ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতি উপজেলায় ৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী ১৫ জুলাই সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫টি করে গাছ লাগানোর নির্দেশ ‘পূর্বের রূপে ফিরছে রাজশাহী কেন্দ্রীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা’:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামে বন্যার্তদের পাশে সেনাবাহিনী, মানবিক সহায়তা অব্যাহত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে পতন সিজারিয়ান সংস্কৃতি কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসবে জোর দিচ্ছে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী গৌরনদীতে একযোগে আড়াইহাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চুক্তির কাছাকাছি ছিলাম, এমন সময় ইরান হঠাৎ জাহাজে হামলা করল: ট্রাম্প সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

১২ তারিখই নির্বাচন হতে হবে: ইনকিলাব মঞ্চ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যেই শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেছেন, যে কোনো মূল্যে আগামী ১২ তারিখই নির্বাচন হতে হবে এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতিসংঘে চিঠি পাঠাতে হবে।

শুক্রবার ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় আব্দুল্লাহ আল জাবের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শুধু চিঠি পাঠালেই হবে না, সেখানে ইনকিলাব মঞ্চ যে বিষয়গুলো তুলে ধরতে চায়, সেগুলো স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, সরকারকে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে অনুরোধ করতে হবে, যেন শহীদ শরিফ উসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য সত্যানুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনা করা হয়। ওই তদন্তের কার্যপরিধিতে ঘটনার সত্যতা নির্ধারণ, দায়ীদের শনাক্তকরণ, সহায়তাকারী নেটওয়ার্ক চিহ্নিতকরণ এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার সুপারিশ থাকতে হবে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে জাবের বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচন বানচাল করতেই তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু এই নির্বাচন অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে এবং সেটি নির্ধারিত তারিখেই হতে হবে। যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তাদের রুখে দিতে জনগণকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত ও নিরাপত্তার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই জুলাই গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জাবের বলেন, তিনি নিজেসহ তার আশপাশের একাধিক ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। মাথা লক্ষ্য করে গ্রেনেড নিক্ষেপ, মারধর এবং পুলিশের লাঠিচার্জে বহু কর্মী আহত হয়েছে। হত্যার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। এরপরও নির্বাচন পেছানো যাবে না। নির্বাচন-পরবর্তী সরকার যদি এ বিষয়ে সুষ্ঠু পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে ইনকিলাব মঞ্চ কঠোর আন্দোলনে যাবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন জাবের।

তিনি বলেন, জুমা ও শান্তাকে রাস্তায় ফেলে মারধরের ঘটনা সাধারণ মানুষ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। এর ফলে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার পুরো দায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ প্রশাসন ও সরকারকেই নিতে হবে। সরকার আন্দোলনকারীদের ওপর একের পর এক সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে জাবের ফেসবুক পোস্টে বলেন, লীগ সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে পরিস্থিতিকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতি উপজেলায় ৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী

১২ তারিখই নির্বাচন হতে হবে: ইনকিলাব মঞ্চ

আপডেট সময় ১১:২৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যেই শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেছেন, যে কোনো মূল্যে আগামী ১২ তারিখই নির্বাচন হতে হবে এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতিসংঘে চিঠি পাঠাতে হবে।

শুক্রবার ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় আব্দুল্লাহ আল জাবের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শুধু চিঠি পাঠালেই হবে না, সেখানে ইনকিলাব মঞ্চ যে বিষয়গুলো তুলে ধরতে চায়, সেগুলো স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, সরকারকে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে অনুরোধ করতে হবে, যেন শহীদ শরিফ উসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য সত্যানুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনা করা হয়। ওই তদন্তের কার্যপরিধিতে ঘটনার সত্যতা নির্ধারণ, দায়ীদের শনাক্তকরণ, সহায়তাকারী নেটওয়ার্ক চিহ্নিতকরণ এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার সুপারিশ থাকতে হবে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে জাবের বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচন বানচাল করতেই তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু এই নির্বাচন অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে এবং সেটি নির্ধারিত তারিখেই হতে হবে। যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তাদের রুখে দিতে জনগণকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত ও নিরাপত্তার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই জুলাই গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জাবের বলেন, তিনি নিজেসহ তার আশপাশের একাধিক ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। মাথা লক্ষ্য করে গ্রেনেড নিক্ষেপ, মারধর এবং পুলিশের লাঠিচার্জে বহু কর্মী আহত হয়েছে। হত্যার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। এরপরও নির্বাচন পেছানো যাবে না। নির্বাচন-পরবর্তী সরকার যদি এ বিষয়ে সুষ্ঠু পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে ইনকিলাব মঞ্চ কঠোর আন্দোলনে যাবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন জাবের।

তিনি বলেন, জুমা ও শান্তাকে রাস্তায় ফেলে মারধরের ঘটনা সাধারণ মানুষ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। এর ফলে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার পুরো দায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ প্রশাসন ও সরকারকেই নিতে হবে। সরকার আন্দোলনকারীদের ওপর একের পর এক সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে জাবের ফেসবুক পোস্টে বলেন, লীগ সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে পরিস্থিতিকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে।