ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের পক্ষে অবস্থানকারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদানের সুযোগ থাকা উচিত নয়: মাহফুজ জুলাইয়ের ২৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬২ কোটি ডলার আরও দুই মামলায় জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন ওয়ানডেতে নেতৃত্ব হারালেন মিরাজ, নতুন অধিনায়ক লিটন সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার মিয়ানমার ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে: আনোয়ার ইব্রাহিম একজনের সাথে সম্পর্ক নষ্ট করে অন্যের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী সব দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি এনসিপির

ইউক্রেনে সেনা পাঠাতে প্রস্তুত যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স, রাশিয়ার আপত্তির শঙ্কা

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি হলে ইউক্রেন সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। এ বিষয়ে একটি ঘোষণাপত্রে উভয় দেশ স্বাক্ষর করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার।

গতকাল মঙ্গলবার প্যারিসে ইউক্রেনের মিত্রদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এ কথা বলেন। এ আলোচনায় ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ নামে পরিচিত জোটের রাষ্ট্রনেতা ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্টারমার বলেন, ভবিষ্যতে আক্রমণ রোধের জন্যই যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ইউক্রেন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে। অন্যদিকে, ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, তারা অন্তত কয়েক হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করতে প্রস্তুত।

ঘোষণাপত্র নিয়ে স্টারমার আরও বলেন, এটি এমন একটি আইনি কাঠামো সৃষ্টি করবে, যার মাধ্যমে ব্রিটিশ, ফরাসি ও সহযোগী বাহিনী ইউক্রেনে কাজ করতে পারবে। এর আওতায় থাকবে ইউক্রেনের আকাশ ও সমুদ্র সুরক্ষা এবং ভবিষ্যতের তাদের সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত করা।

মিত্ররা ইউক্রেনের জন্য দৃঢ় নিরাপত্তা নিশ্চিতেও একমত হয়েছেন। তাদের প্রস্তাব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে নেতৃত্ব দেবে। তবে ভূখণ্ডের বিষয়টি এখনও কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই আলোচনাকে ‘বৃহৎ অগ্রগতি’ বলে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, নিরাপত্তা প্রটোকল তৈরিতে জোটের সদস্যদের কাজ প্রায় শেষের দিকে।

তবে, এ সিদ্ধান্ত কতটা বাস্তবসম্মত হবে তা নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহ রয়েছে। কেননা, রাশিয়া বারবারই জোর দিয়ে বলেছে, ইউক্রেনে অন্য যেকোনো দেশের সেনাদের উপস্থিতিকে তারা মেনে নেবে না। তবে সর্বশেষ প্যারিসের এ ঘোষণার বিষয়ে মস্কো এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ শুরু করে। বর্তমানে দেশটির প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের পক্ষে অবস্থানকারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদানের সুযোগ থাকা উচিত নয়: মাহফুজ

ইউক্রেনে সেনা পাঠাতে প্রস্তুত যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স, রাশিয়ার আপত্তির শঙ্কা

আপডেট সময় ১২:০৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি হলে ইউক্রেন সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। এ বিষয়ে একটি ঘোষণাপত্রে উভয় দেশ স্বাক্ষর করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার।

গতকাল মঙ্গলবার প্যারিসে ইউক্রেনের মিত্রদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এ কথা বলেন। এ আলোচনায় ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ নামে পরিচিত জোটের রাষ্ট্রনেতা ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্টারমার বলেন, ভবিষ্যতে আক্রমণ রোধের জন্যই যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ইউক্রেন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে। অন্যদিকে, ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, তারা অন্তত কয়েক হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করতে প্রস্তুত।

ঘোষণাপত্র নিয়ে স্টারমার আরও বলেন, এটি এমন একটি আইনি কাঠামো সৃষ্টি করবে, যার মাধ্যমে ব্রিটিশ, ফরাসি ও সহযোগী বাহিনী ইউক্রেনে কাজ করতে পারবে। এর আওতায় থাকবে ইউক্রেনের আকাশ ও সমুদ্র সুরক্ষা এবং ভবিষ্যতের তাদের সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত করা।

মিত্ররা ইউক্রেনের জন্য দৃঢ় নিরাপত্তা নিশ্চিতেও একমত হয়েছেন। তাদের প্রস্তাব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে নেতৃত্ব দেবে। তবে ভূখণ্ডের বিষয়টি এখনও কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই আলোচনাকে ‘বৃহৎ অগ্রগতি’ বলে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, নিরাপত্তা প্রটোকল তৈরিতে জোটের সদস্যদের কাজ প্রায় শেষের দিকে।

তবে, এ সিদ্ধান্ত কতটা বাস্তবসম্মত হবে তা নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহ রয়েছে। কেননা, রাশিয়া বারবারই জোর দিয়ে বলেছে, ইউক্রেনে অন্য যেকোনো দেশের সেনাদের উপস্থিতিকে তারা মেনে নেবে না। তবে সর্বশেষ প্যারিসের এ ঘোষণার বিষয়ে মস্কো এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ শুরু করে। বর্তমানে দেশটির প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তারা।