ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সংসদের আগামী অধিবেশনে সৌরবিদ্যুৎ আইন পাস হবে: জ্বালানিমন্ত্রী

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে আগামী জাতীয় সংসদ অধিবেশনেই প্রয়োজনীয় আইন পাস করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। দেশে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা ব্যবহারের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীতে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব তথ্য জানান।

গোলটেবিল বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বযুদ্ধের মতো পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বর্তমান আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার প্রতিনিয়ত চেষ্টা চালাচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে পড়েছে। এমন উদ্ভূত সংকট সামলে দেশের ভেতরে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একটি নির্বাচিত সরকারের মূল দায়িত্ব নাগরিকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস দেওয়া, এবং সরকার যেকোনো পরিস্থিতিতে এই সেবা স্বাভাবিক রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ওপর জ্বালানি ব্যয়ের চাপ কমাতে কিছু ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি সরবরাহের বিদ্যমান ঘাটতি পূরণ ও দেশের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের গ্যাসের সার্বিক চাহিদা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় স্থানে নতুন এসব টার্মিনাল তৈরি করা হবে, যা ভবিষ্যতে গ্যাস ঘাটতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ইতোমধ্যে ময়মনসিংহের ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাসাবাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে আগ্রহ তৈরি হবে। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যে ৮ হাজার ৬০০টি সার্ভিস প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সৌরবিদ্যুতের এই সম্প্রসারণের ফলে সারাদেশে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যে ৮ হাজার ৬০০ সার্ভিস প্রোভাইডার তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

বাজারে পাওয়া সোলার প্যানেলের গুণগত মান প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্পষ্ট জানান, সৌরবিদ্যুৎ পণ্যের মান নিশ্চিত করতে সরকার অত্যন্ত সচেতন এবং এ বিষয়ে নজরদারি বজায় রাখা হচ্ছে। উদ্ভূত সকল চ্যালেঞ্জ ও সংকট মোকাবিলা করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক ও স্বস্তিদায়ক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

রিজভী: ঢাবি যদি অক্সফোর্ড হয়, রাবিকে ক্যামব্রিজ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে

সংসদের আগামী অধিবেশনে সৌরবিদ্যুৎ আইন পাস হবে: জ্বালানিমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:১০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে আগামী জাতীয় সংসদ অধিবেশনেই প্রয়োজনীয় আইন পাস করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। দেশে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা ব্যবহারের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীতে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব তথ্য জানান।

গোলটেবিল বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বযুদ্ধের মতো পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বর্তমান আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার প্রতিনিয়ত চেষ্টা চালাচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে পড়েছে। এমন উদ্ভূত সংকট সামলে দেশের ভেতরে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একটি নির্বাচিত সরকারের মূল দায়িত্ব নাগরিকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস দেওয়া, এবং সরকার যেকোনো পরিস্থিতিতে এই সেবা স্বাভাবিক রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ওপর জ্বালানি ব্যয়ের চাপ কমাতে কিছু ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি সরবরাহের বিদ্যমান ঘাটতি পূরণ ও দেশের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের গ্যাসের সার্বিক চাহিদা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় স্থানে নতুন এসব টার্মিনাল তৈরি করা হবে, যা ভবিষ্যতে গ্যাস ঘাটতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ইতোমধ্যে ময়মনসিংহের ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাসাবাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে আগ্রহ তৈরি হবে। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যে ৮ হাজার ৬০০টি সার্ভিস প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সৌরবিদ্যুতের এই সম্প্রসারণের ফলে সারাদেশে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যে ৮ হাজার ৬০০ সার্ভিস প্রোভাইডার তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

বাজারে পাওয়া সোলার প্যানেলের গুণগত মান প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্পষ্ট জানান, সৌরবিদ্যুৎ পণ্যের মান নিশ্চিত করতে সরকার অত্যন্ত সচেতন এবং এ বিষয়ে নজরদারি বজায় রাখা হচ্ছে। উদ্ভূত সকল চ্যালেঞ্জ ও সংকট মোকাবিলা করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক ও স্বস্তিদায়ক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।