ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

১২ তারিখই নির্বাচন হতে হবে: ইনকিলাব মঞ্চ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যেই শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেছেন, যে কোনো মূল্যে আগামী ১২ তারিখই নির্বাচন হতে হবে এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতিসংঘে চিঠি পাঠাতে হবে।

শুক্রবার ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় আব্দুল্লাহ আল জাবের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শুধু চিঠি পাঠালেই হবে না, সেখানে ইনকিলাব মঞ্চ যে বিষয়গুলো তুলে ধরতে চায়, সেগুলো স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, সরকারকে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে অনুরোধ করতে হবে, যেন শহীদ শরিফ উসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য সত্যানুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনা করা হয়। ওই তদন্তের কার্যপরিধিতে ঘটনার সত্যতা নির্ধারণ, দায়ীদের শনাক্তকরণ, সহায়তাকারী নেটওয়ার্ক চিহ্নিতকরণ এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার সুপারিশ থাকতে হবে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে জাবের বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচন বানচাল করতেই তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু এই নির্বাচন অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে এবং সেটি নির্ধারিত তারিখেই হতে হবে। যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তাদের রুখে দিতে জনগণকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত ও নিরাপত্তার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই জুলাই গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জাবের বলেন, তিনি নিজেসহ তার আশপাশের একাধিক ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। মাথা লক্ষ্য করে গ্রেনেড নিক্ষেপ, মারধর এবং পুলিশের লাঠিচার্জে বহু কর্মী আহত হয়েছে। হত্যার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। এরপরও নির্বাচন পেছানো যাবে না। নির্বাচন-পরবর্তী সরকার যদি এ বিষয়ে সুষ্ঠু পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে ইনকিলাব মঞ্চ কঠোর আন্দোলনে যাবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন জাবের।

তিনি বলেন, জুমা ও শান্তাকে রাস্তায় ফেলে মারধরের ঘটনা সাধারণ মানুষ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। এর ফলে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার পুরো দায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ প্রশাসন ও সরকারকেই নিতে হবে। সরকার আন্দোলনকারীদের ওপর একের পর এক সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে জাবের ফেসবুক পোস্টে বলেন, লীগ সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে পরিস্থিতিকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে বিশ্বনেতাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিলেন কাতারের আমীর

১২ তারিখই নির্বাচন হতে হবে: ইনকিলাব মঞ্চ

আপডেট সময় ১১:২৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যেই শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেছেন, যে কোনো মূল্যে আগামী ১২ তারিখই নির্বাচন হতে হবে এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতিসংঘে চিঠি পাঠাতে হবে।

শুক্রবার ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় আব্দুল্লাহ আল জাবের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শুধু চিঠি পাঠালেই হবে না, সেখানে ইনকিলাব মঞ্চ যে বিষয়গুলো তুলে ধরতে চায়, সেগুলো স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, সরকারকে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে অনুরোধ করতে হবে, যেন শহীদ শরিফ উসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য সত্যানুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনা করা হয়। ওই তদন্তের কার্যপরিধিতে ঘটনার সত্যতা নির্ধারণ, দায়ীদের শনাক্তকরণ, সহায়তাকারী নেটওয়ার্ক চিহ্নিতকরণ এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার সুপারিশ থাকতে হবে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে জাবের বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচন বানচাল করতেই তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু এই নির্বাচন অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে এবং সেটি নির্ধারিত তারিখেই হতে হবে। যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তাদের রুখে দিতে জনগণকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত ও নিরাপত্তার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই জুলাই গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জাবের বলেন, তিনি নিজেসহ তার আশপাশের একাধিক ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। মাথা লক্ষ্য করে গ্রেনেড নিক্ষেপ, মারধর এবং পুলিশের লাঠিচার্জে বহু কর্মী আহত হয়েছে। হত্যার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। এরপরও নির্বাচন পেছানো যাবে না। নির্বাচন-পরবর্তী সরকার যদি এ বিষয়ে সুষ্ঠু পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে ইনকিলাব মঞ্চ কঠোর আন্দোলনে যাবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন জাবের।

তিনি বলেন, জুমা ও শান্তাকে রাস্তায় ফেলে মারধরের ঘটনা সাধারণ মানুষ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। এর ফলে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার পুরো দায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ প্রশাসন ও সরকারকেই নিতে হবে। সরকার আন্দোলনকারীদের ওপর একের পর এক সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে জাবের ফেসবুক পোস্টে বলেন, লীগ সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে পরিস্থিতিকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে।