ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বিয়ের খরচ কমানোর ১০টি উপায়

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিয়ের খরচ কমানোর ১০টি উপায়
আজকাল বিয়ে মানে জমকালো আয়োজন, বাড়তি খরচের বোঝা। কথিত সামাজিক মর্যাদা রক্ষা করতে গিয়ে অনেককেই এই বোঝা বইতে হয়। খরচের কথা ভেবে তো অনেকে বিয়ে পিছিয়ে দিতেও পিছপা হন না। অবশ্য অনেকে চাইলেও সাধারণ আয়োজনে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে পারেন না। এক্ষেত্রে বিয়ের খরচ যতটা কমিয়ে আনা যায় ততটাই চাপ থেকে মুক্তি। কিছুটা কৌশলী হলে বড় আয়োজনেও খরচ কিছুটা কমানো যায়। পাঠকদের জন্য এমনই ১০টি টিপস তুলে দেওয়া হলো-

১. বিয়ের সময়
বিয়ের নির্দিষ্ট মওসুম রয়েছে। আরামদায়ক আবহাওয়ার কারণে অধিকাংশ বিয়েই শীতকালে হয়। অন-সিজনে প্রচুর বিয়ে হওয়ায় এই সময় ডেকোরেশন, কেটারিং, সব কিছুর খরচই বেড়ে যায়। অফ-সিজনে বিয়ে করলে অনেক কিছুতে ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়।

২. একদিনেই বিয়ে-রিসেপশন
বাঙালি অনেক রকম আচার অনুষ্ঠান হয়। সব অনুষ্ঠান ঘটা করে করতে গেলে খরচ অনেকটা বেড়ে যায়। আলাদা করে গায়ে হলুদ, বরযাত্রা ও বৌভাত না করে একই দিনে বিয়ে ও রিসেপশন সেরে ফেলতে পারেন।

৩. হল বুকিং
হোটেল বা এক্সটিক লোকেশনে বিয়ের অনুষ্ঠান করলে অনেক খরচ হবে। সময় থাকতে থাকতে ঘুরে দেখে ব্যাঙ্কয়েট হল বুক করে নিন। বিয়ে যত এগিয়ে আসবে তাড়াহুড়োয় বুকিং দিতে গেলে ভাড়াও বেড়ে যাবে।

৪. বিয়ের কার্ড
কার্ডের ব্যবহার শুধুই অতিথিদের নিমন্ত্রণ জানানোর জন্য। তাই কার্ডের পেছনে অযথা খরচ করার কোনো মানে হয় না। সিম্পল অথচ রুচিসম্মত বিয়ের কার্ড করুন। বড় দোকান বা ডিজাইনার কার্ড শপে গেলে দাম বেশি পড়বে। নিজে ডিজাইন করে কাস্টমাইজড কার্ডও বানাতে পারেন। সুন্দর হবে অথচ দাম থাকবে আয়ত্তে।

৫. অতিথি তালিকা
বিয়ে জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই বিশেষ দিনে পরিবার, আত্মীয়-বন্ধুদের পাশে থাকা খুবই জরুরি। অনেকের সঙ্গেই হয়তো সেভাবে যোগাযোগ না থাকলেও চক্ষুলজ্জার খাতিরে বিয়েতে নিমন্ত্রণ করতে হয়। অতিথি তালিকা সংক্ষিপ্ত করে খরচ অনেকটাই আয়ত্তে রাখতে পারেন।

৬. খাবার আইটেম
বিয়ে বাড়িতে অতিথিদের খুশি করার প্রধান উপায় ভালো খাবার পরিবেশন। এখন ট্রেন্ড মেনে অনেকেই নানা রকম আইটেম রাখতে চান মেনুতে। কোনো মানুষই কি এত খাবার খেতে পারেন? তাই অল্প আইটেমের মধ্যেই সুস্বাদু খাবার পরিবেশনের চেষ্টা করুন। অতিথিরা তৃপ্তি করে খেতে পারবেন, খরচও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৭. সাধারণ ডেকোরেশন
জমকালো লুক দিতে অনেকেই ডেকোরেশনে জোর দেন। অযথা অতিকিক্ত সজ্জা বা আলোর কি সত্যিই প্রয়োজন রয়েছে? অতিথি আপ্যায়ন ও সুন্দর ছবি ওঠার জন্য যতটা প্রয়োজন সাধারণ ডেকোরেশন করুন। এতে অতিরিক্ত খরচ এড়াতে পারবেন।

৮. ওয়েডিং ফোটোগ্রাফি ও ভিডিও
ওয়েডিং ফোটোগ্রাফি ও ভিডিও এখন বিয়ের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নামকরা সংস্থা একাজ করালে স্বাভাবিক ভাবেই বেশি খরচ হবে। ফ্রেশারদের দিয়ে ফোটোগ্রাফি ও ভিডিও করালে অনেক কম খরচে করাতে পারবেন। এরা কাজও করবেন যত্ন সহকারে।

৯. পোশাক ও গয়না
নিজের বিয়েতে সুন্দর করে সাজতে সবাই চান। অনেকেই ডিজাইনারদের থেকে বিশেষ পছন্দের পোশাক, শাড়ি কিনতে গিয়ে বেশি খরচ করে ফেলেন। ডিজাইনার পোশাক না কিনে ব্র্যান্ডেড দোকান থেকে কিনলে অনেকটাই কম দামে ভালো মানের পোশাক পাবেন। গয়নার ক্ষেত্রে যদিও ব্যাপারটা উল্টো। ব্র্যান্ডেড দোকানে গয়নার দাম বেশি।

১০. অতিথিদেরকে উপহার
বাঙালি বিয়েতে আত্মীয়দের শাড়ি বা উপহার দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। চেষ্টা করুন তালিকা বানিয়ে নিয়ে এক সঙ্গে সব উপহার বা শাড়ি কিনে নিতে। এক সঙ্গে কিনলে খরচ বাঁচাতে পারবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিয়ের খরচ কমানোর ১০টি উপায়

আপডেট সময় ১১:২৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিয়ের খরচ কমানোর ১০টি উপায়
আজকাল বিয়ে মানে জমকালো আয়োজন, বাড়তি খরচের বোঝা। কথিত সামাজিক মর্যাদা রক্ষা করতে গিয়ে অনেককেই এই বোঝা বইতে হয়। খরচের কথা ভেবে তো অনেকে বিয়ে পিছিয়ে দিতেও পিছপা হন না। অবশ্য অনেকে চাইলেও সাধারণ আয়োজনে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে পারেন না। এক্ষেত্রে বিয়ের খরচ যতটা কমিয়ে আনা যায় ততটাই চাপ থেকে মুক্তি। কিছুটা কৌশলী হলে বড় আয়োজনেও খরচ কিছুটা কমানো যায়। পাঠকদের জন্য এমনই ১০টি টিপস তুলে দেওয়া হলো-

১. বিয়ের সময়
বিয়ের নির্দিষ্ট মওসুম রয়েছে। আরামদায়ক আবহাওয়ার কারণে অধিকাংশ বিয়েই শীতকালে হয়। অন-সিজনে প্রচুর বিয়ে হওয়ায় এই সময় ডেকোরেশন, কেটারিং, সব কিছুর খরচই বেড়ে যায়। অফ-সিজনে বিয়ে করলে অনেক কিছুতে ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়।

২. একদিনেই বিয়ে-রিসেপশন
বাঙালি অনেক রকম আচার অনুষ্ঠান হয়। সব অনুষ্ঠান ঘটা করে করতে গেলে খরচ অনেকটা বেড়ে যায়। আলাদা করে গায়ে হলুদ, বরযাত্রা ও বৌভাত না করে একই দিনে বিয়ে ও রিসেপশন সেরে ফেলতে পারেন।

৩. হল বুকিং
হোটেল বা এক্সটিক লোকেশনে বিয়ের অনুষ্ঠান করলে অনেক খরচ হবে। সময় থাকতে থাকতে ঘুরে দেখে ব্যাঙ্কয়েট হল বুক করে নিন। বিয়ে যত এগিয়ে আসবে তাড়াহুড়োয় বুকিং দিতে গেলে ভাড়াও বেড়ে যাবে।

৪. বিয়ের কার্ড
কার্ডের ব্যবহার শুধুই অতিথিদের নিমন্ত্রণ জানানোর জন্য। তাই কার্ডের পেছনে অযথা খরচ করার কোনো মানে হয় না। সিম্পল অথচ রুচিসম্মত বিয়ের কার্ড করুন। বড় দোকান বা ডিজাইনার কার্ড শপে গেলে দাম বেশি পড়বে। নিজে ডিজাইন করে কাস্টমাইজড কার্ডও বানাতে পারেন। সুন্দর হবে অথচ দাম থাকবে আয়ত্তে।

৫. অতিথি তালিকা
বিয়ে জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই বিশেষ দিনে পরিবার, আত্মীয়-বন্ধুদের পাশে থাকা খুবই জরুরি। অনেকের সঙ্গেই হয়তো সেভাবে যোগাযোগ না থাকলেও চক্ষুলজ্জার খাতিরে বিয়েতে নিমন্ত্রণ করতে হয়। অতিথি তালিকা সংক্ষিপ্ত করে খরচ অনেকটাই আয়ত্তে রাখতে পারেন।

৬. খাবার আইটেম
বিয়ে বাড়িতে অতিথিদের খুশি করার প্রধান উপায় ভালো খাবার পরিবেশন। এখন ট্রেন্ড মেনে অনেকেই নানা রকম আইটেম রাখতে চান মেনুতে। কোনো মানুষই কি এত খাবার খেতে পারেন? তাই অল্প আইটেমের মধ্যেই সুস্বাদু খাবার পরিবেশনের চেষ্টা করুন। অতিথিরা তৃপ্তি করে খেতে পারবেন, খরচও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৭. সাধারণ ডেকোরেশন
জমকালো লুক দিতে অনেকেই ডেকোরেশনে জোর দেন। অযথা অতিকিক্ত সজ্জা বা আলোর কি সত্যিই প্রয়োজন রয়েছে? অতিথি আপ্যায়ন ও সুন্দর ছবি ওঠার জন্য যতটা প্রয়োজন সাধারণ ডেকোরেশন করুন। এতে অতিরিক্ত খরচ এড়াতে পারবেন।

৮. ওয়েডিং ফোটোগ্রাফি ও ভিডিও
ওয়েডিং ফোটোগ্রাফি ও ভিডিও এখন বিয়ের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নামকরা সংস্থা একাজ করালে স্বাভাবিক ভাবেই বেশি খরচ হবে। ফ্রেশারদের দিয়ে ফোটোগ্রাফি ও ভিডিও করালে অনেক কম খরচে করাতে পারবেন। এরা কাজও করবেন যত্ন সহকারে।

৯. পোশাক ও গয়না
নিজের বিয়েতে সুন্দর করে সাজতে সবাই চান। অনেকেই ডিজাইনারদের থেকে বিশেষ পছন্দের পোশাক, শাড়ি কিনতে গিয়ে বেশি খরচ করে ফেলেন। ডিজাইনার পোশাক না কিনে ব্র্যান্ডেড দোকান থেকে কিনলে অনেকটাই কম দামে ভালো মানের পোশাক পাবেন। গয়নার ক্ষেত্রে যদিও ব্যাপারটা উল্টো। ব্র্যান্ডেড দোকানে গয়নার দাম বেশি।

১০. অতিথিদেরকে উপহার
বাঙালি বিয়েতে আত্মীয়দের শাড়ি বা উপহার দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। চেষ্টা করুন তালিকা বানিয়ে নিয়ে এক সঙ্গে সব উপহার বা শাড়ি কিনে নিতে। এক সঙ্গে কিনলে খরচ বাঁচাতে পারবেন।