ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী জনগণের কল্যাণে পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে : ডিএমপি কমিশনার টকশোতে আর দেখা যাবে না গোলাম মাওলা রনিকে গাজা পুনর্গঠনে ১০০ কোটি ডলারের সহায়তা উদ্যোগ ঘোষণা ইউরোপীয় ইউনিয়নের দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের দুই বছরের কারাদণ্ড মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি অত্যন্ত গর্হিত ও ন্যক্কারজনক কাজ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দর চালু হলে কমবে পণ্য পরিবহন ব্যয়: নৌমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর করতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

সমঝোতায় নেওয়া অর্থ চাঁদা নয়, জোর করলে তবেই চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো সমঝোতার ভিত্তিতে যে অর্থ সংগ্রহ করে, সেটিকে তিনি চাঁদা হিসেবে দেখেন না। তবে কাউকে বাধ্য করে টাকা নেওয়া হলে সেটিই চাঁদা হিসেবে গণ্য হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়কে পরিবহনের ক্ষেত্রে যে অর্থ নেওয়ার বিষয়টি চাঁদা হিসেবে আলোচনা হয়, তা সবসময় চাঁদা নয়। মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতিগুলো নিজেদের কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। এটি অনেকটা অলিখিত নিয়মের মতো। তবে কেউ স্বেচ্ছায় না দিয়ে বাধ্য হলে সেটিকেই প্রকৃত চাঁদা বলা যায়।

তিনি বলেন, মালিক সমিতিগুলো সংগৃহীত অর্থ মালিকদের কল্যাণে ব্যয় করার কথা। কতটা সঠিকভাবে সেই অর্থ ব্যবহৃত হয়—তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু সমঝোতার ভিত্তিতে এ প্রক্রিয়া চললে সেটিকে চাঁদা আখ্যা দেওয়ার সুযোগ কম।

শেখ রবিউল আলম বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন এভাবে অর্থ তোলে। ক্ষমতায় যে দল থাকে, তাদের সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনের প্রভাব সাধারণত বেশি থাকে—এ কথাও তিনি স্বীকার করেন। তবে সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ সংগ্রহ হলে তা সরাসরি চাঁদা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না বলে জানান তিনি।

তবে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে বাইরে থেকে চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা আদায় বা সুবিধা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি স্পষ্ট করেন। কোথাও কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না বা সংগৃহীত অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না—সে বিষয়ে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

সড়কে যানজট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের ওপর অনেক স্থানে বাজার বসে যাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয় শৃঙ্খলার মধ্যে আনা জরুরি।

আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিয়ে তিনি বলেন, ছুটি কম হলে চাপ সামলানো কঠিন হয়। গতবার দীর্ঘ ছুটি থাকায় কিছুটা সুবিধা পাওয়া গিয়েছিল। এবারও অনুরূপ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভোগান্তি কমাতে নতুন কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়েও কাজ চলছে।

শেখ রবিউল আলম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ঈদে যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিতে সরকার সক্ষম হবে। তবে ছুটির সময়সীমা গুরুত্বপূর্ণ—এ বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, নীরবতা ভাঙলেন শ্রাবন্তী

সমঝোতায় নেওয়া অর্থ চাঁদা নয়, জোর করলে তবেই চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:২৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো সমঝোতার ভিত্তিতে যে অর্থ সংগ্রহ করে, সেটিকে তিনি চাঁদা হিসেবে দেখেন না। তবে কাউকে বাধ্য করে টাকা নেওয়া হলে সেটিই চাঁদা হিসেবে গণ্য হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়কে পরিবহনের ক্ষেত্রে যে অর্থ নেওয়ার বিষয়টি চাঁদা হিসেবে আলোচনা হয়, তা সবসময় চাঁদা নয়। মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতিগুলো নিজেদের কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। এটি অনেকটা অলিখিত নিয়মের মতো। তবে কেউ স্বেচ্ছায় না দিয়ে বাধ্য হলে সেটিকেই প্রকৃত চাঁদা বলা যায়।

তিনি বলেন, মালিক সমিতিগুলো সংগৃহীত অর্থ মালিকদের কল্যাণে ব্যয় করার কথা। কতটা সঠিকভাবে সেই অর্থ ব্যবহৃত হয়—তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু সমঝোতার ভিত্তিতে এ প্রক্রিয়া চললে সেটিকে চাঁদা আখ্যা দেওয়ার সুযোগ কম।

শেখ রবিউল আলম বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন এভাবে অর্থ তোলে। ক্ষমতায় যে দল থাকে, তাদের সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনের প্রভাব সাধারণত বেশি থাকে—এ কথাও তিনি স্বীকার করেন। তবে সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ সংগ্রহ হলে তা সরাসরি চাঁদা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না বলে জানান তিনি।

তবে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে বাইরে থেকে চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা আদায় বা সুবিধা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি স্পষ্ট করেন। কোথাও কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না বা সংগৃহীত অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না—সে বিষয়ে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

সড়কে যানজট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের ওপর অনেক স্থানে বাজার বসে যাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয় শৃঙ্খলার মধ্যে আনা জরুরি।

আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিয়ে তিনি বলেন, ছুটি কম হলে চাপ সামলানো কঠিন হয়। গতবার দীর্ঘ ছুটি থাকায় কিছুটা সুবিধা পাওয়া গিয়েছিল। এবারও অনুরূপ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভোগান্তি কমাতে নতুন কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়েও কাজ চলছে।

শেখ রবিউল আলম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ঈদে যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিতে সরকার সক্ষম হবে। তবে ছুটির সময়সীমা গুরুত্বপূর্ণ—এ বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।