ঢাকা ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইউক্রেনে সেনা পাঠাতে প্রস্তুত যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স, রাশিয়ার আপত্তির শঙ্কা

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি হলে ইউক্রেন সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। এ বিষয়ে একটি ঘোষণাপত্রে উভয় দেশ স্বাক্ষর করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার।

গতকাল মঙ্গলবার প্যারিসে ইউক্রেনের মিত্রদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এ কথা বলেন। এ আলোচনায় ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ নামে পরিচিত জোটের রাষ্ট্রনেতা ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্টারমার বলেন, ভবিষ্যতে আক্রমণ রোধের জন্যই যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ইউক্রেন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে। অন্যদিকে, ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, তারা অন্তত কয়েক হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করতে প্রস্তুত।

ঘোষণাপত্র নিয়ে স্টারমার আরও বলেন, এটি এমন একটি আইনি কাঠামো সৃষ্টি করবে, যার মাধ্যমে ব্রিটিশ, ফরাসি ও সহযোগী বাহিনী ইউক্রেনে কাজ করতে পারবে। এর আওতায় থাকবে ইউক্রেনের আকাশ ও সমুদ্র সুরক্ষা এবং ভবিষ্যতের তাদের সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত করা।

মিত্ররা ইউক্রেনের জন্য দৃঢ় নিরাপত্তা নিশ্চিতেও একমত হয়েছেন। তাদের প্রস্তাব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে নেতৃত্ব দেবে। তবে ভূখণ্ডের বিষয়টি এখনও কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই আলোচনাকে ‘বৃহৎ অগ্রগতি’ বলে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, নিরাপত্তা প্রটোকল তৈরিতে জোটের সদস্যদের কাজ প্রায় শেষের দিকে।

তবে, এ সিদ্ধান্ত কতটা বাস্তবসম্মত হবে তা নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহ রয়েছে। কেননা, রাশিয়া বারবারই জোর দিয়ে বলেছে, ইউক্রেনে অন্য যেকোনো দেশের সেনাদের উপস্থিতিকে তারা মেনে নেবে না। তবে সর্বশেষ প্যারিসের এ ঘোষণার বিষয়ে মস্কো এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ শুরু করে। বর্তমানে দেশটির প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইউক্রেনে সেনা পাঠাতে প্রস্তুত যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স, রাশিয়ার আপত্তির শঙ্কা

আপডেট সময় ১২:০৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি হলে ইউক্রেন সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। এ বিষয়ে একটি ঘোষণাপত্রে উভয় দেশ স্বাক্ষর করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার।

গতকাল মঙ্গলবার প্যারিসে ইউক্রেনের মিত্রদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এ কথা বলেন। এ আলোচনায় ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ নামে পরিচিত জোটের রাষ্ট্রনেতা ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্টারমার বলেন, ভবিষ্যতে আক্রমণ রোধের জন্যই যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ইউক্রেন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে। অন্যদিকে, ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, তারা অন্তত কয়েক হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করতে প্রস্তুত।

ঘোষণাপত্র নিয়ে স্টারমার আরও বলেন, এটি এমন একটি আইনি কাঠামো সৃষ্টি করবে, যার মাধ্যমে ব্রিটিশ, ফরাসি ও সহযোগী বাহিনী ইউক্রেনে কাজ করতে পারবে। এর আওতায় থাকবে ইউক্রেনের আকাশ ও সমুদ্র সুরক্ষা এবং ভবিষ্যতের তাদের সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত করা।

মিত্ররা ইউক্রেনের জন্য দৃঢ় নিরাপত্তা নিশ্চিতেও একমত হয়েছেন। তাদের প্রস্তাব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে নেতৃত্ব দেবে। তবে ভূখণ্ডের বিষয়টি এখনও কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই আলোচনাকে ‘বৃহৎ অগ্রগতি’ বলে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, নিরাপত্তা প্রটোকল তৈরিতে জোটের সদস্যদের কাজ প্রায় শেষের দিকে।

তবে, এ সিদ্ধান্ত কতটা বাস্তবসম্মত হবে তা নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহ রয়েছে। কেননা, রাশিয়া বারবারই জোর দিয়ে বলেছে, ইউক্রেনে অন্য যেকোনো দেশের সেনাদের উপস্থিতিকে তারা মেনে নেবে না। তবে সর্বশেষ প্যারিসের এ ঘোষণার বিষয়ে মস্কো এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ শুরু করে। বর্তমানে দেশটির প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তারা।