ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানে ‘রেড লাইন’ ঘোষণা ফতুল্লায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, বোমা বিস্ফোরণ অনেক লোভ দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ, জেলে লোক পাঠিয়ে মন্ত্রী হতে বলেছেন হাসিনা: আমির খসরু বিগত ১৫ বছরে পুলিশ দলীয় পুলিশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল : আইজিপি ২২ জানুয়ারি ভোটের প্রচারে মাঠে নামছেন তারেক রহমান রাজধানীর বনশ্রীতে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যা দেশকে ধ্বংসস্তুূপ থেকে উদ্ধার করতে একমাত্র প্রয়োজন বিএনপি সরকার :খায়রুল কবির খোকন সব সরকারি অফিসের জন্য জরুরি নির্দেশনা বাংলাদেশিদের জন্য বি-১ ভিসা বন্ড পুনর্বিবেচনার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন প্রস্তুতিতে বিএনপি থেকে জামায়াত জোট অনেক এগিয়ে: নাহিদ ইসলাম

জগন্নাথপুরে শ্বাসরোধে হত্যার চার দিন পর লাশ উদ্ধার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সারজিদ আহমদ (৯) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পাষণ্ডরা শিশুটিকে অপহরণ করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন তার পিতা আল আমীন।

অপহরণের ৪ দিন পর শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ। শনিবার (১২ অক্টোবর) মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়না তদন্ত শেষে এদিন বিকেলে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার ইনাতগঞ্জ (উমরপুর) এলাকার একটি মাছের খামার থেকে শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, শিশুটিকে অপহরণের ঘটনায় ইতোমধ্যে গ্রেফতার তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনও করা হয়েছে। সোমবার আসামীদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করা হবে। শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

হতভাগ্য শিশুটির পিতা আল আমিন হোসেন বলেন, পাষণ্ডরা আমার নিষ্পাপ শিশুটিকে অপহরণ করে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। আমি ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (৭ অক্টোবর) শিশু সারজিদ আহমদ সঙ্গীদের সঙ্গে বাড়ির পাশে আলীগঞ্জ সেতুতে খেলাধুলা করছিল। এ সময় কয়েকজন শিশুটিকে নৌকা বাইচ দেখানোর কথা বলে নিয়ে যায়। এরপর শিশুটি আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। এ ঘটনায় গত ৯ অক্টোবর ওই শিশুর বাবা আল-আমিন বাদী হয়ে তিনজনের নামে জগন্নাথপুর থানায় অপহরণ মামলা করেন। মামলার পর অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় জগন্নাথপুর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও গ্রামের মৃত কয়ছর মিয়ার ছেলে ছালিম উদ্দিন (৪২), একই গ্রামের মৃত আব্দুর শহিদের ছেলে জনি (২৪) ও বাগময়না গ্রামের মৃত আব্দুল নওয়াফের ছেলে সোহাগ মিয়া (২৬)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথপুরে শ্বাসরোধে হত্যার চার দিন পর লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০২:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সারজিদ আহমদ (৯) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পাষণ্ডরা শিশুটিকে অপহরণ করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন তার পিতা আল আমীন।

অপহরণের ৪ দিন পর শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ। শনিবার (১২ অক্টোবর) মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়না তদন্ত শেষে এদিন বিকেলে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার ইনাতগঞ্জ (উমরপুর) এলাকার একটি মাছের খামার থেকে শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, শিশুটিকে অপহরণের ঘটনায় ইতোমধ্যে গ্রেফতার তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনও করা হয়েছে। সোমবার আসামীদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করা হবে। শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

হতভাগ্য শিশুটির পিতা আল আমিন হোসেন বলেন, পাষণ্ডরা আমার নিষ্পাপ শিশুটিকে অপহরণ করে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। আমি ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (৭ অক্টোবর) শিশু সারজিদ আহমদ সঙ্গীদের সঙ্গে বাড়ির পাশে আলীগঞ্জ সেতুতে খেলাধুলা করছিল। এ সময় কয়েকজন শিশুটিকে নৌকা বাইচ দেখানোর কথা বলে নিয়ে যায়। এরপর শিশুটি আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। এ ঘটনায় গত ৯ অক্টোবর ওই শিশুর বাবা আল-আমিন বাদী হয়ে তিনজনের নামে জগন্নাথপুর থানায় অপহরণ মামলা করেন। মামলার পর অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় জগন্নাথপুর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও গ্রামের মৃত কয়ছর মিয়ার ছেলে ছালিম উদ্দিন (৪২), একই গ্রামের মৃত আব্দুর শহিদের ছেলে জনি (২৪) ও বাগময়না গ্রামের মৃত আব্দুল নওয়াফের ছেলে সোহাগ মিয়া (২৬)।