ঢাকা ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

গবেষণার ক্ষেত্রও হতে পারে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর : উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপান্তরের যে উদ্যোগ নিয়েছে, সেটি গবেষণার ক্ষেত্রও হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘জুলাই বিপ্লবে সারা দেশের স্মৃতিগুলো এখানে (গণভবন) জাদুঘরের বিভিন্ন জায়গায় স্মৃতি হিসেবে রাখা হবে। এছাড়া গত ১৬ বছরে যে নিপীড়নের স্মৃতি রয়েছে, আপনারা ইতোমধ্যে শুনেছেন আয়নাঘরের একটা রেপ্লিকা করার কথা ভাবা হচ্ছে।’

‘সেই সকল নিপীড়নের চিহ্ন এবং বিজয়ের চিহ্ন এখানে জড়ো করা হবে। এখানে শুধু অনেকগুলো স্মৃতিকে ধারণ করা নয়, বরং আমাদের একটি গবেষণার ক্ষেত্রও হতে পারে,’ বলেন নাহিদ।

শনিবার গণভবন পরিদর্শন শেষে তিনি- জাদুঘর রূপান্তর কাজের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা আছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, পুরো বিষয়টা কমিটি দেখবে, টাইম লাইনের বিষয়টা তারা ঠিক করবে। তখন আপনারা জানতে পারবেন।

প্রবল গণআন্দোলন ও জনরোষের মুখে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার মুহূর্তে গত ৫ আগস্ট হাজার হাজার বিক্ষোভকারী গণভবনে প্রবেশ করেন।

তারা গণভবনের দেয়াল ও কামরায় তাদের ক্ষোভের প্রকাশ ঘটিয়ে গ্রাফিতি আঁকেন এবং ‘খুনি হাসিনা’ সহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান লিখে রেখে যান। এখন সেই বাড়িটিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপ দেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচন পরবর্তী সরকার গণভবনকে জাদুঘর হিসেবে রাখবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘অবশ্যই, এটা তো আমাদের প্রত্যাশা থাকবে; জনগণেরও এটা একটা আকাঙ্ক্ষা। এটা যে জাদুঘর হবে- এটা রাজনৈতিক ঐক্যমত্যেই হয়েছে। ফলে বাংলাদেশে এখন যে রাজনৈতিক দলগুলো আছে, এই ক্ষেত্রে সবার ঐক্যমত আছে।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পরবর্তীতে যেই আসুক না কেন, এটা জনগণের বিজয়ের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে থাকবে। সবাই এটাকে ধারণ করবে। এটার কার্যক্রম সবসময় চলমান থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গবেষণার ক্ষেত্রও হতে পারে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর : উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় ০২:৩২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপান্তরের যে উদ্যোগ নিয়েছে, সেটি গবেষণার ক্ষেত্রও হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘জুলাই বিপ্লবে সারা দেশের স্মৃতিগুলো এখানে (গণভবন) জাদুঘরের বিভিন্ন জায়গায় স্মৃতি হিসেবে রাখা হবে। এছাড়া গত ১৬ বছরে যে নিপীড়নের স্মৃতি রয়েছে, আপনারা ইতোমধ্যে শুনেছেন আয়নাঘরের একটা রেপ্লিকা করার কথা ভাবা হচ্ছে।’

‘সেই সকল নিপীড়নের চিহ্ন এবং বিজয়ের চিহ্ন এখানে জড়ো করা হবে। এখানে শুধু অনেকগুলো স্মৃতিকে ধারণ করা নয়, বরং আমাদের একটি গবেষণার ক্ষেত্রও হতে পারে,’ বলেন নাহিদ।

শনিবার গণভবন পরিদর্শন শেষে তিনি- জাদুঘর রূপান্তর কাজের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা আছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, পুরো বিষয়টা কমিটি দেখবে, টাইম লাইনের বিষয়টা তারা ঠিক করবে। তখন আপনারা জানতে পারবেন।

প্রবল গণআন্দোলন ও জনরোষের মুখে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার মুহূর্তে গত ৫ আগস্ট হাজার হাজার বিক্ষোভকারী গণভবনে প্রবেশ করেন।

তারা গণভবনের দেয়াল ও কামরায় তাদের ক্ষোভের প্রকাশ ঘটিয়ে গ্রাফিতি আঁকেন এবং ‘খুনি হাসিনা’ সহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান লিখে রেখে যান। এখন সেই বাড়িটিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপ দেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচন পরবর্তী সরকার গণভবনকে জাদুঘর হিসেবে রাখবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘অবশ্যই, এটা তো আমাদের প্রত্যাশা থাকবে; জনগণেরও এটা একটা আকাঙ্ক্ষা। এটা যে জাদুঘর হবে- এটা রাজনৈতিক ঐক্যমত্যেই হয়েছে। ফলে বাংলাদেশে এখন যে রাজনৈতিক দলগুলো আছে, এই ক্ষেত্রে সবার ঐক্যমত আছে।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পরবর্তীতে যেই আসুক না কেন, এটা জনগণের বিজয়ের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে থাকবে। সবাই এটাকে ধারণ করবে। এটার কার্যক্রম সবসময় চলমান থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।