ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

হাসিনার মৃত্যুদণ্ড বাতিল চেয়ে চিঠি পাঠানো আদালত অবমাননাকর: চিফ প্রসিকিউটর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানো চিঠি আদালত অবমাননাকর বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পক্ষে লন্ডন থেকে ল ফার্ম দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিঠি পাঠানোর আইনে কোনো সুযোগ নেই।

ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রমকে বিতর্কিত করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে আসামিকে সশরীরে হাজির হয়ে আপিল করতে হবে। আসামি অনুপস্থিত থেকে কোনো ল ফার্মের মাধ্যমে চিঠি পাঠানোর সুযোগ নেই।

শেখ হাসিনার মামলার ইস্যুতে লন্ডনভিত্তিক আইন সংস্থা কিংসলে ন্যাপলির কোনো চিঠি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার এবং চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে জমা পড়েনি। তবে তারা গণমাধ্যম থেকে চিঠি পাঠানোর সংবাদ জেনেছেন।

জান যায়, ৩০ মার্চ ই-মেইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিঠি পাঠান তার পক্ষে যুক্তরাজ্যের আইনজীবী কিংসলি ন্যাপলি।

২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে গত বছরের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিচার চলার সময় তিনি অনুপস্থিত থাকায় তার পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিযুক্ত করেন ট্রাইব্যুনাল। আইন অনুযায়ী, এই রায় পরিবর্তন বা বহাল রাখার ক্ষমতা রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার পক্ষে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ল ফার্ম কিংসলি ন্যাপলির পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে যেভাবে বিচার করা হয়েছে এবং মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তাতে আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায়বিচারের মৌলিক মানদণ্ড লঙ্ঘন হয়েছে। শেখ হাসিনার বিচারপ্রক্রিয়াকে অন্যায্য ও অবৈধ বলা হয়েছে চিঠিতে।

চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো, তা জানিয়ে ১৪ দিনের মধ্যে জবাব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন কিংসলি নেপলি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে সামরিক হামলার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে ইসরাইল

হাসিনার মৃত্যুদণ্ড বাতিল চেয়ে চিঠি পাঠানো আদালত অবমাননাকর: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় ০১:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানো চিঠি আদালত অবমাননাকর বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পক্ষে লন্ডন থেকে ল ফার্ম দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিঠি পাঠানোর আইনে কোনো সুযোগ নেই।

ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রমকে বিতর্কিত করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে আসামিকে সশরীরে হাজির হয়ে আপিল করতে হবে। আসামি অনুপস্থিত থেকে কোনো ল ফার্মের মাধ্যমে চিঠি পাঠানোর সুযোগ নেই।

শেখ হাসিনার মামলার ইস্যুতে লন্ডনভিত্তিক আইন সংস্থা কিংসলে ন্যাপলির কোনো চিঠি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার এবং চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে জমা পড়েনি। তবে তারা গণমাধ্যম থেকে চিঠি পাঠানোর সংবাদ জেনেছেন।

জান যায়, ৩০ মার্চ ই-মেইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিঠি পাঠান তার পক্ষে যুক্তরাজ্যের আইনজীবী কিংসলি ন্যাপলি।

২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে গত বছরের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিচার চলার সময় তিনি অনুপস্থিত থাকায় তার পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিযুক্ত করেন ট্রাইব্যুনাল। আইন অনুযায়ী, এই রায় পরিবর্তন বা বহাল রাখার ক্ষমতা রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার পক্ষে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ল ফার্ম কিংসলি ন্যাপলির পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে যেভাবে বিচার করা হয়েছে এবং মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তাতে আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায়বিচারের মৌলিক মানদণ্ড লঙ্ঘন হয়েছে। শেখ হাসিনার বিচারপ্রক্রিয়াকে অন্যায্য ও অবৈধ বলা হয়েছে চিঠিতে।

চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো, তা জানিয়ে ১৪ দিনের মধ্যে জবাব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন কিংসলি নেপলি।