন চাই। গুম আইন শুধু ভবিষ্যতের জন্য নয়, অতীতে গুম হওয়াদের বিচারও নিশ্চিত করতে হবে।

রবিবার সিরডাপ মিলনায়তনে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে’ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম সংক্রান্ত বিষয়ে আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে’ অংশীজন সভায় তিনি একথা বলেন। সভায় প্রধান অতিথি ও সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তাহসিনা রুশদী তার বক্তব্যে আরও বলেন, তাঁর স্বামী এম ইলিয়াস আলী ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল গুম হন। এরপর থেকেই তিনি গুমের শিকার পরিবারগুলোর বিচার ও অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।

তিনি বলেন, আমি সংসদে গিয়েছি ইলিয়াস আলীর কথা বলার জন্য, গুমের বিষয়টি তুলে ধরার জন্য।

তিনি অভিযোগ করেন, গুম কমিশন গঠনের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্পর্কে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে জানানো হয়নি।

তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া কোন পর্যায়ে রয়েছে, সে বিষয়েও স্পষ্ট ধারণা নেই বলে জানান তিনি।

তাহসিনা রুশদী বলেন, আইনে প্রতিকার ও প্রতিরোধের বিষয় থাকলেও অতীতে যারা গুম হয়েছেন, তাদের বিষয়ে কী হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন। যারা এখনো ফিরে আসেননি, তাদের পরিবারগুলোর দুর্ভোগ ও সমস্যার বিষয়টিও আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১২ থেকে ১৪ বছর ধরে পরিবারগুলো স্বজনদের ফেরার অপেক্ষায় আছে। কিন্তু এর মধ্যেও বিভিন্নভাবে সামাজিক ও গণমাধ্যমে অপপ্রচারের শিকার হতে হচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে।

আইনমন্ত্রী গুম আইন নিয়ে আগামী সংসদ অধিবেশনে অগ্রগতি হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন উল্লেখ করে তাহসিনা রুশদী আশা প্রকাশ করেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে এমন একটি আইন প্রণয়ন হবে, যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আর কোনো গুমের ঘটনা না ঘটে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যমুনায় অভিযান: ৬০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস

গুমকে চিরতরে নিষিদ্ধ করার আইন চাই : তাহসিনা রুশদী

আপডেট সময় ০৮:৫৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গুমের শিকার সাবেক সংসদ সদস্য এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী ও সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদী বলেছেন, গুমকে বাংলাদেশ থেকে চিরতরে নিষিদ্ধ করার মতো কার্যকর আইন চাই। গুম আইন শুধু ভবিষ্যতের জন্য নয়, অতীতে গুম হওয়াদের বিচারও নিশ্চিত করতে হবে।

রবিবার সিরডাপ মিলনায়তনে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে’ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম সংক্রান্ত বিষয়ে আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে’ অংশীজন সভায় তিনি একথা বলেন। সভায় প্রধান অতিথি ও সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তাহসিনা রুশদী তার বক্তব্যে আরও বলেন, তাঁর স্বামী এম ইলিয়াস আলী ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল গুম হন। এরপর থেকেই তিনি গুমের শিকার পরিবারগুলোর বিচার ও অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।

তিনি বলেন, আমি সংসদে গিয়েছি ইলিয়াস আলীর কথা বলার জন্য, গুমের বিষয়টি তুলে ধরার জন্য।

তিনি অভিযোগ করেন, গুম কমিশন গঠনের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্পর্কে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে জানানো হয়নি।

তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া কোন পর্যায়ে রয়েছে, সে বিষয়েও স্পষ্ট ধারণা নেই বলে জানান তিনি।

তাহসিনা রুশদী বলেন, আইনে প্রতিকার ও প্রতিরোধের বিষয় থাকলেও অতীতে যারা গুম হয়েছেন, তাদের বিষয়ে কী হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন। যারা এখনো ফিরে আসেননি, তাদের পরিবারগুলোর দুর্ভোগ ও সমস্যার বিষয়টিও আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১২ থেকে ১৪ বছর ধরে পরিবারগুলো স্বজনদের ফেরার অপেক্ষায় আছে। কিন্তু এর মধ্যেও বিভিন্নভাবে সামাজিক ও গণমাধ্যমে অপপ্রচারের শিকার হতে হচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে।

আইনমন্ত্রী গুম আইন নিয়ে আগামী সংসদ অধিবেশনে অগ্রগতি হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন উল্লেখ করে তাহসিনা রুশদী আশা প্রকাশ করেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে এমন একটি আইন প্রণয়ন হবে, যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আর কোনো গুমের ঘটনা না ঘটে।