ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বগুড়ায় মামলা তুলে না নেওয়ায় সাক্ষীকে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

বগুড়ার গাবতলীতে মামলা তুলে না নেওয়ায় আবু বক্কর সিদ্দিক নামে এক সাক্ষীকে মাথায় আঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছে। পুলিশ হত্যায় জড়িত থাকায় চারজনকে হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকাল পর্যন্ত এ ব্যাপারে মামলা হয়নি। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের জাতহলিদা মধ্যপাড়ায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

গাবতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু মুসা সরকার এ তথ্য দিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, নিহত সাবেক এনজিও কর্মী আবু বক্কর সিদ্দিক গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের জাতহলিদা মধ্যপাড়ার আবদুস সাত্তারের ছেলে।

একই গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে আতাউর রহমানের সঙ্গে প্রতিবেশী বুলু প্রামাণিকের ছেলে মন্টু, বাবুল ও মামুনের দীর্ঘদিন ধরে জমি ও বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। প্রায় দেড় বছর আগে এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হলে এরশাদ নামে একজন আহত হন। এরশাদের ভাই আতাউর রহমান এ ব্যাপারে গাবতলী থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। মামলায় আবু বক্কর সিদ্দিক প্রধান সাক্ষী ছিলেন। এ মামলাটি তুলে নিতে আসামিরা তাকে (সিদ্দিক) হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল।

সোমবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর প্রতিপক্ষরা মামলার বাদী আতাউর রহমানের বাড়িতে হামলা চালায়। এ খবর পেয়ে স্থানীয় বুরুজ বাজারে দোকান থেকে সাক্ষী আবু বক্কর সিদ্দিক ও বাদী আতাউর রহমান মোটরসাইকেলে বাড়ির দিকে রওনা দেন। পথে আসামিরা চলন্ত মোটরসাইকেলের ওপর হামলা চালায়। তারা লাঠি বা রড দিয়ে সিদ্দিকের মাথায় আঘাত করে। এতে মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আটজন আহত হয়।

সিদ্দিক পক্ষের জেমি বেগম, শিফা খাতুন, বৃষ্টি খাতুন ও তাদের বাবা আতাউর রহমান আহত হন। তাদের গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া হামলাকারী পক্ষের আহত চারজনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বগুড়ায় মামলা তুলে না নেওয়ায় সাক্ষীকে হত্যা

আপডেট সময় ১০:২৫:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

বগুড়ার গাবতলীতে মামলা তুলে না নেওয়ায় আবু বক্কর সিদ্দিক নামে এক সাক্ষীকে মাথায় আঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছে। পুলিশ হত্যায় জড়িত থাকায় চারজনকে হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকাল পর্যন্ত এ ব্যাপারে মামলা হয়নি। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের জাতহলিদা মধ্যপাড়ায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

গাবতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু মুসা সরকার এ তথ্য দিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, নিহত সাবেক এনজিও কর্মী আবু বক্কর সিদ্দিক গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের জাতহলিদা মধ্যপাড়ার আবদুস সাত্তারের ছেলে।

একই গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে আতাউর রহমানের সঙ্গে প্রতিবেশী বুলু প্রামাণিকের ছেলে মন্টু, বাবুল ও মামুনের দীর্ঘদিন ধরে জমি ও বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। প্রায় দেড় বছর আগে এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হলে এরশাদ নামে একজন আহত হন। এরশাদের ভাই আতাউর রহমান এ ব্যাপারে গাবতলী থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। মামলায় আবু বক্কর সিদ্দিক প্রধান সাক্ষী ছিলেন। এ মামলাটি তুলে নিতে আসামিরা তাকে (সিদ্দিক) হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল।

সোমবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর প্রতিপক্ষরা মামলার বাদী আতাউর রহমানের বাড়িতে হামলা চালায়। এ খবর পেয়ে স্থানীয় বুরুজ বাজারে দোকান থেকে সাক্ষী আবু বক্কর সিদ্দিক ও বাদী আতাউর রহমান মোটরসাইকেলে বাড়ির দিকে রওনা দেন। পথে আসামিরা চলন্ত মোটরসাইকেলের ওপর হামলা চালায়। তারা লাঠি বা রড দিয়ে সিদ্দিকের মাথায় আঘাত করে। এতে মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আটজন আহত হয়।

সিদ্দিক পক্ষের জেমি বেগম, শিফা খাতুন, বৃষ্টি খাতুন ও তাদের বাবা আতাউর রহমান আহত হন। তাদের গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া হামলাকারী পক্ষের আহত চারজনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।