ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাত্র একরাতেই জনশূন্য হয়ে পড়া এক গ্রাম

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অসংখ্য ঘরবাড়ি। তবে কোনওটাতেই মানুষজন থাকে না। প্রায় ৩০০ বছর ধরে এভাবেই পড়ে আছে কুলধারা নামের এক গ্রাম। প্রচলিত রয়েছে, মাত্র এক রাতেই জনশূন্য হয়ে গিয়েছিল ভারতের রাজস্থানের এই গ্রামটি। রাজস্থানের জয়সালমের থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার পশ্চিমে এই গ্রামের অবস্থান।

রহস্যময় কুলধারা গ্রামটি ভুতুড়ে ইতিহাসের জন্য পরিচিত। এক সময় এই গ্রামে পালিওয়াল ব্রাহ্মণদের একটি সমৃদ্ধ সম্প্রদায়ের বাসস্থান ছিল। ঠিক কি কারণে গ্রামটি এক রাতের মধ্যে জনশূন্য হয়ে গেছিল তা নিয়ে অনেক ধরনের গল্প প্রচলিত রয়েছে। কিন্তু কেউই এর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত নয়।

কেউ কেউ বলেন কুলধারার গ্রামবাসীরা কোনো এক যাদুকরের দ্বারা অভিশপ্ত হয়েছিল। অন্যরা বিশ্বাস করে, স্থানীয় জমিদাররা তাদের তাড়িয়ে দিয়েছিল। অনেকের মতে, গ্রামবাসীদের অতৃপ্ত আত্মা এখনও গ্রামময় ঘুরে বেড়ায়।

১২৯১ সালে পালিওয়াল ব্রাহ্মণরা গ্রামটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮২৫ সালের এক রাতে কুলধারার সব মানুষ অন্ধকারে উধাও হয়ে যায়। অনেকের মতে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সেলিম সিংয়ের গ্রামপ্রধানের মেয়ের উপর চোখ পড়েছিল। তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন গ্রামপ্রধানের মেয়েকে বিয়ে করবেন। গ্রাম পরিষদ তার দাবি মেনে না নিয়ে রাতারাতি তাদের পৈতৃক বাড়ি ছেড়ে দেয়। এটাও বিশ্বাস করা হয়, গ্রামবাসীরা চলে যাওয়ার আগে অভিশাপ দিয়েছিল কেউ গ্রামটিতে থাকতে পারবে না।

সময়ের সাথে সাথে কুলধারা গ্রামটি রহস্যময় একটি স্থান হিসেবে পরিচিত পায়। রাজস্থান সরকার ২০১৫ সালে এলাকাটিকে একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। গ্রামটিতে সন্ধ্যা ৬ টার পর দর্শনার্থীদের প্রবেশের অনুমতি নেই। এর কারণ হল স্থানীয়রা বিশ্বাস করে, আত্মারা এখনও ওই স্থানে ঘুরে বেড়ায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

মাত্র একরাতেই জনশূন্য হয়ে পড়া এক গ্রাম

আপডেট সময় ১০:৫৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অসংখ্য ঘরবাড়ি। তবে কোনওটাতেই মানুষজন থাকে না। প্রায় ৩০০ বছর ধরে এভাবেই পড়ে আছে কুলধারা নামের এক গ্রাম। প্রচলিত রয়েছে, মাত্র এক রাতেই জনশূন্য হয়ে গিয়েছিল ভারতের রাজস্থানের এই গ্রামটি। রাজস্থানের জয়সালমের থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার পশ্চিমে এই গ্রামের অবস্থান।

রহস্যময় কুলধারা গ্রামটি ভুতুড়ে ইতিহাসের জন্য পরিচিত। এক সময় এই গ্রামে পালিওয়াল ব্রাহ্মণদের একটি সমৃদ্ধ সম্প্রদায়ের বাসস্থান ছিল। ঠিক কি কারণে গ্রামটি এক রাতের মধ্যে জনশূন্য হয়ে গেছিল তা নিয়ে অনেক ধরনের গল্প প্রচলিত রয়েছে। কিন্তু কেউই এর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত নয়।

কেউ কেউ বলেন কুলধারার গ্রামবাসীরা কোনো এক যাদুকরের দ্বারা অভিশপ্ত হয়েছিল। অন্যরা বিশ্বাস করে, স্থানীয় জমিদাররা তাদের তাড়িয়ে দিয়েছিল। অনেকের মতে, গ্রামবাসীদের অতৃপ্ত আত্মা এখনও গ্রামময় ঘুরে বেড়ায়।

১২৯১ সালে পালিওয়াল ব্রাহ্মণরা গ্রামটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮২৫ সালের এক রাতে কুলধারার সব মানুষ অন্ধকারে উধাও হয়ে যায়। অনেকের মতে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সেলিম সিংয়ের গ্রামপ্রধানের মেয়ের উপর চোখ পড়েছিল। তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন গ্রামপ্রধানের মেয়েকে বিয়ে করবেন। গ্রাম পরিষদ তার দাবি মেনে না নিয়ে রাতারাতি তাদের পৈতৃক বাড়ি ছেড়ে দেয়। এটাও বিশ্বাস করা হয়, গ্রামবাসীরা চলে যাওয়ার আগে অভিশাপ দিয়েছিল কেউ গ্রামটিতে থাকতে পারবে না।

সময়ের সাথে সাথে কুলধারা গ্রামটি রহস্যময় একটি স্থান হিসেবে পরিচিত পায়। রাজস্থান সরকার ২০১৫ সালে এলাকাটিকে একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। গ্রামটিতে সন্ধ্যা ৬ টার পর দর্শনার্থীদের প্রবেশের অনুমতি নেই। এর কারণ হল স্থানীয়রা বিশ্বাস করে, আত্মারা এখনও ওই স্থানে ঘুরে বেড়ায়।