ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

সমঝোতায় নেওয়া অর্থ চাঁদা নয়, জোর করলে তবেই চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো সমঝোতার ভিত্তিতে যে অর্থ সংগ্রহ করে, সেটিকে তিনি চাঁদা হিসেবে দেখেন না। তবে কাউকে বাধ্য করে টাকা নেওয়া হলে সেটিই চাঁদা হিসেবে গণ্য হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়কে পরিবহনের ক্ষেত্রে যে অর্থ নেওয়ার বিষয়টি চাঁদা হিসেবে আলোচনা হয়, তা সবসময় চাঁদা নয়। মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতিগুলো নিজেদের কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। এটি অনেকটা অলিখিত নিয়মের মতো। তবে কেউ স্বেচ্ছায় না দিয়ে বাধ্য হলে সেটিকেই প্রকৃত চাঁদা বলা যায়।

তিনি বলেন, মালিক সমিতিগুলো সংগৃহীত অর্থ মালিকদের কল্যাণে ব্যয় করার কথা। কতটা সঠিকভাবে সেই অর্থ ব্যবহৃত হয়—তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু সমঝোতার ভিত্তিতে এ প্রক্রিয়া চললে সেটিকে চাঁদা আখ্যা দেওয়ার সুযোগ কম।

শেখ রবিউল আলম বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন এভাবে অর্থ তোলে। ক্ষমতায় যে দল থাকে, তাদের সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনের প্রভাব সাধারণত বেশি থাকে—এ কথাও তিনি স্বীকার করেন। তবে সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ সংগ্রহ হলে তা সরাসরি চাঁদা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না বলে জানান তিনি।

তবে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে বাইরে থেকে চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা আদায় বা সুবিধা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি স্পষ্ট করেন। কোথাও কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না বা সংগৃহীত অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না—সে বিষয়ে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

সড়কে যানজট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের ওপর অনেক স্থানে বাজার বসে যাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয় শৃঙ্খলার মধ্যে আনা জরুরি।

আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিয়ে তিনি বলেন, ছুটি কম হলে চাপ সামলানো কঠিন হয়। গতবার দীর্ঘ ছুটি থাকায় কিছুটা সুবিধা পাওয়া গিয়েছিল। এবারও অনুরূপ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভোগান্তি কমাতে নতুন কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়েও কাজ চলছে।

শেখ রবিউল আলম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ঈদে যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিতে সরকার সক্ষম হবে। তবে ছুটির সময়সীমা গুরুত্বপূর্ণ—এ বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হার্ট অ্যাটাকে হাসপাতালে ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’-এর রইছখ্যাত বিজয়

সমঝোতায় নেওয়া অর্থ চাঁদা নয়, জোর করলে তবেই চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:২৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো সমঝোতার ভিত্তিতে যে অর্থ সংগ্রহ করে, সেটিকে তিনি চাঁদা হিসেবে দেখেন না। তবে কাউকে বাধ্য করে টাকা নেওয়া হলে সেটিই চাঁদা হিসেবে গণ্য হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়কে পরিবহনের ক্ষেত্রে যে অর্থ নেওয়ার বিষয়টি চাঁদা হিসেবে আলোচনা হয়, তা সবসময় চাঁদা নয়। মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতিগুলো নিজেদের কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। এটি অনেকটা অলিখিত নিয়মের মতো। তবে কেউ স্বেচ্ছায় না দিয়ে বাধ্য হলে সেটিকেই প্রকৃত চাঁদা বলা যায়।

তিনি বলেন, মালিক সমিতিগুলো সংগৃহীত অর্থ মালিকদের কল্যাণে ব্যয় করার কথা। কতটা সঠিকভাবে সেই অর্থ ব্যবহৃত হয়—তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু সমঝোতার ভিত্তিতে এ প্রক্রিয়া চললে সেটিকে চাঁদা আখ্যা দেওয়ার সুযোগ কম।

শেখ রবিউল আলম বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন এভাবে অর্থ তোলে। ক্ষমতায় যে দল থাকে, তাদের সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনের প্রভাব সাধারণত বেশি থাকে—এ কথাও তিনি স্বীকার করেন। তবে সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ সংগ্রহ হলে তা সরাসরি চাঁদা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না বলে জানান তিনি।

তবে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে বাইরে থেকে চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা আদায় বা সুবিধা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি স্পষ্ট করেন। কোথাও কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না বা সংগৃহীত অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না—সে বিষয়ে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

সড়কে যানজট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের ওপর অনেক স্থানে বাজার বসে যাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয় শৃঙ্খলার মধ্যে আনা জরুরি।

আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিয়ে তিনি বলেন, ছুটি কম হলে চাপ সামলানো কঠিন হয়। গতবার দীর্ঘ ছুটি থাকায় কিছুটা সুবিধা পাওয়া গিয়েছিল। এবারও অনুরূপ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভোগান্তি কমাতে নতুন কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়েও কাজ চলছে।

শেখ রবিউল আলম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ঈদে যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিতে সরকার সক্ষম হবে। তবে ছুটির সময়সীমা গুরুত্বপূর্ণ—এ বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।