ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা

জগন্নাথপুরে শ্বাসরোধে হত্যার চার দিন পর লাশ উদ্ধার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সারজিদ আহমদ (৯) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পাষণ্ডরা শিশুটিকে অপহরণ করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন তার পিতা আল আমীন।

অপহরণের ৪ দিন পর শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ। শনিবার (১২ অক্টোবর) মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়না তদন্ত শেষে এদিন বিকেলে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার ইনাতগঞ্জ (উমরপুর) এলাকার একটি মাছের খামার থেকে শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, শিশুটিকে অপহরণের ঘটনায় ইতোমধ্যে গ্রেফতার তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনও করা হয়েছে। সোমবার আসামীদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করা হবে। শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

হতভাগ্য শিশুটির পিতা আল আমিন হোসেন বলেন, পাষণ্ডরা আমার নিষ্পাপ শিশুটিকে অপহরণ করে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। আমি ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (৭ অক্টোবর) শিশু সারজিদ আহমদ সঙ্গীদের সঙ্গে বাড়ির পাশে আলীগঞ্জ সেতুতে খেলাধুলা করছিল। এ সময় কয়েকজন শিশুটিকে নৌকা বাইচ দেখানোর কথা বলে নিয়ে যায়। এরপর শিশুটি আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। এ ঘটনায় গত ৯ অক্টোবর ওই শিশুর বাবা আল-আমিন বাদী হয়ে তিনজনের নামে জগন্নাথপুর থানায় অপহরণ মামলা করেন। মামলার পর অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় জগন্নাথপুর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও গ্রামের মৃত কয়ছর মিয়ার ছেলে ছালিম উদ্দিন (৪২), একই গ্রামের মৃত আব্দুর শহিদের ছেলে জনি (২৪) ও বাগময়না গ্রামের মৃত আব্দুল নওয়াফের ছেলে সোহাগ মিয়া (২৬)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন আবেদন নাকচ

জগন্নাথপুরে শ্বাসরোধে হত্যার চার দিন পর লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০২:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সারজিদ আহমদ (৯) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পাষণ্ডরা শিশুটিকে অপহরণ করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন তার পিতা আল আমীন।

অপহরণের ৪ দিন পর শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ। শনিবার (১২ অক্টোবর) মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়না তদন্ত শেষে এদিন বিকেলে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার ইনাতগঞ্জ (উমরপুর) এলাকার একটি মাছের খামার থেকে শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, শিশুটিকে অপহরণের ঘটনায় ইতোমধ্যে গ্রেফতার তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনও করা হয়েছে। সোমবার আসামীদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করা হবে। শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

হতভাগ্য শিশুটির পিতা আল আমিন হোসেন বলেন, পাষণ্ডরা আমার নিষ্পাপ শিশুটিকে অপহরণ করে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। আমি ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (৭ অক্টোবর) শিশু সারজিদ আহমদ সঙ্গীদের সঙ্গে বাড়ির পাশে আলীগঞ্জ সেতুতে খেলাধুলা করছিল। এ সময় কয়েকজন শিশুটিকে নৌকা বাইচ দেখানোর কথা বলে নিয়ে যায়। এরপর শিশুটি আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। এ ঘটনায় গত ৯ অক্টোবর ওই শিশুর বাবা আল-আমিন বাদী হয়ে তিনজনের নামে জগন্নাথপুর থানায় অপহরণ মামলা করেন। মামলার পর অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় জগন্নাথপুর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও গ্রামের মৃত কয়ছর মিয়ার ছেলে ছালিম উদ্দিন (৪২), একই গ্রামের মৃত আব্দুর শহিদের ছেলে জনি (২৪) ও বাগময়না গ্রামের মৃত আব্দুল নওয়াফের ছেলে সোহাগ মিয়া (২৬)।